• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Library

Read Bengali Books Online (বাংলা বই পড়ুন)

  • Login/Register
  • Account

তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

লাইব্রেরি » সায়ক আমান » তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব - সায়ক আমান
লেখক: সায়ক আমানবইয়ের ধরন: উপন্যাস

তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

প্রথম প্রকাশ ডিসেম্বর ২০২৫

.

প্রিয় বন্ধু ও ভাই
তমাল মুখার্জীকে-
কোনও নির্জন জোৎস্নায় ভেজা গ্রাম্য মাঠে বসে
জীবনানন্দ পড়ছি আমরা। বাকি সব মিথ্যে…

.

কিছু কথা বলা যাক

‘তুই বাড়ি ফের আজ, তোর হচ্ছে…।’

ছোটবেলায় আমাদের কেউ বলেছিল রান্না করা তেজপাতা চুষলে নাকি সুন্দরী বউ পাওয়া যায়। খানিকটা সেই কারণেই বড়দের সামনে আমরা খানিকটা লজ্জায় পড়ে ভাতের পাতে পড়া তেজপাতা সরিয়ে দিতাম। তবে আমার বন্ধু রাজর্ষি গোটা মাস ধরে লুকিয়ে বিউলির ডাল থেকে তুলে তেজপাতা জমিয়ে রাখত। একদিন ওদেরই ছাদে আমরা জনাচারেক বন্ধু সবে সেই ডালের গন্ধ লাগা তেজপাতা মুখে দেবো-দেবো করছি, এমন সময় রাজর্ষির বোন ছাদে উপস্থিত। খানিক উঁকিঝুঁকি মেরে এক দৌড়ে নিচে গিয়ে মাকে প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য শোনায়, ‘দাদারা ছাদে পাতা খাচ্ছে।’

মুশকিল হল ‘পাতা যে ‘পাতা’ যে আমরা খাচ্ছিলাম সেটা স্বীকার করতে হয়। আমরা আমরা খাচ্ছিলাম না সেটা খোলসা করতে গেলে চার বন্ধু সিদ্ধান্ত নিই, পেঁদিয়ে পিঠের চাম তুলে দিলেও প্রেস্টিজ পাওডার হতে দেওয়া যাবে না৷

রাজর্ষির মা সাদাসিধে মানুষ ছিলেন। তিনি বেচারাকে ওই একই ডালের গন্ধ লেগে থাকা ডালকাঁটা দিয়ে সারা দুপুর ধরে রগড়াতে থাকেন। আমাদের বাড়িতে ফোন করেও ওই একই বয়ান শোনান, ‘আপনার ছেলে আমাদের ছাদে পাতা খাচ্ছিল।’ অতঃপর মা ওই কথাটা বলেছিল আমাকে— ‘বজ্জাত ছেলে! তুই বাড়ি ফের আজ, তোর হচ্ছে…!’

আপনারাও ভাবলে দেখবেন ছোটবেলায় মা-বাপের মুখ থেকে শোনা এই কথাটায় কেমন একটা বিপদের গন্ধ লেগে থাকত। অথচ এখন কেন জানি না, একটা উল্টো কথা মনে হয়। আমরা হয়ত তখন থেকেই জানতাম বাইরে থাকলে যদি বা কোনও বিপদ এসে পড়ে, একবার বাড়ি ফিরতে পারলে আর ক্ষয়ক্ষতি ছুঁতেও পারবে না৷

আসলে ছেলেবেলা এক বিচিত্র সময়। আমাদের শাস্তি দেওয়ার নাম করে আশ্রয় দিয়ে ফেলেছে সে, বিপদের ভয় দেখাতে গিয়েও নিরাপত্তা দিয়ে ফেলেছে। এখন মনে হয় আমাদের রোজের জীবনযাত্রা আসলে সেই ছেলেবেলায় ফেলে আসা নিরাপত্তার খোঁজ। আমরা কেউ পয়সা রোজগার করে নিরাপত্তা চেয়েছি, কেউ ভালোবেসে, কেউ সংসার করে, কেউ সংসার ত্যাগ করে, কেউ নাম যশ খ্যাতির লোভে সেই আশ্রয়ের ভিক্ষা করে গেছি। কিন্তু একবার বড় হয়ে গেলে সে জিনিস আর সস্তা থাকে না।

