১)
ও তুই ভেবে দেখরে মন
চোখ মুঝিলে এই দুনিয়ার কেউ নি তর আপন
রাখতে নি পারবো তরে কেউ
আসিলে স্বমন
ও তুই ভেবে দেখরে মন
চোখ মুঝিলে এই দুনিয়ার কেউ নি তর আপন
যারে তুই ভুলিয়া রইলি
এই দুনিয়ায় রঙে
স্ত্রী-পুত্র আত্মীয় স্বজন
যাইবো নি তর সঙ্গে
যাইবি রে তুই একলা একা (২)
করবি স্বামীর
চোখ এই মুঝিলে এই দুনিয়ার
কেউ নি তর আপন
ও তুই ভেবে দেখরে মন
চোখ মুঝিলে এই দুনিয়ার
কেউনি তর আপন
যাইবি যেদিন স্বামীর ঘরে
জিজ্ঞাসিবে তরে
কি কর্ম করেছো আমার
দুনিয়ার ভীতরে
ভাবছো নি কি জবাব দিবি (২)
স্বামীর কাছে তর
চোখ মুঝিলে এই দুনিয়ার কেউ নি তর আপন
ওই তুই ভেবে দেখরে মন
চোখ মুঝিলে এই দুনিয়ার কেউ নি তর আপন
করলি না কাম আদেশ মতে
রঙের দুনিয়ায়
মাটির ঘরে যাইবে যেদিন
কি হবে উপায়
সেদিন তিনি বিনে কেউনি আপন
ভেবে দেখরে মন
চোখ মুঝিলে এই দুনিয়ার কেউ নি তর আপন
সুফিয়ান কয় ডাকো তারে
থাকিতে সময়
সে বিনে আর
ওই দিনেতে আপন কেহো নয়
করো রে মন তাহার কর্ম
যিনি আপনজন
ও তুই ভেবে দেখরে মন
চোখ মুঝিলে এই দুনিয়ার কেউ নি তর আপন
২)
যার কারনে আইলি ভবে
চাইলি না তো তারে (২)
মন তুই আপন বলিস কারে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি না তুই তারে (২)
(ভবের মায়ায় পইরা
নিজের করলি সর্বনাশ
ভাবলি না রে অবুঝ মন তুই
করলি কি তার কাজ) (২)
কোন মুখে দাড়াইবি সামনে (২)
কঠিনও নিধানে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি তুই তারে
মন তুই আপন বলিস কারে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি না তুই তারে
(ছাইড়া দে তুই দুইদিনের প্রেম
পড় রে তার মায়ায়
যার মায়ায় পরিলে তরে
লইবে রে তরাই) (২)
কেঁদে যা তুই চরন ধরে (২)
বাকি জীবন ভরে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি না তুই তারে
মন তুই আপন বলিস কারে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি না তুই তারে
(দুনিয়ায় প্রেম দুইদিন আগ পিছ
বিচ্ছেদ ঠিকি হয়
তাহার সাথে প্রেম করিলে
জনম ভইরা রয়)(২)
পাইবি রে তুই দুই কুলেতে(২)
নিধানেরও কালে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি না তুই তারে
(সময় থাকতে সুধরে যা মন
বলি রে তরে
সুদরিতে পারবিনা
পাখি উড়ালও দিলে) (২)
সুফিয়ান কয় ডাকো দিলে(২)
মজে আল্লাহর প্রেমে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি না তুই তারে
মন তুই আপন বলিস কারে
যে জনা তর আপনজনা চিনলি না তুই তারে
৩)
প্রেম জ্বালায় অঙ্গ রে জলে
আমার বন্ধু নাই যে ঘরে
এখন কি আর বৃন্দাবনে, ডাকে বাশি সুরে রে সখি(২)
রাধা রাধা করে
প্রেম জ্বালায় অঙ্গ রে জলে
আমার বন্ধু নাই যে ঘরে
বৃন্দাবনে আয়লো সখি
দেখবো নয়ন ভরে (২)
শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের আগুন
দাও দাও করে জলে গো সখি
আমার বন্ধু নাই যে ঘরে
প্রেম জ্বালায় অঙ্গ রে জলে
আমার বন্ধু নাই যে ঘরে
কতদিন পার হইয়া যায় রে
দেখিনা তো তরে (২)
তুই বিহনে দিন-রজনী
কাঁদি একলা ঘরে গো সখি
আমার বন্ধু নাই যে ঘরে
সুফিয়ান কয় মরন কালে
দেইখা যাইয়ো মোরে (২)
এই জন্মে তো পাইলাম না রে
আপন কইরা তরে গো সখি
