• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Library

Read Bengali Books Online (বাংলা বই পড়ুন)

  • Login/Register
  • Account

পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

লাইব্রেরি » ইশতিয়াক খান, সুসান ওয়াইজ বাউয়ার » পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
পৃথিবীর ইতিহাস ২
লেখক: ইশতিয়াক খান, সুসান ওয়াইজ বাউয়ারবইয়ের ধরন: অনুবাদ বই, ইতিহাস ও সংস্কৃতি

পৃথিবীর ইতিহাস : দ্বিতীয় খণ্ড – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

(মহাপ্লাবন থেকে রোম সাম্রাজ্যের পতন)

অনুবাদ – ইশতিয়াক খান
প্রথম প্রকাশ – ফেব্রুয়ারি ২০২৪
প্রকাশক দিব্যপ্রকাশ

প্রচ্ছদ – ধ্রুব এষ

উৎসর্গ

আমার দুই মেয়ে
মিশেল ও মিরান্ডা

আশা করি বড় হয়ে তোমরা একদিন
এই বইটা হাতে নিয়ে অবাক হয়ে বলবে,
‘বাবা এতো কিছু লিখল কবে?’

.

মুখবন্ধ

প্রাচীন ইতিহাস, বা প্রাক-ইতিহাসের কথা বলতে গেলেই সঙ্গে চলে আসে কাল্পনিক কাহিনি, পুরাণ বা মিথলজি। এটা মিশরীয় বা গ্রিক সব ধরনের সভ্যতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

পৃথিবীর ইতিহাস : মহাপ্লাবন থেকে রোম সাম্রাজ্যের পতন বইটির প্রথম খণ্ডের ভূমিকা শুরু হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১৭৭০ সালে ইউফ্রেতিস নদীর তীরে অবস্থিত মারি শহরের রাজা জিমরি লিম ও তার মেয়েদের খানিকটা কাল্পনিক, খানিকটা অনুমিত ইতিহাসের বর্ণনায়

তবে বইটার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক ছিল ‘মহাপ্লাবনের’ ইতিহাস। অবাক করা ব্যাপার হলো, প্রাচীন যুগের প্রায় প্রতিটি সভ্যতা (এবং পরবর্তী যুগে, ধর্মবিশ্বাসে) এক ‘মহাপ্লাবনের’ কথা বলা হয়েছে। মোটা দাগে, এই প্লাবন ছিল প্রাচীন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দুর্যোগ এবং এই দুর্যোগের পর মানব ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় শুরু। এখান থেকেই এই বইয়ের বর্ণনা শুরু, এবং শিরোনামের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, রোম সাম্রাজ্যের শেষ দিনগুলো পর্যন্ত এগিয়েছে এর বর্ণনা

পাঠকদের মনে শুরুতেই প্রশ্ন আসতে পারে—কে এই সুসান ওয়াইজ বাউয়ার? পেশায় একজন যাজক, শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ, সুসান ওয়াইজ বাউয়ার-এর (৫৫) মতে, একজন ইতিহাসবিদের উদ্দেশ্য শুধু ‘মানুষ কী করে সেটা ব্যাখ্যা করা নয়, বরং ‘কেন’ এবং ‘কীভাবে করে’, সেটাও বোঝানো

প্রাক-ইতিহাস খুবই ধোয়াশাচ্ছন্ন; মানুষ কীভাবে লিখতে শুরু করলো, প্রাচীন যুগের রাজা-বাদশা, বীরপুরুষ এবং সাধারণ মানুষের গল্পগুলো লিখতে গেলে অনেকটাই কল্পকথার মতো শোনায়।

এই বইয়ের প্রথম খণ্ডে প্রাক-ইতিহাস থেকে শুরু করে গ্রিস, অ্যাসিরীয়া, মেসোপটেমিয়া, মিশর ও চীনের মতো বড় বড় প্রাচীন সাম্রাজ্যের শুরু দিকের কথাগুলো বলা হয়েছে। আমরা অনেকেই এই ইতিহাসের সঙ্গে খুব বেশি পরিচিত নই। বইয়ের মোট ৮৫ অধ্যায়ের প্রথম ২৯টি প্রথম খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় খণ্ডে বাকি অধ্যায়গুলো যোগ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় খণ্ডে চীন সাম্রাজ্যের উত্থান থেকে শুরু করে গ্রিস, ভারত, মিশরসহ আরও বেশ কিছু প্রাচীন সভ্যতার উত্থান-পতনের কথা বলা হয়েছে। শেষ হয়েছে রোমের উপাখ্যানের মাধ্যমে।

মজার বিষয় হল, এই ইতিহাসের অনেকটুকু আমাদের জানা আছে। এখানে বড় বড় রাজাদের পাশাপাশি ধর্মপ্রচারকদের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পড়তে পড়তে পাঠক নতুন অনেক কিছু যেমন জানবেন, তেমনই জানবেন পরিচিত স্থান, কাল ও পাত্র সম্পর্কে নতুন ও চিত্তাকর্ষক তথ্য।

মূল বইটিকে রেফারেন্স বই বললে কম বলা হবে না। কিন্তু বাংলা অনুবাদের ক্ষেত্রে অনুবাদককে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে।

মূল লেখক সুসান বলেছেন, প্রাক-ইতিহাসের কাহিনিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কিছু পৌরাণিক গল্পগাথা বা মিথ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে সতর্কতাও অবলম্বন করা হয়েছে।

