১৮. বজরার ভেতরে

মারিও ওদের বজরার ভেতরে নিয়ে গেল।

একটা সুন্দর সাজানো ঘর। কার্পেটে মোড়া। ঘরের এক কোণে সোফায় যে মহিলা বসে আছেন তিনি অত্যন্ত স্ফীতকায়া। এককালে যে সুন্দরী ছিলেন, তা মুখের আদলে বোঝা যায়। পরনে দামি স্কার্ট, চোখে সোনার ফ্রেমের চশমা। এই সময় একটা শব্দ পেছন থেকে কানে আসতে অর্জুন অবাক হয়ে ফিরে তাকাল। শব্দটা বেরিয়েছে মেজরের দাড়ি-গোঁফের জঙ্গলে ঢাকা মুখ থেকে, হা! ম্যাডাম মন্টেগোমারি।

মহিলার চোখ ছোট হল। তারপর বিচিত্র অভিব্যক্তি ফুটে উঠল মুখে। একগাল হেসে তিনি সস্নেহে চিৎকার করলেন, ও মাই ডিয়ার মেজর! হোয়াট এ সারপ্রাইজ! বলতে বলতে তিনি দুহাত বাড়িয়ে দিলেন সোফায় বসেই।

সঙ্গে সঙ্গে ছুটে গেলেন মেজর, আই কান্ট বিলিভ। পৃথিবীটা কি ঠিকঠাক ঘুরছে? বলতে বলতে মহিলার হাত দুটো ধরে নিজের দাড়ি-গোঁফের ওপর চেপে ধরলেন। সঙ্গে সঙ্গে মহিলা খিলখিল করে হেসে উঠলেন। সে হাসি আর থামতে চায় না। মেজর একটু স্কচকিয়ে বললেন, ওঃ, আপনি ঠিক আগের মতো আছেন।

সুড়সুড়ি—ওঃ–কী সুড়সুড়ি মরে যাব। আমার দুই তপসে মাছ। হঠাৎ কোথা থেকে উদয় হলেন মেজর? হাসি শেষপর্যন্ত সামলাতে পারলেন তিনি।

মেজর বললেন, বলছি, বলছি। এই বজরা আপনার?

আর কার হবে? আমাদের মন্টেগোমারি ফ্যামিলির ফ্ল্যাগ দ্যাখেননি? ওটা নিশ্চয়ই ওপরে উড়ছে। ম্যাডাম সোজা হয়ে বসলেন।

ওহে। লক্ষ করিনি। আসলে জলে ভিজে–।

হ্যাঁ, বিশ্রীরকমের ভিজে গিয়েছেন আপনারা। ম্যাডাম হাততালি দিতেই ভেতরের দরজায় একটি প্রৌঢ় এসে দাঁড়াল, জন, এদের দুজনকে শুকনো পোশাক দাও। আর বজরা ছেড়ে দিতে বলো।

আমরা কোনদিকে যাব ম্যাডাম?

নিউ জার্সি।

জনের পেছন-পেছন ওরা পোশাক ছাড়ার ঘরে এল। জন বলল, স্যার, আমার স্টকে আপনাদের মানাবে এমন কোনও শার্ট-প্যান্ট নেই। তবে দুটো আলখাল্লা আছে। আপনাদের জামা প্যান্ট যতক্ষণ না শুকোচ্ছে ততক্ষণ কি ওটা পরে থাকতে অসুবিধে হবে?

মেজর বললেন, আলখাল্লা? চমৎকার!

আলখাল্লা দুটো দিয়ে জন চলে গেলে বজরা দুলে উঠল। অর্জুন পোশাক পালটাতে-পালটাতে জিজ্ঞেস করল, আপনার সঙ্গে অনেকদিনের আলাপ?

অফ কোর্স। নাইনটিন সেভেনটি টু। আমি স্থির করেছিলাম প্রশান্ত মহাসাগরের তলায় যেসব ঝিনুকে মুক্তো পাওয়া যায় তাদের মুভমেন্ট দেখব। বুঝতেই পারছ বেশ খরচসাপেক্ষ ব্যাপার। আমাদের অভিযাত্রী সঙ্ঘ থেকে আবেদন করা হয়েছিল সাহায্যের জন্যে। সেই সময় এডওয়ার্ড আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

এডওয়ার্ড কে?