আমার বন্ধু নাই যে ঘরে
প্রেম জ্বালায় অঙ্গ রে জলে
আমার বন্ধু নাই যে ঘরে
৪)
অকালে মরিবো নৌকা সাগরে ডুবাই
মাওলা ধরি তোমার পায়
আর কতদিন রাখবায় তুমি এই কুলে আমায়
পার করে দাও ভাঙা তরী (২)
তোমার মহিমায়
মাওলা ধরি তোমার পায়
মাওলা ধরি তোমার পায়
আর কতদিন রাখবায় তুমি এই কুলে আমায়
(বিপদে পড়িয়া মওলা তোমারে ডাকি,
আমার দিকে ফিরাও তোমার মায়ার ও আখি,)(২)
সকল গুনাহ মাফ করে দাও, (২)
তোমার রহিম নামের উছিলায়
মওলা ধরি তোমার পায়
আর কতদিন রাখবায় তুমি এই কুলে আমায়
(তুমি যদি মাফ না করো তোমারও বান্দারে,
কঠিনও হাসরের দিনে যাইমু গো কার দারে) (২)
তুমি আল্লাহ দয়ার সাগর (২)
আমি গুনাগার
মাওলা ধরি তোমার পায়
আর কতদিন রাখবায় তুমি এই কুলে আমায়
একলা ঘরে সুফিয়ানে সদাই চিন্তা করে,
কি জবাব দিমু আমি মাওলার ও দরবারে
যেদিন মাওলা আমার গাফফার হয়ে(২)
করিবেন বিচার
মাওলা ধরি তোমার পায়
আর কতদিন রাখবায় তুমি এই কুলে আমায়
অকালে মরিবো নৌকা সাগরে ডুবাই
মাওলা ধরি তোমার পায়
আর কতদিন রাখবায় তুমি এই কুলে আমায়
৫)
কালেমার নিশান উরাইয়া
চলো রে মন মদিনায়
নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়,
তরা নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়
মদিনারও অলি গলি
পাইছে দয়াল নবীর পায়ের ধুলি(২)
সেই ধুলি গায়ে মাকিয়া (২)
চলো ধন্য হয়ে যাই
নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়,
তরা নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়
নবী নাম জপে যারা
দুই জাহানে ধন্য তার (২)
নবীর প্রেমে মাতোয়ারা (২)
নিজে আল্লাহ সোবাহান
নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়,
তরা নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়
নবী নাম,
জপো রে মন ভাবের ঘরে
পাড়ে যাবি ইশকের ভরে
নবীর প্রেমিক হলে পরে
আল্লাহর প্রেমিক হওয়া যায়
নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়,
তরা নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়
নবীর প্রেমে হইয়া পাগল
ও তুই সপে দে তর জীবন যৌবন(২)
সুফিয়ান কয় কিসের স্বমন
যদি নূর নবীকে পাশে পাই
নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়,
তরা নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়
কালেমার নিশান উড়াইয়া
চলো রে মন মদিনায়
নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়,
তরা নবীজির প্রেম বাজারে কে যাবি আয়
৬)
সোনার চান বন্ধুয়ার প্রেমে
সখি অন্তর পুইড়া কালা
আপন জেনে কাছে টেনে (২)
পাইলাম মনে জ্বালা গো সখি অন্তর পুইড়া কালা
( আমার)সোনার চান বন্ধুয়ার প্রেমে সখি
অন্তর পুইড়া কালা
আমি তারে বলি আপন……
সে দিয়াছে জ্বালা
কলঙ্কের ডুল মাথায় লইয়া (২)
হইলাম দিশে হারা গো সখি অন্তর পুইড়া কালা
(আমার)সোনার চান বন্ধুয়ার প্রেমে সখি
অন্তর পুইড়া কালা
যার লাগিয়া পাগল হইলাম
সে পাইলো ভালা (২)
কেমনে বুজাইমু তারে…(২)
আমার মনের ব্যাথা গো সখি অন্তর পুইড়া কালা
(আমার)সোনার চান বন্ধুয়ার প্রেমে সখি
অন্তর পুইড়া কালা
বন্ধুর প্রেমে হইয়া পাগল….
আপনজন ছাড়িলাম সকল….