প্রাচীন ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল হয়ে থাকা অনেক চরিত্রই মানুষ ও দেবতার সংমিশ্রণে তৈরি। সে সময়ের রাজারা হাজার হাজার বছর ধরে রাজত্ব করতেন, এবং বীরেরা ঈগলের ডানায় চড়ে স্বর্গে আরোহণ করতেন অহরহ। পাশ্চাত্যের ইতিহাসবিদরা ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকেই এ ধরনের উপাখ্যানকে সন্দেহের চোখে দেখে এসেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষায় দীক্ষিত ইতিহাসবিদরাও উপযুক্ত তথ্য প্রমাণবিহীন যেকোনো ইতিহাসকে বর্জন করতে শুরু করেছেন।

এই বই পড়ার সময় পাঠকের মনে রাখতে হবে যে প্রাচীন ইতিহাসের একটি বড় অংশই অনুমাননির্ভর। এবং পুরনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নির্ভর অনুমান, মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হওয়া গল্পগাথার ভিত্তিতে তৈরি ইতিহাস অনুমানের চেয়ে বেশী নির্ভরযোগ্য—এমনটাও বলা যায় না।

তবে দ্বিতীয় খণ্ডে জল্পনাকল্পনা বা পুরাণের বদলে প্রকৃত সত্যকেই বেশি জোর দেয়া হয়।

এই খণ্ডে এসে আমরা আলেকজান্ডার, গৌতম বুদ্ধ, জারক্সিস, লিওনাইডাস, অশোক, যিশু, জুলিয়াস সিজার, টলেমির মতো চেনা মুখদের সঙ্গে আরও ভালো করে পরিচিত হব।

আসুন, নেমে পড়া যাক ইতিহাসের পাতায়। যাত্রা শুভ হোক সবার।

Book Content

৩০. চীনের শ্যাং রাজবংশের রাজধানীগুলো
৩১. গ্রিসের মাইসেনীয় জাতি
৩২. দেবতাদের সংঘর্ষ
৩৩. যুদ্ধ ও বৈবাহিক সম্পর্ক
৩৪. অতি প্রাচীনকালের সর্বশ্রেষ্ঠ যুদ্ধ
৩৫. ট্রয়ের যুদ্ধ
৩৬. চীনের প্রথম ঐতিহাসিক রাজা
৩৭. ঋগ্বেদ
৩৮. যখন আবারো ইতিহাসের চাকা ঘুরল
৩৯. নতুন রাজত্বের অবসান
৪০. গ্রিসের অন্ধকার যুগ
৪১. মেসোপটেমিয়ার অন্ধকার যুগ
৪২. শ্যাংদের পতন
৪৩. স্বর্গ থেকে আসা আদেশ
৪৪. ভারতের যুদ্ধ
৪৫. ডেভিডের পুত্র
৪৬. আবারও পশ্চিম থেকে পূর্বে গেল ঝৌরা
৪৭. অ্যাসিরীয়ার রেনেসাঁ
৪৮. নতুন জনগোষ্ঠী
৪৯. বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও উপনিবেশ
৫০. পুরনো শত্রুরা
৫১. অ্যাসিরীয়া ও ব্যাবিলনের রাজারা
৫২. চমকপ্রদ পরাজয়
৫৩. চীনের ক্ষয়িষ্ণু রাজা
৫৪. মিশরের অ্যাসিরীয়রা
৫৫. মেদেস ও পারস্যবাসীরা
৫৬. বিজয় ও স্বৈরাচার
৫৭. একটি রাজত্বের শুরু ও শেষ
৫৮. একটি সংক্ষিপ্ত সাম্রাজ্য
৫৯. সাইরাস দ্য গ্রেট
৬০. রোম প্রজাতন্ত্র
৬১. রাজত্ব ও সংস্কারকামীরা
৬২. দায়িত্ববোধ, ক্ষমতা ও ‘আর্ট অব ওয়ার’
৬৩ – পারস্য সাম্রাজ্যের আধিপত্য বিস্তার
৬৪. দ্য পার্শিয়ান ওয়ারস : পারস্যের যুদ্ধ
৬৫. পেলোপোনেশীয় যুদ্ধ
৬৬. রোমে প্রথম লুটপাট
৬৭. চি’ইনের জাগরণ
৬৮. মেসিডোনিয়ার বিজেতারা
৬৯. রোমের বজ্রআঁটুনি
৭০. আলেকজান্ডার ও উত্তরাধিকারীদের যুদ্ধ
৭১. মৌর্য সভ্যতার পরিণতি
৭২. প্রথম সম্রাট, দ্বিতীয় রাজবংশ
৭৩. পুত্রদের যুদ্ধ
৭৪. রোমান স্বাধীনতাকামী ও সেলেউসিদ দখলদার
৭৫. পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে
৭৬. প্রচলিত ব্যবস্থার বিনির্মাণ
৭৭. উন্নয়নের সমস্যাগুলো
৭৮. নতুন মানুষ
৭৯. সাম্রাজ্য
1 of 2
পৃথিবীর ইতিহাস - মহাপ্লাবন থেকে রোম সাম্রাজ্যের পতন - প্ৰথম খণ্ড - সুসান ওয়াইজ বাউয়ার 

পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার 

Reader Interactions

Comments

  1. Jamuna

    July 27, 2025 at 9:59 pm

    I want download this book

    Reply

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক

সিরিজ

বইয়ের ধরণ

বাংলা ডিকশনারি

বাংলা জোক্স

বাংলা লিরিক্স

বাংলা রেসিপি

বিবিধ রচনা

বাংলা হেলথ টিপস

Download PDF


My Account

Facebook

top↑

Login
Accessing this book requires a login. Please enter your credentials below!

Continue with Google
Lost Your Password?
এভারগ্রিন বাংলা লোগো
Register
Don't have an account? Register one!
Register an Account

Continue with Google

Registration confirmation will be emailed to you.