শিরোনাম: তোমার হাসি
লেখক: শরিফ উদ্দীন জুম্মান
প্রিয় তুমি,
আচ্ছা, একজন মানুষ এত সুন্দর করে কিভাবে হাসে? মানুষের হাসি এত সুন্দর হতে পারে সেটা তোমাকে না দেখলে জানতেই পারতাম না।
তুমি কি জানো তোমার হাসিমাখা মুখ আম্মাকে দেখিয়েছি? তিনি তোমার হাসির খুব প্রশংসা করেছে!
সেদিন তোমার কাছে একটা উপহার নিয়ে আসছিলাম, বাসের এত যাত্রীদের ভিড়ে উপহারটা যেন আঘাত না পায় সেজন্যে সেটাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে রেখেছিলাম। তোমাকে একটা বাক্য বলার জন্য বারবার রিহার্সাল করেছি, কিন্তু দেখো উপহারটা দেওয়ার সময় এত রিহার্সালের পরেও সবকিছু উলট-পালট হয়ে গেলো। একলাইনের ছোট্ট বাক্যটাও ঠিকমতো বলতে পারলাম না! কিন্তু এতেই তোমার এত সুন্দর হাসি! আহ! জিভে স্বাদ লেগে থাকার মতো চোখেও তোমার হাসিটা এখনও লেগে আছে! এত সুন্দর করে হাসো তুমি!
তুমি কি জানো তোমার সামনে আসলে আমার হৃদয়ের স্পন্দন হাজারগুণ বেড়ে যায়? তুমি কি এই হৃদয়ের ভাষা বুঝতে পারো? পড়তে পারো কি আমার চোখের ভাষা? তোমার সামনে দাঁড়ালেই উলট-পালট হয়ে যায় সবকিছু। একটা বিশাল বড় ঝড় বয়ে যায় এই হৃদয়ে! তুমি কি টের পাও এসবের?
আজ আর না, যদিও জানি কখনও আমার এই চিঠি যাবে না তোমার ঠিকানায়। তবুও তোমার নামে চিঠি লিখতে ভালোবাসি। তোমাকে বলতে চাই “তুমি প্রেম মোর তুমি প্রাণ মোর, বাঁশির সুরে সঙ্গীতা মোর”।
ইতি
শরিফ উদ্দীন জুম্মান।
Leave a Reply