(এখন)সুফিয়ানের দুঃখের সাথী (২)
ভবে কেউ হইলো না রে সখি
অন্তর পুইড়া কালা
(আমার)সোনার চান বন্ধুয়ার প্রেমে সখি
অন্তর পুইড়া কালা
৭)
আমার কুল ভাঙা এক নদী
মনে কোনো দুঃখ নাই গো ডুইবা মরি যদি
তুমি আমায় ছেড়ে যাও গো চলে
মনে চায় না যদি
মনে কোনো দুঃখ নাই গো ডুইবা মরি যদি
স্বার্থের ভালোবাসলা আমায়
মনে ছিলো চল
তুই বন্ধয়া কেমনে হইলি এমন স্বার্থপর
আমায় ছেড়ে চলে গেলি (২)
বাসাইলি দুই আখি
মনে কোনো দুঃখ নাই গো ডুইবা মরি যদি
আমার কুল ভাঙা এক নদী
আমি তরে বাসলাম ভালো
মনো প্রান দিয়া
তুই কেমনে পারলি যাইতে
আমারে ছাড়িয়া
সুফিয়ান বাঁচবো কেমনে(২)
একবার না ভাবিলি
মনে কোনো দুঃখ নাই গো ডুইবা মরি যদি
আমার কুল ভাঙা নদী
মনে কোনো দুঃখ নাই গো ডুইবা মরি যদি
৮)
বন্ধুয়ারে পাইলে সুখি
নাইলে আমি চির-দুঃখি
সে যে বুকে মারলো ছুরি কার ছলনায় পড়িয়া
সখি তরা দে-গো তারে আনিয়া
বন্ধুয়ারে ভালোবেসে
ঘুরি আমি দেশ বিদেশে
ধরিয়া পাগলের বেশে কলঙ্কিনী
হইয়া
সখি তরা দে-গো তারে আনিয়া
বন্ধুর বাড়ি বহুদুরে
সে যে গেলো আমায় ছেড়ে
এত নিঠুর হইলো কেরে কারন পাইনা থুকাইয়া
সখি তরা দে-গো তারে আনিয়া
মিছামিছি প্রেম শিখাইয়া
কলঙ্কেরি মালা দিয়া
সুফিয়ান রে গেলো ছাইড়া পাগলপাড়া বানাইয়া
সখি তরা দে-গো তারে আনিয়া
বন্ধুয়ারে পাইলে সুখি,
নইলে আমি চির-দুঃখি,
সে যে বুকে মারলো ছুরি কার ছলনায় পড়িয়া
সখি তরা দে-গো তারে আনিয়া
৯)
বন্ধু যখন আসিবে,
দেখিবে মোর কবরেরও পাশে
আসিয়া দেখিবে তুমি কয়েকটা গোলাপ ফুল আছে
গোলাপ ফুলের গন্ধে সেদিন
মন বরিবে না
হাজার বার খুজিয়াউ তো আর
আমায় পাইবা না
বুকেতে জড়াইবে কারে
আমি মইরা গেলে
আসিয়া দেখিবে তুমি কয়েকটা গোলাপ ফুল আছে
দোহাই দেই কবরের পাশে
তুমি কাইন্দো না
মায়া কান্দন কাইন্দা চোখের জল জড়াইয়ো না
পারো যদি মাফ করিও,
আমার লাইগা দোয়া কইরো
তোমার কাছে এতটুকুই আশা গো আছে
আসিয়া দেখিবে তুমি কয়েকটা গোলাপ ফুল আছে
আমায় তুমি কইরা গেলা চিরন্তর একা
আর কি পাইমু এই জীবনে তোমারও দেখা
মরনেরও পাইলো খবর,
দেইখা যাইয়ো একটি নজর
মিনতি করি গো তোমায় এই সুফিয়ানে
আসিয়া দেখিবে তুমি কয়েকটা গোলাপ ফুল আছে
১০)
আমি কিছু চাহিবো রে ও রে বন্ধু তুমি বিনে
সোনার জীবন পুরে আঙ্গার
হইলো তর কারনে রে
ও রে বন্ধু তুমি বিনে
আমি কিছু না চাহিবো রে ওরে বন্ধু তুমি বিনে
তোমার প্রেমে পরলাম আইসা নিয়তির বিধানে, (২)
এই জীবন রাখিবো কেমনে তোমার দয়া বিনে রে (২)
ও রে বন্ধু তুমি বিনে
আমি কিছু না চাহিবো রে ওরে বন্ধু তুমি বিনে
তোমার লাইগা সাজলাম আমি পাগল এই সংসারে (২)
মায়া কইরা এই পাগলরে রাখো চরন তলে রে (২)
ও রে বন্ধু তুমি বিনে
আমি কিছু না চাহিবো রে ওরে বন্ধু তুমি বিনে
পাটাইয়া ভব সংসারে থাকিও না দুরে (২)
দয়া করে পাড় করিও হাসরেরও দিনে রে(২)
ও রে বন্ধু তুমি বিনে,
আমি কিছু না চাহিবো রে ওরে বন্ধু তুমি বিনে
কিছু না করিলাম সঞ্চয় পইরা মায়াজালে (২)
তবু তোমার চরন ধইরা কান্দে পাগল সুফিয়ানে রে (২)
ও রে বন্ধু তুমি বিনে
আমি কিছু না চাহিবো রে ওরে বন্ধু তুমি বিনে
সোনার জীবন পুইরা আঙ্গার হইলো তর কারনে রে ওরে বন্ধু তুমি বিনে
আমি কিছু না চাহিবো রে ওরে বন্ধু তুমি বিনে
১১)
ও বন্ধু রে……….