একবার কলেজ থেকে ফেরার সময় স্কুলের জন্য খুব মন কেমন করছিল। বাড়ি ফিরেই মাকে জিগ্যেস করেছিলাম, ‘মা আমার স্কুল ইউনিফর্মটা কোথায় গেল গো?’ আমার অজান্তে কবে মা সেটা কাউকে দিয়ে দিয়েছে, আমি জানতে পারিনি। দামড়া বয়সেও ভারি কষ্ট পেয়েছিলাম সেদিন। জীবনে আরও জামা হবে, স্মৃতি জমবে, ন্যাতা হয়ে যাবে, কিন্তু আর কোনওদিন স্কুলড্রেস তো পাব না, ক্লাসরুমের গন্ধ তো থাকবে না আর কোনও জামায়। জীবনে যেটা আমরা মাত্র একবারই পাই সেটা চলে গেলে শুধু কষ্ট হয় না, সেই সঙ্গে আমরা এক ধাপ বুড়ো হয়ে যাই। ঠিক যেমন ছোটবেলা! একবার পাই আর চিরকালের মতো হারিয়ে ফেলি।

আমাদের আদরের নৌকা ছেলেবেলার সঙ্গে সঙ্গে আশ্রয়টুকুও তুলে নিয়ে ভেসে গেছে বহুদিন আগে। একটা বিরাট বড় সার্কাস অনেকক্ষণ ধরে দেখে ক্লান্ত হয়ে বাড়ির রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দেখেছি, আমাদের সবার, বাড়ি হারিয়ে গেছে।

এই উপন্যাস আসলে তেমনই ঠিকানাহীন মানুষের বাড়ি খোঁজার গল্প। একটা মানুষের দেহকে অনেকদিন মাটি চাপা দিয়ে রাখলে সে যেমন হাড় মাংস গলে আস্তে আস্তে মাটি হয়ে যায়, তেমন আমাদের হারানো ছেলেবেলার শরীরে সময়ের পলি জমতে জমতে সেও একদিন রূপকথা হয়ে যায়। এই উপন্যাস আসলে তেমনই এক রূপকথার গল্প।

দেখুন আগেও বলেছি ইয়ার্কি ফাজলামি করার জন্য লেখালিখি করি। এখন ‘হাসির রাজা, জ্ঞানের রাজা, রসের রাজা সায়ক আমানের সেরা একশো চুটকি’ নামের বই তো পত্রভারতী ছাপবে না, তাই একটা গল্প গুঁজে দিতে হয়। আপনারা কারো সামনে বইটা পড়ার সময় প্লিজ দাড়ি চুলকাবেন, কফি খাবেন, চশমা খুলে চোখ রগড়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন, কিন্তু খবরদার, খ্যাঁক খ্যাঁক করে বেকুবের মতো হেসে ফেলবেন না।

এই বই লিখতে আমাকে বিশেষ কেউ সাহায্য করেছে বলে মনে পড়ছে না, কেবল দু-একজন ছাড়া। আজ থেকে সতেরো বছর আগের ছিপছিপে চেহারার চশমা পরা স্কুলপড়ুয়া একটা ছেলে, যাকে আমি স্কুল বিল্ডিঙের পাশের মাঠে কোথাও একটা ছেড়ে এসেছিলাম। তার বন্ধু, তার প্রথম প্রেম, প্রথম দুঃখ, হতাশা, আর তার রোদে ভেজা মাঠে ছুটে বেড়ানোর গল্প নির্বিকারে বিক্রি করেছি আমি এই উপন্যাসে। জানি, সে আর কোনোদিন ফিরে এসে এই বত্রিশ বছরের বেচারামকে কপিরাইট দাবি করে বসবে না৷

