বুখারি হাদিস নং ১৮১৩ – রমযানে রোযাদার অবস্থায় যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাস করেছে সে ব্যক্তি কি কাফফারা থেকে তার অভাবগ্রস্ত পরিবারকে খাওয়াতে পারবে ?

হাদীস নং ১৮১৩ উসামান ইবনে আবু শায়বা রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮১৩ – রমযানে রোযাদার অবস্থায় যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাস করেছে সে ব্যক্তি কি কাফফারা থেকে তার অভাবগ্রস্ত পরিবারকে খাওয়াতে পারবে ?

বুখারি হাদিস নং ১৮৩৫ – রমযানে ইফতারের পরে যদি সূর্য দেখা যায়।

হাদীস নং ১৮৩৫ আবদুল্লাহ ইবনে আবু শায়বা রহ……….আসমা বিনতে আবু বকর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮৩৫ – রমযানে ইফতারের পরে যদি সূর্য দেখা যায়।

বুখারি হাদিস নং ১৮৫৮ – কারো সাথে সাক্ষাত করতে গিয়ে (নফল) সাওম ভঙ্গ না করা।

হাদীস নং ১৮৫৮ মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না রহ……….আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার মাতা) উম্মে… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮৫৮ – কারো সাথে সাক্ষাত করতে গিয়ে (নফল) সাওম ভঙ্গ না করা।

বুখারি হাদিস নং ১৮৫৯

হাদীস নং ১৮৫৯ ইবনে আবু মারইয়াম রহ……….হুমায়দ রহ. আনাস রা.-কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭০ – রমযানের সাওম ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে।

হাদীস নং ১৭৭০ কুতাইবা ইবনে সাঈদ রহ…….তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত যে, এলোমেলো চুলসহ একজন গ্রাম্য আরব নবী করীম… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৭০ – রমযানের সাওম ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭৩ – সাওমের ফজিলত।

হাদীস নং ১৭৭৩ আবদুল্লাহ ইবনে মাসলাম রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : সিয়াম ঢাল… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৭৩ – সাওমের ফজিলত।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭৪ – সাওম (গোনাহের কাফফারা)।

হাদীস নং ১৭৭৪ আলী ইবনে আবদুল্লাহ রহ……..হুযায়ফা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন উমর রা. বললেন, ফিতনা সম্পকির্ত নবী করীম… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৭৪ – সাওম (গোনাহের কাফফারা)।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭৫ – সাওম পালনকারীর জন্য রায়্যান।

হাদীস নং ১৭৭৫ খালিদ ইবনে মাখলাদ রহ………সাহল রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : জান্নাতে রায়্যান নামক… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৭৫ – সাওম পালনকারীর জন্য রায়্যান।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭৭ – রমযান বলা হবে, না রমযান মাস বলা হবে ? আর যাদের মতে উভয়টি বলা যায়।

হাদীস নং ১৭৭৭ কুতাইবা রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন রমযান আসে তখন… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৭৭ – রমযান বলা হবে, না রমযান মাস বলা হবে ? আর যাদের মতে উভয়টি বলা যায়।

বুখারি হাদিস নং ১৭৭৯ – চাঁদ দেখা।

হাদীস নং ১৭৭৯ ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর রহ………ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৭৯ – চাঁদ দেখা।

বুখারি হাদিস নং ১৭৮০ – যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় নিয়তসহ সিয়াম পালন করবে।

হাদীস নং ১৭৮০ মুসলিম ইবনে ইবরাহীম রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৮০ – যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় নিয়তসহ সিয়াম পালন করবে।

বুখারি হাদিস নং ১৭৮১ – রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে সর্বাধিক দান করতেন।

হাদীস নং ১৭৮১ মূসা ইবনে ইসমাঈল রহ……..ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধন-সম্পদ ব্যয়… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৮১ – রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে সর্বাধিক দান করতেন।

বুখারি হাদিস নং ১৭৮২ – সাওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন না করা।সাওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন না করা।

হাদীস নং ১৭৮২ আদম ইবনে আবু ইয়াস রহ……….আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৮২ – সাওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন না করা।সাওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন না করা।

বুখারি হাদিস নং ১৭৮৩ – কাউকে গালি দেওয়া হলে সে কি বলবে, আমি তো সাওম পালনকারী ?

হাদীস নং ১৭৮৩ ইবরাহীম ইবেন মূসা রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৮৩ – কাউকে গালি দেওয়া হলে সে কি বলবে, আমি তো সাওম পালনকারী ?