(আমি তোমায় ভালোবাসি জানে জগৎ বাসি,
তোমার লাগি হইলাম আমি লোক সমাজে দোষী)(২)
তোমার লাগি কুলবিনাসি হইলাম এই সংসারে
সোনা বন্ধুরে, কোন পরানে কান্দাইলি মোরে
ও বন্ধুরে……
(তোমার লাগি পুইরা কালা জরাজীর্ণ ভবে,
পাড়ার লোকে দেখলে আমায় কলঙ্কিনী বলে)(২)
তুমি আমায় ছাইড়া গেলে (২)
বলোনা কি দোষে
সোনা বন্ধুরে,কোন পরানে কান্দাইলি মোরে
ও বন্ধু রে……
(আমি তোমার প্রেমে পাগল তুমি সবই জানো,
সবকিছু জানিয়া তুমি ভিন্নবাসো কেনো)(২)
আমার ছেয়ে বেশি ভালো (২)
কে তোমারে বাসে
সোনা বন্ধুরে,কোন পরানে কান্দাইলি মোরে
ও বন্ধু রে….
(সুফিয়ান কয় তোমার জন্য থাকবো অপেক্ষায়
ফিরে আইসো আমার কাছে মনে যদি চায়)(২)
বাঁইচা থাকতে না আসিলে
আইসো না মইরা গেলে
সোনা বন্ধুরে, কোন পরানে কান্দাইলি মোরে
১২)
(আমি) বামন হইয়া সাধ্য ভুলে চাইছিলাম চাঁদের নাগাল
চাঁদের সেই ঝলসানো আলোয়
আজ আমি ভিষণ কাঙাল
যদি না হবে গো আমার
কেনো দেখা দিলে
দেখিয়া তর রুপের ঝলক
মনটা গেলো উরে (আমার)
কেমনে পাইমু গো তরে
করিয়া শুধুই আমার
চাঁদের সেই ঝলসানো আলোয় আজ আমি ভিষণ কাঙাল
দেখি নাইরে জীবনে আর
এমনও সুন্দরী
আসমান থাইকা নামলো বোধহয় সাক্ষাৎ নীল পরি (ও সে)
ভুলি তারে কেমন করি
মনে তো মানে না আর
চাঁদের সেই ঝলসানো আলোয় আজ আমি ভিষণ কাঙাল
সখি তদের বিনয় করি
আনিয়া দে তারে
আমার এই পাগলও মনে
ধরিয়াছে যারে (সখি)
যার চোখের চাওনিতে আমি হয়ে গেছি বেশামাল
চাঁদের সেই ঝলসানো আলোয় আজ আমি ভিষণ কাঙাল
দেখাইয়া রুপেরি ঝলক
কোথায় গেলা লুকাইয়া
না পাইলে তোমার দেখা
যাইমু আমি মরিয়া (সই)
সুফিয়ান কয় কাছে আইসা আপন করে লও আমায়
চাঁদের সেই ঝলসানো আলোয় আজ আমি ভিষণ কাঙাল
১৩)
আমি কি যে ভুল করলাম
না বুঝিয়া এই দুনিয়ায় পিরীত বাড়াইলাম
যার প্রেমে মজিবার কথা তারে নাহি চিনিলাম
আমি কি যে ভুল করলাম
না বুঝিয়া এই দুনিয়ায় পিরীত বাড়াইলাম
করলাম না প্রেম তাহার সাথে
না চিনিলাম তারে
না করিলাম তাহার কর্ম
পইরা মায়াজালে
সে যদি না দয়া করে
আমি আমি অধম কই জাইতাম
না বুঝিয়া এই দুনিয়ায় পিরীত বাড়াইলাম
বুঝি নাইরে দুনিয়ায় প্রেম
মিছা মিছি হয়
বুঝলে কি আর এই জীবনে
কলঙ্কের দাগ রয়
মজতাম আমি তাহার প্রেমে
দিতাম তারে মন
মায়া কইরা যে আমরে দিয়াছে জীবন
হইতাম আমি চরণদাসী (২)
বাসরও করিতাম
না বুঝিয়া এই দুনিয়ায় পিরীত বাড়াইলাম
দয়া করে রাখো আমায় চরনে তোমার
এই জীবনে চরন বিনে জাইতাম না গো আর
সুফিয়ান কয় করিও পার
রহমান নামের উছিলায়
না বুঝিয়া এই দুনিয়ায় পিরীত বাড়াইলাম
১৪)
চাতকিনীর আশা কি আর
পুড়িবে এই জীবনে (২)
জায়গা দিছলাম মনের ঘরে
ভাংলি মন তুই যতন করে (২)
কেমনে থাকিবো আমি (২)
তুই বন্ধুয়া বিহনে
চাতকিনীর আশা কি আর
পুড়িবে এই জীবনে
দিলি রে এক বুক হতাশা
এইটা তো করিনি আশা (২)
আশা ছিলো তোমার সাথে (২)
বাধবো সুখের ঘরো রে
চাতকিনীর আশা কি আর
পুড়িবে এই জীবনে
চাইলি না তুই আমার প্রতি
ঘটাইয়া গেলি দূর্গতি (২)
ভাংলি রে মধুর পিরিতি (২)
নতুন কারে পাইয়া রে
চাতকিনীর আশা কি আর
পুড়িবে এই জীবনে
ভাবিয়া কয় সুফিয়ানে
কইরো না প্রেম যার তার সনে (২)
যেজন প্রেমের ভাব না জানে(২)
