প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত
প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত
Proleanor Some
A Collection of Paranormal Stories by Kowshik Samanta
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি, ২০১৯
প্রচ্ছদ – অরণ্যমন গ্রাফিক্স
প্রচ্ছদ নামাঙ্কন – কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল
.
বাবা, মা আর ছায়ামানুষ’দের
.
“অন্ধকার ওখানে কিছুটা তরল। মেঘের চাদর সরিয়ে উঁকি দেওয়া চাঁদ আর জমা বরফের সাদা রঙ রাতের ঘন কালো ভাব একটু ফিকে করে দিয়েছিল। সেজন্যই ওই… প্রাণীটিকে দেখতে পেলাম!”
“প্রাণীটিকে? মানে নেকড়ে?”
“নেকড়ে! কিন্তু নেকড়ে কি দু’পায়ে দাঁড়িয়ে ছুটে আসতে পারে?”
“দু’পায়ে…?”
“ওর কথায় কান দিও না বাবা। চোখটা তো গেছেই। ঘোড়ার শোকে এবার মাথাটাও যাবে।”
“বাজে বোকো না! হেনরি শুধু আমার ঘোড়াই ছিল না। ও আমার সঙ্গী, আমার অবলম্বন, আরও অনেক কিছু ছিল। প্রাণীটা হেনরিকে…
“আপনি আমাকে জায়গাটা একবার দেখিয়ে দিতে পারবেন?”
“তুমি কি ওর কথা বিশ্বাস করছ বাবা?”
“অবশ্যই। আর কেউ মানুক বা না-মানুক, আমি জানি অন্ধকারের পর্দা সরিয়ে মাঝেমধ্যে কারা আসে এদিকে। আজ একটা ঘোড়া গেছে, কাল মানুষ যাবে ওর পেটে… যদি আমি ওকে না আটকাই।”
“কিন্তু তুমি তো ভিনদেশি, বাবা। এভাবে আমাদের জন্য নিজেকে বিপন্ন করবে?”
“করব। সেটাই তো আমার কাজ।”
“কাজ? তুমি কে?”
“সোম। রেভারেন্ড রুদ্র সোম।”
অন্ধকার যখন হিংস্র দ্বিপদের চেহারা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের ওপর, তখন আমরা কী করি?
আর্তনাদ করি। পালিয়ে যাই। অন্যের আড়ালে লুকিয়ে ভাবি, আমি নিরাপদ। কিন্তু কেউ রুখে দাঁড়ায়। কেউ প্রতি আক্রমণ করে অন্ধকারকে পিছু হটতে বাধ্য করে।
কৌশিক সামন্ত-র লেখায় উঠে এসেছে তেমনই এক লড়াকু চরিত্র। তাঁকে আমরা প্রফেসর সোম নামে চিনি। সেই মানুষটির রোমাঞ্চকর কীর্তিকলাপের সঙ্গে পরিচিত হতে চাইলে আপনাকে স্রেফ এই পাতাটা ওলটাতে হবে। তাই আর আপনাকে আটকাব না।
প্রফেসর সোমের জগতে আপনাকে স্বাগত জানাই।
ঋজু গাঙ্গুলী
মার্চ, ২০১৯
.
ফ্ল্যাপের লেখা
আমরা প্রতিনিয়তই অন্ধকারের সাথে লড়াই করে চলেছি, কখনও আলো জ্বালিয়ে কখনও বা তার থেকে দূরে পালিয়ে! তবুও জ্বলন্ত প্রদীপের ঠিক তলার জমাট বাঁধা অন্ধকারটার মতোই, শত চেষ্টা করেও সবার জীবনেই কিছু না কিছু অন্ধকার রয়েই যায়! মেটাফিজিক্সের অধ্যাপক প্রফেসর রুদ্র সোম এরকমই একজন মানুষ, যে প্রতিনিয়ত অন্ধকারের সাথে লড়াই করে চলেছেন, তবে নিজের মতো করে! সেরকমই কিছু অন্ধকারের ছন্দবিহীন দ্বন্দ আর প্রফেসর সোমের অসীম স্পর্ধা, এই বইতে তুলে ধরলাম।
কৌশিক সামন্ত যোগ্যতায় ইঞ্জিনীয়ার, পেশায় ব্যাংকার, আর নেশায়, শখের গল্প লিখিয়ে। প্রথম দুটোয় ডাহা ফেল, আর শেষেরটার মূল্যায়ণ আপনাদের হাতে তুলে দিলাম!




‘গুডরিডস’-এ এই বইটির রিভিউ দেখে বুঝতে পারছি এই বইটির আরেকটা ভার্সন আছে! কারণ সেখানে ৯টি গল্পের উল্লেখ আছে। এই বইটিতে ৩টি গল্প এবং গল্পগুলি আলাদা। দুটি বইয়েরই একই নাম! বেশ ব্যতিক্রমী ঘটনা! ওই বইটিও পেলে আপলোড করুন দয়াকরে..
দুঃখিত, বইটির সূচিপত্রের ভুল ছিল। এবার ঠিক করে দেয়া হয়েছে। তবে আমরা সাতটি গল্প পেয়েছি এই বইতে, নয়টি নয়।
বাঃ, ধন্যবাদ!
Requesting for souvik chakraborty’ s recent released book, moha sindhur opar theke, 2nd part
মেলানকোলির রাত 2 – কৌশিক সামন্ত upload করতে পারেন।