বুখারি হাদিস নং ১৭৮৪ – অবিবাহিত ব্যক্তি যে নিজের উপর আশংকা করে, তার জন্য সাওম।

হাদীস নং ১৭৮৪ আবদান রহ………আলকামা রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ রা.-এর সঙ্গে চলতে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আমরা… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৮৪ – অবিবাহিত ব্যক্তি যে নিজের উপর আশংকা করে, তার জন্য সাওম।

বুখারি হাদিস নং ১৭৮৫ – হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী : যখন তোমরা চাঁদ দেখবে তখন সাওম শুরু করবে আবার যখন চাঁদ দেখবে তখন ইফতার করবে।

হাদীস নং ১৭৮৫ আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা রহ………আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের কথা আলোচনা… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৮৫ – হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী : যখন তোমরা চাঁদ দেখবে তখন সাওম শুরু করবে আবার যখন চাঁদ দেখবে তখন ইফতার করবে।

বুখারি হাদিস নং ১৭৯১ – ঈদের দুই মাস কম হয় না।

হাদীস নং ১৭৯১ মুসাদ্দাদ রহ…..আবু বকরা রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুটি মাস কম হয়না।… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯১ – ঈদের দুই মাস কম হয় না।

বুখারি হাদিস নং ১৭৯২ – হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: আমরা লিখি না এবং হিসাবও করিনা।

হাদীস নং ১৭৯২ আদম রহ……..ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : আমরা উম্মী জাতি ।… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯২ – হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: আমরা লিখি না এবং হিসাবও করিনা।

বুখারি হাদিস নং ১৭৯৩ – রমযানের একদিন বা দুদিন আগে সাওম শুরু করবে না।

হাদীস নং ১৭৯৩ মুসলিম ইবনে ইবরাহীম রহ……..আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমরা কেউ… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯৩ – রমযানের একদিন বা দুদিন আগে সাওম শুরু করবে না।

বুখারি হাদিস নং ১৭৯৪ – আল্লাহর বাণী : সিয়ামের রাতে তোমাদের স্ত্রী সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে……..(২ : ১৮৭)

হাদীস নং ১৭৯৪ উবাইদুল্লাহ ইবনে মূসা রহ……..বারা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের অবস্থা এই… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯৪ – আল্লাহর বাণী : সিয়ামের রাতে তোমাদের স্ত্রী সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে……..(২ : ১৮৭)

বুখারি হাদিস নং ১৭৯৫ – আল্লাহর বাণী : তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ কাল রেখা থেকে ভোরের সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। তারপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর (২ : ১৮৭)।

হাদীস নং ১৭৯৫ হাজ্জাজ ইবনে মিনহাল রহ………আদী ইবনে হাতিম রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন এই আয়াত নাযিল হল :… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯৫ – আল্লাহর বাণী : তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ কাল রেখা থেকে ভোরের সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। তারপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর (২ : ১৮৭)।

বুখারি হাদিস নং ১৭৯৭ – মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: বিলালের আযান যেন তোমাদের সাহরী থেকে বিরত না রাখে।

হাদীস নং ১৭৯৭ উবায়দ ইবনে ইসমাঈল রহ……..ইবনে উমর রা. থেকে এবং কাসিম ইবনে মুহাম্মদ রহ……আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯৭ – মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: বিলালের আযান যেন তোমাদের সাহরী থেকে বিরত না রাখে।

বুখারি হাদিস নং ১৭৯৮ – সাহরী খাওয়ায় তাড়া তাড়ি করা।

হাদীস নং ১৭৯৮ মুহাম্মদ ইবনে উবায়দুল্লাহ রহ……..সাহল ইবনে সাদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পরিবার-পরিজনের মধ্যে সাহরী খেতাম।… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯৮ – সাহরী খাওয়ায় তাড়া তাড়ি করা।

বুখারি হাদিস নং ১৭৯৯ – সাহরী ও ফজরের সালাতের মাঝে ব্যবধানের পরিমাণ।

হাদীস নং ১৭৯৯ মুসলিম ইবনে ইবরাহীম রহ………যায়েদ ইবনে সাবিত রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর… Read more বুখারি হাদিস নং ১৭৯৯ – সাহরী ও ফজরের সালাতের মাঝে ব্যবধানের পরিমাণ।