ওঃ। এডওয়ার্ড হল ম্যাডামের ভাই। যেমন মোটা তেমনই জমাটি লোক। বলল, টাকা-পয়সা নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না, তবে ও আমাদের সঙ্গে যেতে চায়। উটকো লোককে সঙ্গে নেওয়া ঠিক নয় বলে প্রথমে আমি রাজি হইনি। তারপর অন্য সবার চাপে রাঙ্গি হতে হয়। তা আমরা যখন প্রশান্ত মহাসাগরে জাহাজ দাঁড় করিয়ে রেখে কাজ শুরু করেছি ঠিক তখন আর-একটা বড় লঞ্চে সেখানে হাজির হন ম্যাডাম। এডওয়ার্ড তাঁর একমাত্র ভাই, যদি জলে কোনও বিপদ হয় তাই তিনি তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছেন। অথচ এডওয়ার্ড ফিরে যাবে না। শেষপর্যন্ত সদ্য তোলা একটা ঝিনুকের বুক থেকে পাওয়া দারুণ মুক্তো আমি ম্যাডামকে উপহার দিই। সেটা পেয়ে উনি খুব খুশি হন। আমার কাছ থেকে কথা আদায় করে নেন যে আমি ওঁর ভাই-এর দেখাশোনা করব। তারপর আমাদের বেশ দেখাশোনা হত। হঠাৎ কাগজে পড়ি এডওয়ার্ড অতি ওজনের জন্যে মারা গিয়েছে। মনখারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমি আর যোগাযোগ রাখিনি।

কিন্তু উনি তো আজ ভাইয়ের কথা কিছু বললেন না?

তাই তো দেখলাম। উনি বললেন না বলে আমিও জানতে চাইলাম না। হয়তো ওই প্রসঙ্গ উঠলে ওঁর মনখারাপ হয়ে যাবে।

সাজগোজ করে ওরা আবার ম্যাডামের সামনে গিয়ে বসল। তখন বজরা চলছে। দূরে স্থলভূমি সরে-সরে যাচ্ছে। মেজর অর্জুনের পরিচয় দিলেন।

মাদাম চোখ তুললেন, তাই নাকি? তুমি এই বয়সে ওসব করো?

মেজর বললেন, ও কিন্তু অনেকদিন ধরেই করেছে। এখন বিখ্যাত।

আমি তোমাকে একটা কেস দিতে পারি।

বলুন।

কেসটা শুনে হয় বলবে পারবে, নয় পারবে না। আমি স্পষ্ট শুনতে পছন্দ করি। ম্যাডাম জানলা দিয়ে জনের দিকে তাকালেন। তীরভূমি দূরে সরে যাচ্ছে। অর্থাৎ তারা আটলান্টিক সিটি থেকে বেরিয়ে আসছে। অর্জুন কাছেপিঠে মারিওকে দেখতে পেল না। সে বলল, আপনি স্পষ্ট উত্তরই পাবেন।

আমার ভাইয়ের নাম এডওয়ার্ড। মেজর তাকে চেনেন। গত বছর কাগজে বেরিয়েছিল বেশি খেয়ে ওজন বেড়ে যাওয়ায় এডওয়ার্ড মারা গিয়েছে।

হ্যাঁ। আমি খবরটা পড়েছি। মেজর বললেন।

কিন্তু সে মারা যায়নি। ম্যাডাম গম্ভীর মুখে বললেন।

সে কী! মেজর অবাক!

তাকে বাঁচিয়ে রাখতে মেরে ফেলতে হয়েছে। ব্যাপারটা খুলে বলি। আমার ভাইয়ের সমস্যা হল সে কিছুতেই ওজন কমাতে পারছে না। অবশ্য সে তার জন্যে ব্যায়াম বা ডায়েটিং করতে নারাজ। বিভিন্ন রকম ওষুধ খেয়ে সে ওজন কমাবার চেষ্টা করছিল। এই সময় তাকে কেউ বলে আফ্রিকায় একধরনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা আছে যা করালে হু হু করে ওজন কমে যায়। সেই শুনে সে আফ্রিকায় গিয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে এসে একজন আফ্রিকান ভদ্রলোকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ওই ভদ্রলোক নাকি তাকে রোগা করে দেবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম লোকটার দেওয়া শেকড় খেয়ে ওর মস্তিষ্ক স্থির থাকছে না। ভদ্রলোক ওকে দিয়ে যা ইচ্ছে করাতে পারতেন। এমনকী আমাদের পারিবারিক সম্পত্তিও ওকে লিখে দিতে বলেন। আমি ভদ্রলোককে শাসানোর পর ওর ওপর দুবার হামলা হয়। টেলিফোনে শাসানো তো ছিলই। শেষপর্যন্ত ও আমাকে প্রস্তাব দেয় ওকে মৃত বলে ঘোষণা করতে। ফিনল্যান্ডে গিয়ে আমরা ওকে একটা নির্জন স্যানাটোরিয়ামে রেখে আসি। ও মারা গেছে জানার পর ওরা শান্ত হয়ে যায়। আমার ভয় ওরা ওকে দিয়ে কিছু লিখিয়ে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ কোনও দাবি করেনি কিন্তু আমি স্বস্তি পাচ্ছি না। তুমি কি সত্যিটা জানতে পারবে?