কলঙ্কের দাগ দিবে রে
চাতকিনীর আশা কি আর
পুড়িবে এই জীবনে
১৫
আমার মনেও কান্দে প্রানেও কান্দে
যাইতে সোনার মদিনা (২)
মদিনায় আছেন আমার দয়ালও নবী
যার লাগিয়া পাগলও সবই (২)
যাইলে একবার, জীবনে আর (২)
কোনো গুনাহ থাকেনা
আমার মনেও কান্দে প্রানেও কান্দে
যাইতে সোনার মদিনা (২)
মক্কায় জন্ম নুরের ও ছেলে
গায়েবের বানী যার মুখে মিলে (২)
জীবনে একবার যাইতে পারলে(২)
কইতাম মনের বেদনা
আমার মনেও কান্দে প্রানেও কান্দে
যাইতে সোনার মদিনা (২)
পাখিরো আছে সাথে দুই পাখা
উড়িয়া যাইতে লাগেনা টাকা (২)
হইতাম যদি পাখি আমি(২)
উড়িয়া যাইতাম আমার নবী পায়
আমার মনেও কান্দে প্রানেও কান্দে
যাইতে সোনার মদিনা (২)
সুফিয়ানের মরনের কালে
দয়ালও নবীকে কাছেতে পাইলে (২)
থাকতো না আর মরনের কষ্ট (২)
জান্নাত হইতো আমার ঠিকানা
আমার মনেও কান্দে প্রানেও কান্দে
যাইতে সোনার মদিনা (২)
১৬
আমার বন্ধুয়া যে কি দোষ পাইয়া
গেলো আমারে ছাড়িয়া (২)
বিরহীর অন্তর হয়ে যায় পাথর (২)
প্রেম অনলে পুড়িয়া
আমার বন্ধুয়া যে কি দোষ পাইয়া
গেলো আমারে ছাড়িয়া (২)
প্রথম যৌবনে অবলা পাইয়া
মধুরও প্রেম শিখাইয়া (২)
পিরিতের সেল বুকে মাড়িয়া (২)
গেলো আমারে কাঁদাইয়া
আমার বন্ধুয়া যে কি দোষ পাইয়া
গেলো আমারে ছাড়িয়া (২)
কার বা কুমন্ত্রণা পাইয়া
মধুর পিরিত দিলো ভাঙিয়া (২)
কান্দি আমি পন্থ চাইয়া(২)
যদি বন্ধু আসে ফিরিয়া
আমার বন্ধুয়া যে কি দোষ পাইয়া
গেলো আমারে ছাড়িয়া (২)
সুফিয়ান কয় বন্ধুর লাগি
সর্বদাই আমি আশায় থাকি(২)
ফিরে আসে যদি প্রানের বন্ধু (২)
সব দুঃখ যাইমু ভুলিয়া,আমি বুকেতে লইমু জরাইয়া
আমার বন্ধুয়া যে কি দোষ পাইয়া
গেলো আমারে ছাড়িয়া (২)
১৭
(ও মোর বন্ধুয়া রে তুমি যাইয়ো না রে
তুমি গেলে মরমু আমি
তোমারা লাইগা কান্দিয়া রে) (২)
(ফরহাদের ও সিঁড়ির মতো
বলেছিলে ভালোবাসো
রহিমা বিবির মতো আগলাইয়া রাখতে) (২)
এখন কার কুমন্ত্রণা পাইয়া গিয়াছো ভুলে
ও মোর বন্ধুয়া রে তুমি যাইয়ো না রে
তুমি গেলে মরমু আমি
তোমার লাইগা কান্দিয়া রে (২)
(রজকিনীর মতো হইয়া
চণ্ডিদাস আমায় বানাইয়া
জায়গা দিছলায় তোমার মনেরি ঘরে)(২)
এখন কার মায়ায় পড়িয়া আমায় দিয়াছো ফেলে
(ও মোর বন্ধুয়া রে তুমি যাইয়ো না রে
তুমি গেলে মরমু আমি
তোমার লাইগা কান্দিয়া রে) (২)
ইউসুফের দেখা না পাইয়া
জুলেখা পাগলিনি হইয়া
ঘুইরা বেড়ায় কতো জঙ্গলার ভিতর (২)
তাদের ও তো হইলো মিলন মিশরের মাঝে
(ও মোর বন্ধুয়া রে তুমি যাইয়ো না রে
তুমি গেলে মরমু আমি
তোমার লাইগা কান্দিয়া রে) (২)
(মিছামিছি প্রেম শিখাইয়া
ঘর রান্ধিবার আশা দিয়া
কলঙ্কিনী করলা কেনো এই সুফিয়ান রে)(২)
এখন এই পুরা বুকেরি আগুন নিবাই কেমনে
(ও মোর বন্ধুয়া রে তুমি যাইয়ো না রে
তুমি গেলে মরমু আমি
তোমার লাইগা কান্দিয়া রে) (২)
১৮
বন্ধু আয় রে আয়, বুকে আয়
ভালোবাসা দিয়া তোরে রাখমু মোর হিয়ায়(২)
আমি বসন্তেরই মালি হবো
বাগানে ফুল ফুটাই নিবো
সব দুঃখ ভুলিয়া যাবো যদি তরে পাই(২)
মুক্ত মনে নীল আকাশে
ঘুড়িবো পাখিরো দেশে(২)
উড়িয়া বেড়াবো দুইজন মেঘেরি ছায়ায়
বন্ধু আয় রে আয়, বুকে আয়