বুখারি হাদিস নং ১৮০০ – সাহরীতে রয়েছে বরকত কিন্তু তা ওয়াজিব নয়।

হাদীস নং ১৮০০ মূসা ইবনে ইসমাঈল রহ……..আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটানা সাওম পালন করতে থাকলে… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০০ – সাহরীতে রয়েছে বরকত কিন্তু তা ওয়াজিব নয়।

বুখারি হাদিস নং ১৮০১ – সাহরীতে রয়েছে বরকত কিন্তু তা ওয়াজিব নয়।

হাদীস নং ১৮০১ আদম ইবনে আবু ইয়াস রহ………আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০১ – সাহরীতে রয়েছে বরকত কিন্তু তা ওয়াজিব নয়।

বুখারি হাদিস নং ১৮০২ – যদি কেউ দিনের বেলা সাওমের নিয়ত করে।

হাদীস নং ১৮০২ আবু আসিম রহ……..সালমা ইবনে আকওয়া রা. থেকে বর্ণিত যে, আশুরার দিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০২ – যদি কেউ দিনের বেলা সাওমের নিয়ত করে।

বুখারি হাদিস নং ১৮০৩ – জুনুবী অবস্থায় সাওম পালনকারীর ভোর হওয়া।

হাদীস নং ১৮০৩ আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা রহ……..আবু বকর ইবনে আবদুর রাহমান রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এবং আমার পিতা… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০৩ – জুনুবী অবস্থায় সাওম পালনকারীর ভোর হওয়া।

বুখারি হাদিস নং ১৮০৪ – সায়িম কর্তৃক স্ত্রী স্পর্শ করা।

হাদীস নং ১৮০৪ সুলাইমান ইবনে হারব রহ………আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওমের অবস্থায় চুমু… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০৪ – সায়িম কর্তৃক স্ত্রী স্পর্শ করা।

বুখারি হাদিস নং ১৮০৫ – সায়িমের চুমু খাওয়া।

হাদীস নং ১৮০৫ মুহাম্মদ ইবনে মুসান্না এবং আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা রহ………আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সায়িম অবস্থায় নবী করীম… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০৫ – সায়িমের চুমু খাওয়া।

বুখারি হাদিস নং ১৮০৭ – সাওম পালনকারীর গোসল করা।

হাদীস নং ১৮০৭ আহমদ ইবনে সালিহ রহ…….আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমযান মাসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভোর… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০৭ – সাওম পালনকারীর গোসল করা।

বুখারি হাদিস নং ১৮০৯ – সাওম পালনকারী যদি ভুলবশত আহার করে বা পান করে ফেলে

হাদীস নং ১৮০৯ আবদান রহ……..আবু হুরায়রা. রা. থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : রোযাদার ভুলক্রমে যদি… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮০৯ – সাওম পালনকারী যদি ভুলবশত আহার করে বা পান করে ফেলে

বুখারি হাদিস নং ১৮১০ – সায়িমের জন্য কাঁচা বা শুকনো মিসওয়াক ব্যবহার করা।

হাদীস নং ১৮১০ আবদান রহ………হুমরান রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উসমান রা.-কে উযু করতে দেখেছি। তিনি তিনবার হাতের উপর… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮১০ – সায়িমের জন্য কাঁচা বা শুকনো মিসওয়াক ব্যবহার করা।

বুখারি হাদিস নং ১৮১১ – রমযানে সহবাস করা।

হাদীস নং ১৮১১ আবদুল্লাহ ইবনে মুনীর রহ……..আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮১১ – রমযানে সহবাস করা।

বুখারি হাদিস নং ১৮১২ – যদি রমযানে স্ত্রী সংগম করে এবং তার নিকট কিছু না থাকে এবং তাকে সাদকা দেওয়া হয়, তাহলে সে যেন তা কাফফারা স্বরূপ দিয়ে দেয়।

হাদীস নং ১৮১২ আবুল ইয়ামান রহ………আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসাছিলাম।… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮১২ – যদি রমযানে স্ত্রী সংগম করে এবং তার নিকট কিছু না থাকে এবং তাকে সাদকা দেওয়া হয়, তাহলে সে যেন তা কাফফারা স্বরূপ দিয়ে দেয়।

বুখারি হাদিস নং ১৮১৪ – সাওম পালনকারীর শিংগা লাগানো বা বমি করা।

হাদীস নং ১৮১৪ মুআল্লা ইবনে আসাদ রহ……ইবনে আব্বস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম অবস্থায়… Read more বুখারি হাদিস নং ১৮১৪ – সাওম পালনকারীর শিংগা লাগানো বা বমি করা।