আমি চেষ্টা করব।

বেশ। খরচের কথা ভেবো না। আমি সেই লোকটার নাম ঠিকানা দেব।

কিছু মনে করবেন না, ওই আফ্রিকান বিশেষজ্ঞের নাম কি মিস্টার আলাম্বা? অর্জুন সরাসরি প্রশ্ন করল।

মাই গড! তুমি জানলে কী করে? চোখ বড় হয়ে গেল ম্যাডামের।

মেজর তখন সমস্ত ঘটনা খুলে বললেন। ওরা যে প্রাণ হাতে করে মারিওর সঙ্গে পালিয়ে এসেছে তা জানার পর ম্যাডাম বললেন, তোমরা খুব ভাগ্যবান। মাফিয়াদের ভয় করে না এমন কেউ আমেরিকায় নেই। ওদের ওপর মারিওর রাগ আছে। তাই তোমরা বেঁচে গেলে। কিন্তু মিস্টার আলাম্বার সঙ্গে ওদের কোনও সম্পর্ক নেই বললে?

হ্যাঁ। এব্যাপারে আমি নিশ্চিত। তা ছাড়া আমরা গাড়িতে আছি ভেবে ওরা মিস্টার আলাম্বার মেয়ের গাড়িটাকে টার্গেট করেছিল। নিরপরাধ মেয়েটি আর এক ভদ্রমহিলা সেই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন।

ম্যাডাম কিছুক্ষণ চিন্তা করলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কী চাও? ওদের সঙ্গে লড়াই করতে তোমরা পারবে না।

মেজর বললেন, কিন্তু ওদের শাস্তি দেওয়া উচিত।

ম্যাডাম বললেন, ওপাশে একটা শোয়ার ঘর আছে। তোমরা ওখানে বিশ্রাম করো। একটা মোটরবোটের আওয়াজ পাচ্ছি। তোমাদের কেউ দেখে ফেলুক তা আমি চাই না।

জন ওদের নিয়ে গেল ভেতরে। ততক্ষণে জামাপ্যান্ট শুকিয়ে ভাঁজ করে রেখেছে বজরার লোকজন। পোশাক বদলে নিল ওরা। এমনকী যে জুতোজোড়া ভিজে সপসপ করছিল তা এখন খটখটে।

মেজর বললেন, আর চিন্তা করে কোনও লাভ নেই। আমি একটু বিশ্রাম নিচ্ছি। ভদ্রলোক সরু বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলেন।

অর্জুন শুনল মোটরবোট বজরার পাশে এসে থামল। কে এসেছে জানার কৌতূহল হচ্ছিল খুব। কিন্তু এখান থেকে বের হলে বিপদ ডেকে আনবে সে। কী করা যায়? অর্জুন ভাবছিল। সুধামাসি যদি এখন মেয়ের কাছে আরও কিছুদিন থেকে যান তা হলে সে স্বচ্ছন্দে দেশে ফিরে যেতে পারে। লকেটটা হাতছাড়া না করে জলপাইগুড়িতে ফিরে গিয়ে ওটাকে না হয় অমলদার বাগানের মাটিতে পুঁতে দেবে সে। এখানে তার কোনও সমস্যা সমাধানের দায় নেই। দায়ের কথা ভাবতেই মনে হল সে একটু আগে ম্যাডামকে কথা দিয়েছে তাঁর ভাইয়ের ব্যাপারটা সমাধান করতে চেষ্টা করবে। কী করা যায়?

হঠাৎ তার খেয়াল হল। ভেজা জামাপ্যান্ট ছাড়ার সময় সে মোজা খুলেছিল। মোজার মধ্যে লকেটটাকে রেখেছিল সে। সে দেখল জুতো আছে কিন্তু মোজা নেই। মেজরের মোজা কিন্তু ঠিকঠাক রয়েছে।

সে দ্রুত দরজা খুলে প্যাসেজে উঁকি মারল। কোনও লোকজন নেই যেখানে ওরা জামাপ্যান্ট বদলেছিল, সেখানে পৌঁছে দেখল মোজা বা লকেট পড়ে নেই। নিজের নির্বুদ্ধিতায় নিজের ওপর রেগে যাচ্ছিল অর্জুন। সে ওপাশে উঁকি মারল। এটা রান্নাঘর। সেখানে একজন কোরিয়ান যুবক রান্না করছে। আর তার বুকে লকেটটা ঝুলছে। খাবার ট্রেতে সাজিয়ে লোকটা ঘুরে দাঁড়াতেই চোখাচোখি হল। যুবকটি বলল, ফর দি নিউ গেস্ট সার।

অর্জুন হাত বাড়াল। যুবক অবাক! অর্জুন এগিয়ে এসে ওর গলা থেকে লকেটটাকে খুলে নিয়ে নিজের ঘরে ফিরে গেল। এবং তখনই মারিয়া এল, ওরা এসেছে!