আমার স্কুল লবণহ্রদ বিদ্যাপীঠ। অন্য কোনও স্কুলে পড়লে হয়ত এই বই আমি লিখতে পারতাম না। শিক্ষার্থী উৎসব, টিফিনবেলা, নীল স্কুলড্রেস, এইট বি-এর জানলা, বাড়ি ফেরার পথে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া, সুচেতা ম্যাম, সুনন্দা ম্যাম, দেবল স্যার, অসিত স্যার, তাপস স্যার, আমার ছোটবেলার জলছবিতে সব থেকে উজ্জ্বল ছোপগুলো আমার স্কুলবাড়িতেই ছিল।

চোখ বুজে আমার ছোটবেলায় ফিরে গেলে জানি না কেন, স্কুলের বেঞ্চ, কলকাতার অলিগলি, নাচের স্কুলের মেয়ে, নরম বিকেল, ঘুড়ি লাটাই, অ্যান্টেনা সব মিলেমিশে গিয়ে কেবল কয়েকটা প্রিয় গান বাজতে থাকে কানে৷

পত্রভারতীর এডিটোরিয়াল টিমের অনিন্দিতাদি ও শাশ্বত যেভাবে পাণ্ডুলিপি পড়ে ভুলগুলো বের করে দিয়েছে সেভাবে আপনি যদি প্রেমিকার ভুল ধরেন, তাহলে ভবিষ্যতে তেজপাতা চোষা ছাড়া উপায় থাকবে না।

কোথায় যেন পড়েছিলাম শিল্পীর কাজ সমাজকে কিছু দিয়ে যাওয়া৷ এই ক’দিন লেখালিখি করে বুঝতে পেরেছি আমার দেওয়ার ক্ষমতা বা ইচ্ছা কোনোটাই নেই। তাই আমার জীবনের সব থেকে উজ্জ্বল আদুরে দিনগুলো রেখে গেলাম।

ভালো কথা, তেজপাতার ব্যাপারটা সত্যি কাজ করে কিনা সেটা আর জানা হয়নি। কেউ ফল পেয়ে থাকলে অবশ্যই জানাবেন!

—সায়ক আমান

.

‘And I felt saddest of all when I read the boring chapters
that were only descriptions of whales, because I knew that
the author was just trying to save us from his own sad
story, just for a little while.’

—The Whale

.

শূন্য

মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, বাদল গেছে টুটি। আহা, হাহা, হা।

আজ আমাদের ছুটি ও ভাই, আজ আমাদের ছুটি আহা, হাহা, হা।

ঘুম ভাঙতেই সবার আগে এই ক’টা লাইন ভেসে ওঠে মণির মাথায়। ঘুমপাড়ানি গানের ওই জায়গাটা শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়েছিল ও। মা ওর পাশে শুয়ে শুয়েই গানটা গাইছিল। কোথায় গেল মা?

ছোট ছোট হাত বাড়িয়ে ছটফটিয়ে মাকে খোঁজে মণি। চোখ খুলতে ভয় লাগে ওর, ‘মা…ও মা…’

ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ওর হাতের ধাক্কায় ঘুম ভেঙে যায় অমৃতার। সদ্য ঘুম ভেঙে চোখ মেলে তাকান তিনি। মেয়েটা একেবারে ভিতুর ডিম হয়েছে। ক্লাস ফাইভে উঠে গেল, এখনও ঘুম ভাঙলে মাকে না পেলে কান্নাকাটি করবে। হাত বাড়িয়ে মেয়ের মাথায় হাত রাখেন অমৃতা, ‘কীরে, উঠে পড়লি কেন?’

মণি উত্তর দেয় না। চোখ বন্ধ করেই মায়ের দিকে পাশ ফিরে শোয়, ‘রোদ উঠলে স্কুল ছুটি হবে কেন মা? আমাদের তো বৃষ্টি হলে ছুটি দিয়ে দেয়…’

অমৃতা হাসেন। মেয়েটা দিনদিন বুদ্ধিমতী হয়ে উঠছে। বুঝে শুনে কথা না বললে মুশকিল, ‘সব ছুটি কি আর স্কুলে হয় রে? মানুষের জীবনে কতরকম ছুটি হয়, বড় হলে বুঝবি।’

‘এই যে তুমি আমার মা হয়েছ, এর থেকেও তোমার ছুটি হবে একদিন?’