ভালোবাসা দিয়া তরে রাখমু মোর হিয়ায়(২)
বর্ষাকালে নদীর ঘাটে
কত সুন্দর শাপলা ফুটে
তুমি আমি দুইজন মিলে শাপলা ফুল তুলিবো(২)
আমি হবো নৌকার মাঝী
তুমি যদি থাকো রাজি(২)
দুইজন মিলে দুর অজানায় ভাসাইবো নাও
বন্ধু আয় রে আয়, বুকে আয়
ভালোবাসা দিয়া তরে রাখমু মোর হিয়ায় (২)
জোনাক জ্বেলে নিঝুম রাতে
হাতটি রেখে তোমার হাতে
জোছনা জলে সারা নিশি খেলবো প্রেম খেলা(২)
দুঃখ সুখের গল্প শুনে
কাটিয়ে দেবো প্রহর গুনে(২)
তোরে ছাড়া এই জীবনে চাওয়ার কিছু নাই
বন্ধু আয় রে আয়, বুকে আয়
ভালোবাসা দিয়া তরে রাখমু মোর হিয়ায়(২)
রিদয় মাঝে তরে রাখি
দিন রজনি স্বপ্ন দেখি
তরে নিয়া ঘর বান্ধিবো সুখের ভুবনে(২)
সুফিয়ান কাছে আসো
মন ভরিয়া ভালোবাসো(২)
তোমার ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু না চাই
বন্ধু আয় রে আয়, বুকে আয়
ভালোবাসা দিয়া তরে রাখমু মোর হিয়ায় (২)
১৯
তুমি যাইয়ো নারে প্রানের বন্ধু
মনের ময়না কৃপা সিন্ধু (২)
তুমি আমায় কইরো না একেলা
ও রে বন্ধু,তুই গেলে কে বাসিবে ভালা ( আমায়) (৩)
আমি তোমায় ভালোবাসি
পড়লাম গলে প্রেম ফাঁশি
ঘুরি আমি কলঙ্কিনী হইয়া (২)
বলেছিলে ভালোবাসো
তবে কেনো দুঃখ দিছো(২)
বুকে জ্বালাইলা কেনো চিতা
ও রে বন্ধু, তুই গেলে কে বাসিবে ভালা (আমায়)(৩)
চন্ডিদাসের রজকিনী
আমি তরে তেমন জানি
এত নিষ্ঠুর হইলা তুমি কিলা (২)
অহল্লা পাষানীর মতো, কাদাইলি তুই অবিরত(২)
দুই চোখে বহাইলি নদী-নালা
ও রে বন্ধু, তুই গেলে কে বাসিবে ভালা (আমায়)(৩)
পারুর মতো বউ সাজিয়া,
আমারে গেলি কাঁদাইয়া
দেবদাস হইয়া মরমু তর লাগিয়া(২)
আমায় ছেড়ে চলে গেলে
চিতার আগুন বুকে জ্বলে (২)
এই আগুনে মরিবো পুড়িয়া
ও রে বন্ধু, তুই গেলে কে বাসিবে ভালা (আমায়)(২)
কাদিয়া কয় সুফিয়ানে
জানে ওই বিধাতা জানে
কত রাত জাগি তর লাগিয়া(২)
মরনেরও পাইলে খবর,
দেইখা যাইয়ো একটি নজর (২)
বলি তোমায় মিনতি করিয়া
ও রে বন্ধু, তুই গেলে কে বাসিবে ভালা (আমায়)(২)
২০
আমি তরে ভালোবাসি,
তুই আমায় বানাইলি দোষী,
এই কি রে তর প্রেমের প্রতিদান
ও রে বৈইমান তর কারনে গেলো কুলও-মান(২)
প্রথমও যৌবনের কালে,
না বুঝে আমি কাঙ্গালে,
জায়গা দিলাম রিদয়ে আমার (২)
অন্তর আমার ভাইঙ্গা দিলি,
দুই চোখে শ্রাবন বহাইলি,
লোকসমাজে করলি অপমান
ও রে বৈইমান তর কারনে গেলো কুলও-মান(২)
মিছা দোষের দোষী কইরা,
আমারে গেলি ছাড়িয়া,
কলঙ্কিনী লোকে কয় আমায় (২)
বুঝি নাই রে তর ছলনা,
প্রেম ভাবে ছিলাম দিওয়ানা,(২)
কান্দি এখন বসে নিরালায়
ও রে বৈইমান তর কারনে গেলো কুলও-মান(২)
না বুঝে তর প্রেমেরি বাও,
অকালে বাসাইলাম নাও,
এখন আমার হবে কি উপায়,
সুফিয়ানে ভেবে বলে কইরো না প্রেম কেউ অকালে(২)
মরিবায় নাও সাগরে ডুবাই
ও রে বৈইমান তর কারনে গেলো কুলও-মান(২)
২১
তুমি রাইখো বান্ধিয়া মোরে, তোমারি চরনে
তোমার লাইগা পাগল হইয়া ঘুরি বনে বনে রে (২)
তুমি রাইখো বান্ধিয়া মোরে, তোমারি চরনে
মায়ের কাছে ছেলে যেমন,
রাখিও আমারে তেমন, মায়ারী নজরে(২)
তোমার দয়া বিনে চাইনা আমি সোনার এই জীবন রে (২)
তুমি রাইখো বান্ধিয়া মোরে তোমারি চরনে
তোমায় ভালোবাসি বলে,