কারা?

মাফিয়াদের লোক। জিজ্ঞেস করছে তোমাদের ম্যাডাম দেখেছেন কিনা! ম্যাডাম অস্বীকার করেছেন। ওরা খেতে চাইল, খাবার দেওয়া হয়েছে।

অর্জুনের মনে হল সে বেঁচে গেছে। আর একটু পরে লকেটের খোঁজ করতে গেলে ওরা কোরিয়ান যুবকের গলায় ওটাকে দেখতে পেত। ব্যস। কয়েক মুহূর্ত লাগত ওদের আবিষ্কার করতে।

একটু বাদে মোটরবোটের শব্দ হল। ওরা যে চলে গেল তা বোঝা যাচ্ছে। মারিয়া বেরিয়ে গেলে অর্জুন খাটে শুয়ে পড়ল। মেজর এখন প্রচণ্ড শব্দে নাক ডেকে চলেছেন।

 

নিউ জার্সির এক স্টিমারঘাটায় বজরা যখন পৌঁছল তখন মধ্যরাত। ম্যাডাম প্রচণ্ড সাজগোজ করে বজরা থেকে নামলেন। জন এবং মারিয়া ওঁর জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে পেছনে। অর্জুন আর মেজর সবশেষে। একটি লিমুজিন দাঁড়িয়ে আছে সামনে। ম্যাডাম বললেন, আমার মনে হয় এখান থেকে একসঙ্গে যাওয়াই ভাল।

ওরা গাড়িতে উঠল। ম্যাডাম জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা এখন কোথায় যাবেন?

মেজর বললেন, কুইন্সে।

কিন্তু ওখানে তো আপনাদের জন্যে ওরা অপেক্ষা করতে পারে।

মেজর অর্জুনের দিকে তাকালেন। অর্জুন বলল, ঠিকই। কদিন আমাদের গা-ঢাকা দিয়ে থাকা উচিত। ওরা একটু ভাবুক।

ম্যাডাম বললেন, আমার একটা অ্যাপার্টমেন্ট আছে কুইন্সে। ওয়েল ফার্নিল্ড। সেখানে থাকতে পারো তোমরা। পোশাক নিয়ে সমস্যা হতে পারে। ক্রেডিট কার্ড দেখিয়ে মেজর সেসব কিনে নিতে পারেন।

মিনিট পঁয়তাল্লিশ পরে ম্যাডাম মারিয়ার হাতে চাবি দিয়ে একটা সম্রান্ত অ্যাপার্টমেন্ট হাউসের সামনে নামিয়ে দিয়ে গেলেন। যাওয়ার আগে ওঁর কার্ড অর্জুনের হাতে তুলে দিয়ে বললেন, টাকার জন্যে ভেবো না। কাজটা যদি করতে পারো ওটার সমস্যা হবে না।

রাত তখন আড়াইটে। মেজর ফুটপাথে দাঁড়িয়ে বললেন, আচ্ছা ঝামেলায় পড়া গেল! চলো জামাপ্যান্ট কিনে আনি।

সে কী? এই রাতে।

এখানে একটা দোকান সারারাত খোলা থাকে।

ওটা আগামীকাল করবেন। প্লিজ।

ম্যাডামের এই খালি অ্যাপার্টমেন্ট বেশ সুন্দর। গোটা পাঁচেক ঘর এবং ফ্রিজভর্তি খাবার আছে। যদিও ওরা ডিনার বজরাতেই করে গিয়েছিল। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, এখান থেকে আপনার ফ্ল্যাট কতদূর?

জামা ছাড়তে ছাড়তে মেজর বললেন, এক কিলোমিটার।

মারিয়াকে ঠিকানাটা বলে দিন। আর চাবিটা।

কেন? তুমি কি সেখানে যাবে?

আপনার ফ্ল্যাটে যাব না।

সর্বনাশ! শুনলে না, ওরা আমাদের জন্যে অপেক্ষা করতে পারে।

ওরা দেখতে পাবে না।

আমি তোমার সঙ্গে যাব?

না। আপনি সঙ্গে থাকলে ধরা পড়ে যেতে পারি।

তুমি আমাকে আল্ডার এস্টিমেট কছ অর্জুন।

না। আপনার চেহারা লুকোতে পারবেন না। বরং এখন এখানে বিশ্রাম নিন। আমি ভোরের আগে ঘুরে আসব।

 

ট্যাক্সিটা ছেড়ে দিয়ে অর্জুন মারিয়াকে বলল, তুমি এখানে অপেক্ষা করো। আমি জায়গাটা চিনতে পেরেছি।