‘ধুর, মা হলে আর ছুটি হয় না। মা হওয়ার ইশকুলে রোজ ক্লাস হয়৷ আর প্রচুর হোমওয়ার্ক…’

মণি এবার চোখের উপর হাত রাখে, ‘তাহলে তুমি এখন হোমওয়ার্ক করো। বাকি গানটা শোনাও।’

হাই তুলতে যাচ্ছিলেন অমৃতা। হেসে ফেলেন। মেয়ের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে ঢিমে স্বরে গান ধরেন—

‘কেয়া-পাতার নৌকো গড়ে সাজিয়ে দেব ফুলে—

তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব, চলবে দুলে দুলে।’

মণি গানের এই জায়গাটায় এসে মাকে থামিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ থম মেরে থেকে হুট করেই চোখ খোলে। তারপর জিগ্যেস করে, ‘মা, তালদিঘি কোথায় আছে?’

‘কেন, আমাদের বাড়ির পেছনের পুকুরটা…’

‘ওটা তালদিঘি।’

‘উঁহু, আসল তালদিঘি কোথায় আছে কেউ জানে না। তবে কাগজের নৌকা বানিয়ে যে কোনও পুকুর, নদী, সমুদ্রে ভাসিয়ে দিলে সেগুলো একসময় গিয়ে ঠিক তালদিঘিতে মেশে…’

‘ওই ডোবাতে ভাসালেও চলে যাবে?’ মণি অবাক হয়ে জিগ্যেস করে।

‘দেখে ওরকম ডোবা মনে হয়, বৃষ্টি পড়লে কী সুন্দর দেখায় দেখিসনি?’

মণি আবার কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। তারপর বলে ওঠে ‘ওখানে নৌকা ভাসিয়ে দিলে কী হবে মা?’

ঘরের আলো হুট করেই নিভে আসে। অমৃতার শরীরটা মেয়ের গায়ে আরও ঘন হয়ে আসে, ‘নৌকা কি একা একা ভাসতে পারে? কিছু একটা রেখে ভাসিয়ে দিতে হয়।’

‘কী রাখব নৌকাতে?’

অমৃতা উত্তর দেবার বদলে মেয়েকে বলেন, ‘তুই জলে কী কী ভাসতে দেখেছিস আজ অবধি?’

মুহূর্তে উত্তর দেয় মণি, ‘মানুষ, দুর্গাঠাকুর, একবার একটা কুকুর দেখেছিলাম, জানো মা?’

‘ওগুলো ভাসে বটে, কিন্তু সব থেকে বেশি জলে কী ভাসিয়ে দিতে হয় বল তো?’

‘কী?’

‘ইচ্ছে।’

উত্তরটা আত্মস্থ করতে সময় লাগে মণির, ‘কোন ইচ্ছে ভাসিয়ে দেব?’

‘যে ইচ্ছে কোনওদিন পূরণ হবে না, যে ইচ্ছের কোনও মানে নেই, যে ইচ্ছেকে ধরে রাখা যায় না। তাদের তালদিঘিতে ভাসিয়ে দিতে হয়।’

‘ভাসিয়ে দিলে কী হয়?’

‘ভাসিয়ে দিলে…’ অমৃতার গলা ক্ষীণ হয়ে আসে।

‘ও মা, বলো না, ভাসিয়ে দিলে কী হয়?’

অমৃতা সেদিনের হোমওয়ার্ক না করেই ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি জানেন উত্তর দিতে শুরু করলে মেয়ের প্রশ্ন শেষ হবে না। একসময় অজান্তে ঘুমিয়ে পড়াই দস্তুর। কতক্ষণ আর হাতড়ে মাকে খুঁজবে? মেয়েরা কি চিরকাল মাকে খোঁজে?