পাড়ার লোকে হিংসা করে কলঙ্কিনী বলে(২)
দয়া করে পার করিও কঠিনও নিদানে রে (২)
তুমি রাইখো বান্ধিয়া মোরে তোমারি চরনে
কলঙ্কের ডুল মাথায় লইয়া ঘুরি এই সংসারে,(২)
সোনার জীবন সপে দিলাম তোমার চরন তলে রে (২)
তুমি রাইখো বান্ধিয়া মোরে তোমারি চরনে
সুফিয়ানে ভেবে বলে,
চাইনা এই জীবন আমি তোমাকে হারালে(২)
দয়া করে এই পাগলরে রাখো চরনে তলে রে
তুমি রাইখো বান্ধিয়া মোরে তোমারি চরনে
২২
তোমারে ভাবিয়া আমার
বুকের ভেতর কি করে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
আমি রাখতাম যতন করে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
দিতাম কপালেরও টিপ
বুকেতে জড়াইতে তোমায় হইতাম অস্থির (২)
আমি আরো দিতাম কাকন বালা(২)
নিজ হাতে পড়াইয়া রে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
আমি রাখতাম যতন করে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
দিতাম কানে সোনার দুল
কোপাতে গুঁজিয়া দিতাম রক্তজবা ফুল(২)
আমি আরো দিতাম গলারি হার (২)
তোমারে কিনিয়া রে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
আমি রাখতাম যতন করে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
দিতাম পায়েরি নুপুর
যেই নুপুরের ঝন ঝনানী লাগেরে মধুর(২)
আমি আরো দিতাম ঢাকাই শাড়ি (২)
কমরেরই পিছা রে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
আমি রাখতাম যতন করে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
তোমারে ভালোবাসিয়া
কত আদর করিয়া
সুফিয়ানের হ্রদ-মাজারে রাখতাম বান্ধিয়া(২)
আমি মনে শুধু ভাবিতেছি (২)
কেমনে পাইমু তোমারে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
আমি রাখতাম যতন করে
আমি যদি পাইতাম তোমারে
২৩
পাইছিলাম সুখেরি ভুবন, ভালোবেসে তরে
কলঙ্কের দাগ দিলি আমায় দিনেরই পরে (২)
ঐ যে কদমেরি ফুল,
ডালে বসে বাজায় বাঁশি বন্ধু মনচোর
বুকে জ্বালায় যে আগুন
মনে তো মানে না আমার(২)
থাকিতে ঘরে
কলঙ্কের দাগ দিলি আমায় দিনেরই পরে (২)
ঐ যে পাগল চন্ডিদাস
বারো বছর বাইলো বঁড়শি, রজকিনীর আশ
পরে হইলোনা নৈরাশ
একই সাথে মরলো দুইজন (২)
এক চিতায় পুড়ে
কলঙ্কের দাগ দিলি আমায় দিনেরই পরে (২)
ঐ যে জুলেখা বিবি
ইউসুফের লাগিয়া সে যে ছাড়িলো সবই
কান্দে জঙ্গলায় ঘুরি
পাইলো তারে আপন করে(২)
মিররের মাঝে
কলঙ্কের দাগ দিলি আমায় দিনেরই পরে(২)
বলে পাগল সুফিয়ান
মনে শত দুঃখ নিয়া গাই বন্ধুয়ার গান
সে যে পরানের পরান
মরন কালে দেইখা যাইয়ো (২)
মিনতি করে
কলঙ্কের দাগ দিলি আমায় দিনেরই পরে(২)
২৪
ওইদিন কি আর আসবে আমার
ভালোবাসা পাইমু তোমার
নদীর ঢেউয়ে মন হারায়
তুমি কই পাইনা তোমায়(২)
তুমি কি আমারি ছিলে
কাছে এসে যাওনা বলে
আমি তোমার আশায় থাকি পরে
পন্ত পানে চাইয়া হায়
তুমি কই পাইনা তোমায়(২)
আমি তোমায় আপন জেনে
মন সপিলাম বসে ফুলবাগানে
এখন আমার দুঃখে কান্দে আকাশ
ফুলের পাপড়ি ঝড়ে যায়
তুমি কই পাইনা তোমায়
প্রেমের নামে পাইলাম কেবল
পরানের এই ঘোর অনল।
কোন দরদী বুঝবে আমার,
বুকের ভেতর কে কাঁদায়—
তুমি কই, পাই না তোমায়(২)
কয় সুফিয়ান মন যে কাঁদে,
তুই নিঠুরের প্রেমের ফাঁদে?
