মায়াজাতক – অমৃতা কোনার
দীপ প্রকাশন
উৎসর্গ
এই পৃথিবীর সকল মায়েদের।
যাঁরা জন্মদাত্রী মা ও যাঁরা মমতায় মা হয়ে উঠেছেন।
সব মেয়ের মধ্যেই একটা মায়ের রূপ থাকে যে।
.
ফ্ল্যাপের লেখা
‘মা’ শব্দটা খুব ছোট্ট হলেও এর অর্থ বিশাল তাই না? ঠিক একটা বাক্যে মা এর সংজ্ঞা দেওয়া যায় না! যে জন্ম দেয় সে-ই কি শুধু মা? যে মমতায় আপন করে নেয়, মাতৃস্নেহে পালন করে সে-ও তো মা! দেবকী আর যশোদার গল্প তো সর্বজনবিদিত! এই উপন্যাস অনেক মানুষের গল্প বলে। বলে অনেক মায়ের গল্প। যেকোনো পরিবারে সন্তানসুখ বড়োই কাম্য! কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে যদি কেউ সেই সুখ থেকে বঞ্চিত হয় তবে দোষ কি তার? ভাগ্য বা শারীরিক অসুস্থতা কোনোটার ওপরই সেই মানুষটার জোর থাকে না। কিন্তু সমাজ সংসার পরিবার সবাই কেন তাকেই দোষী প্রতিপন্ন করে? একটা সন্তানকে ঘিরেই সংসারের সব সম্পর্কের সমীকরণ মুহূর্তে পালটে যেতে পারে!
.
বনগাঁর দিকে একটা গ্রাম্য স্টেশনে রাতের অন্ধকারে খুন হয় একজন। আততায়ীকে সে কি চিনতে পেরেছিল মৃত্যুর আগের মুহূর্তে? খুন হয় আরও কিছু মানুষ। যার মধ্যে একজন বিখ্যাত সোশাল ওয়ার্কার, জনদরদী মানুষ অরণ্য গুহও আছেন। ফলে উত্তপ্ত হয় রাজ্য-রাজনীতি।
সুনেত্রা একজন স্কুল টিচার। সবদিক থেকে পারদর্শী মেয়েটার জীবনে একটাই খামতি! সেই খামতির জন্যই তার জীবনের সম্পর্কের সমীকরণগুলো সব পালটে যায়। কোনোদিন কি সেই খামতি পূরণ হবে? হবে কোনো ম্যাজিক?
এনজিওর চাকরি নিয়ে গ্রাম থেকে শহরে আসে খুশি। কিন্তু কিছুদিন পর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যায় না। তার মা গ্রামের বাড়িতে একাই অস্থির হয় মেয়েটার জন্য। কে খুঁজে দেবে খুশিকে? কী হল ওর সাথে?
দ্বৈতা সান্যাল! লালবাজার হোমিসাইড বিভাগের এক অফিসার। তার খুব ইচ্ছা একটা সাংঘাতিক কেস সলভ করবে সে। শেষমেষ কি এমন কোনো কেসেই জড়িয়ে পড়বে দ্বৈতা?
এই শহরের অন্দরে কোথাও কি ঘটে চলেছে গহীন কোনো অপরাধ? সুনেত্রা, খুশি, দ্বৈতা সবাই কীভাবে এক সূত্রে গাঁথা পড়বে?
.
ভূমিকা
বেশ কিছুদিন আগে ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে একটা খবর নজরে আসে। সেই খবর পড়তেই শিউরে উঠলাম। এভাবেও চলে বুঝি বাইরের দুনিয়াটা? তারপর আরও এইরকম খবর দেখতে শুরু করলাম। বেশিরভাগ খবরই অন্য রাজ্যের। ঠিক করলাম এই দিকটা নিয়ে এবার কিছু লিখব। হ্যাঁ সম্পূর্ণ নিজের মন থেকেই কাল্পনিক এই উপন্যাস। তবে এই আইডিয়া আমি পেয়েছি এই খবরগুলোর থেকেই। তারপর শুরু হলো চরিত্রদের গঠন। ঠিক করলাম কাদের গল্প বলব আমি আমার এই উপন্যাসে। এই চরিত্ররা কাল্পনিক হলেও এমন চরিত্র কিন্তু একটু চারপাশে তাকালেই খুঁজে পাবেন। এরা এই আমার আপনার সমাজ থেকেই উঠে এসেছে। উপন্যাস তার চরিত্রদের নিয়ে তার ঘটনার ডালি সাজিয়ে একটু একটু করে যখন পূর্ণতার দিকে এগিয়ে গেছে তখন অনেকগুলো অনুভূতি আমার মধ্যে কাজ করছিল। জেগে উঠছিল অসংখ্য প্ৰশ্ন
‘মা’ শব্দটা খুব ছোট্ট হলেও এর অর্থ বিশাল তাই না? ঠিক একটা বাক্যে মা-এর সংজ্ঞা দেওয়া যায় না! যে জন্ম দেয় সে-ই কি শুধু মা? যে মমতায় আপন করে নেয়, মাতৃস্নেহে পালন করে সে-ও তো মা! দেবকী আর যশোদার গল্প তো সর্বজনবিদিত। এই উপন্যাস অনেক মানুষের গল্প বলে। বলে অনেক মায়ের গল্প। যেকোনও পরিবারে সন্তানসুখ বড়ই কাম্য। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে যদি কেউ সেই সুখ থেকে বঞ্চিত হয় তবে দোষ কি তার? ভাগ্য বা শারীরিক অসুস্থতা কোনওটার ওপরই সেই মানুষটার জোর থাকে না। কিন্তু সমাজ সংসার পরিবার সবাই কেন তাকেই দোষী প্রতিপন্ন করে? একটা সন্তানকে ঘিরেই সংসারের সব সম্পর্কের সমীকরণ মুহূর্তে পালটে যেতে পারে।
এইসব প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজেছি আমি। আপনারাও সেই উত্তর খুঁজে দেখবেন!
.
কৃতজ্ঞতা স্বীকার
আমার বিদ্যালয়ের সহকর্মী শেফালী মণ্ডল, ডঃ ঐশিক মজুমদার, ডঃ অভিষেক ঘোষ, দীপ প্রকাশনের কর্ণধার শ্রী দীপ্তাংশু মণ্ডল এবং সমগ্র টিম।


ধন্যবাদ, অমৃতা কোনার এর লেখা বই দেওয়ার জন্য। তার লেখা “মিথ্যা হলেও সত্যি” এটির জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
Heruk 1 and 2 er jonno opekkhay রইলাম
nice
বই অনেক ভালো
বই চাই
এটা বে-আইনি কাজ। কার অনুমতি নিয়ে আপনারা আমার বই এভাবে ওয়েবসাইটে দিয়েছেন? আমি এবনহ প্রকাশনা সংস্থা আপনাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।