তবে তালদিঘিতে ইচ্ছের নৌকো ভাসিয়ে দিলে কী হয়, সেটা পরদিন বিকেলে নিজেই পরীক্ষা করে দেখেছিল মণি।

বাবার শেখানো মতো কাগজ ভাঁজ করে নিয়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল পুকুরের ধারে। তারপর সেই নৌকার উপর খুদে খুদে করে লিখেছিল, ‘আমি আর আমার মা-বাবা যেন একসঙ্গে মরে যাই। কেউ যেন কাউকে ছাড়া না থাকি।’

জলে ভেসে দুলতে দুলতে কিছুদূর এগিয়েছিল নৌকাটা। তারপর কখন যেন ডুব দিয়েছিল জলের গভীরে। আর সেটাকে দেখতে পায়নি।

পুকুরের ধারে বসে জলের আওয়াজ শুনতে শুনতে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছিল মেয়েটা। তালদিঘিতে নৌকা ভাসালে কী হয়, মেয়েটা জানতে পারেনি।

তবে সেদিন রাতে ওর বাবার কার্ডিয়াক ফেলিওর হওয়া নিথর দেহটা অফিসের লোকেরা বাড়ি দিয়ে গেছিল।

বাবা হোমওয়ার্ক শেষ না করেই ছুটি নিয়েছিল।

.

ফ্ল্যাপের লেখা

ট্রেড মিলে দৌড়াতে দৌড়াতে বছর তিরিশের আগমনী হঠাৎ অনুভব করে ওর স্কুলজীবন থেকে দুটো বছর শ্রেফ গায়েব হয়ে গেছে। সঙ্গে গায়েব হয়েছে চারটে বন্ধু আর তাদের স্মৃতি। সেই হারিয়ে যাওয়া সময় আর বন্ধুত্বের চিহ্ন হিসেবে পড়ে আছে কেবল একটা পুরোনো হলদে হয়ে যাওয়া ফটোগ্রাফ।

হারানো কৈশোরের খোঁজ আগমনীকে নিয়ে আসে এক রহস্যের সামনে…অতীতের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া কিছু অমীমাংসিত প্রশ্নের সামনে…সদ্য পনেরো পেরোনো স্কুলড্রেস পরা পাঁচ কিশোর-কিশোরীর ঝাপসা রূপকথার সামনে…।

সায়ক আমানের কলমে রহস্যের মোড়কে এক রূপকথার গল্প ‘তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব’।

Book Content

তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ২
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ৩
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ৪
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ৫
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ৬
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ৭
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ৮
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ৯
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১০
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১১
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১২
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১৩
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১৪
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১৫
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১৬
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১৭
তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১৮
জোনাকির রং - সায়ক আমান

জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

তার চোখের তারায় - সায়ক আমান

তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

মিডনাইট হরর সায়ক আমান

মিডনাইট হরর – সায়ক আমান

সেরা ৪৫ সায়ক আমান

সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

Reader Interactions

Comments

  1. Mithu Paul

    March 8, 2026 at 12:28 am

    সায়ক আমানের ঘুমঘাট বইটি দিন please

    Reply
  2. Suman Hait

    April 9, 2026 at 5:56 am

    The story mixes reality with fairy-tale elements, which sometimes makes it feel unrealistic. The frequent use of abusive language and tragic events appears intentional, as if the writer is trying to evoke strong emotions from the reader. While happiness and sadness are both natural parts of life, the story tends to emphasize sadness more. On one hand, a more realistic and less exaggerated approach could have made the story more relatable and helped it reach a wider audience. On the other hand, the exaggerated and emotional elements may also appeal to readers who enjoy dramatic and intense storytelling.

    Reply
  3. sujoy bauri

    May 25, 2026 at 1:33 pm

    Ghumghat boiti upload korben

    Reply

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক

সিরিজ

বইয়ের ধরণ

বাংলা ডিকশনারি

বাংলা জোক্স

বাংলা লিরিক্স

বাংলা রেসিপি

বিবিধ রচনা

বাংলা হেলথ টিপস

Download PDF


My Account

Facebook

top↑

Login
Accessing this book requires a login. Please enter your credentials below!

Continue with Google
Lost Your Password?
এভারগ্রিন বাংলা লোগো
Register
Don't have an account? Register one!
Register an Account

Continue with Google

Registration confirmation will be emailed to you.