আমার নিশি কাটে জেগে থেকে,
চোখের জলে বুক ভেসে যায়—
তুমি কই, পাই না তোমায়!
২৫
গান গাইয়া যাই মনরে বুঝাই
সে তো আপন ছিলো না(২)
আমারে কান্দাইবার ছিলো বাসনা(২)
বন্ধুর ফুলে ছিলো রে যাদু
পঞ্চ ভ্রমর আইতো যাইতো খাইতো রে মধু (২)
বুঝিলাম না আমি শুধু,,,,,(২)
তোমার মনের ছলনা
আমারে কান্দাইবার ছিলো বাসনা (২)
বন্ধু তোমার কঠিন পিরিতি
প্রেম শিখাইয়া মাঝ পথে ঘটাইলা দুর্গতি(২)
তুমি তো হইলানা সাথী,,,,,(২)
পাগল মনে বুঝে না
আমারে কান্দাইবার ছিলো বাসনা (২)
কূলের আশা দেখাইলা যারে,
মাঝ নদীতে রাইখা গেলে একলা আমারে। (২)
পাইলাম না তো কোনো পাড়ে (২)
কূল-কিনারা মিলে না,
আমারে কান্দাইবার ছিলো বাসনা। (২)
প্রদীপ জ্বালাই নিশি গো রাতে
আন্ধার নেমে আসে কেবল আমারই ভাগে। (২)
দুঃখ দিলে অনুরাগে (২)
পাষাণ হিয়া গলে না,
আমারে কান্দাইবার ছিলো বাসনা। (২)
কপালেতে দুঃখ ছিল তাই
ভালোবাসার বাতিটা আজ জ্বলে নিভে যায় (২)
সুফিয়ানের পুড়া কপাল (২)
সুখ কপালে সইলো না
আমারে কান্দাইবার ছিলো বাসনা (২)
২৬
আমি যেদিন যাবো মরে,
শুন্য কায়া থাকবে পড়ে
মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে পাখি,
মিশবে আপন সাঁইয়ের ঘরে।”
রঙের মেলা সাঙ্গ হবে, নিভে যাবে আলো ভবে,
মিছে মায়ার এই ভুবনে কে বা বাসলো ভালো(২)
সাঙ্গ করে ধূলার খেলা,
পরান যাবে অচিন পুরে।”
মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে পাখি,
মিশবে আপন সাইয়ের ঘরে।
মাটির খোলস মাটির বুকে, রইবে পড়ে নীরবে,
যে দিন আসবে সাঁইয়ের ডাক, আটকাবে কে তরে
বাঁধন কেটে খাঁচার পাখি
উড়াল দেবে আপন নীড়ে।”
মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে পাখি
মিশবে আপন সাইয়ের ঘরে
ধূপের মতো পুড়লো জীবন, রইলো শুধু ছাই এখন,
ওপার থেকে ডাক এসেছে, সময় যে আর নাই।
আমল-নামা সঙ্গে নিয়ে
,বাকি বিলিয়ে দিয়ে
যেথায় আছে সাঁইয়ের বাস,
যাবো সাইয়ের চরন তলে
মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে পাখি
মিশবে আপন সাইয়ের ঘরে।
হিসেব-নিকেশ সাঙ্গ করে চলে যাবো আপন ঘরে
সুফিয়ানের নিদান কালে কন্দে সাইয়ের চরন ধরে
রঙের মেলা সাঙ্গ হলে চির শান্তি মিলবে তরে,
সাঁইয়ের নামের জিকির তুলে
ঘুচবে আধার অন্তিম কালে…”
মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে পাখি
মিশবে আপন সাইয়ের ঘরে
Leave a Reply