আশা করি তুমি ভালো আছো। আজ আমি তোমাকে এমন কিছু কথা বলতে চাই যা আমাদের উভয়ের ইহকাল ও পরকালের মঙ্গলের জন্য খুব জরুরি।
আমরা আবেগবশত একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আমি অনেক ভেবে দেখলাম যে, আমাদের এই বর্তমান সম্পর্কটি ইসলামের শরীয়াহ অনুযায়ী বৈধ নয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
“আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।” (সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৩২)
এখানে আল্লাহ শুধু ব্যভিচার করতে নিষেধ করেননি, বরং তার কাছাকাছি যায় এমন সব পথ (যেমন: বেগানা নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা বা প্রেম) থেকেও দূরে থাকতে বলেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে নির্জনে মিলিত না হয়, কারণ তখন শয়তান তাদের তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত থাকে।” (তিরমিজি: ১১৭১)
আমাদের এই সম্পর্কটি আমাদের অজান্তেই আমাদের আল্লাহর থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। আমি চাই না আমরা এমন কোনো পথে চলি যা আমাদের রবের অসন্তুষ্টির কারণ হয়। তাই আল্লাহর হুকুম মানার খাতিরে এবং নিজের গুনাহ থেকে বাঁচতে আমি এই সম্পর্কটি এখানেই শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
হয়তো সাময়িকভাবে এটি কষ্টের মনে হতে পারে, কিন্তু আল্লাহ যা হারাম করেছেন তা ত্যাগ করলে তিনি তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করেন। হাদিসে আছে:
“তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু ত্যাগ করবে, আল্লাহ তার বিনিময়ে তোমাকে তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করবেন।” (মুসনাদে আহমাদ)
যদি আমাদের ভাগ্যে একে অপরকে আল্লাহ লিখে থাকেন, তবে তা অবশ্যই হালাল পন্থায় (নিকাহর মাধ্যমে) একদিন হবে। কিন্তু আপাতত আমাদের এই হারাম পথটি পরিহার করা আবশ্যক।
আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি এবং আশা করি তুমি আমার এই সিদ্ধান্তটি দ্বীনি দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিবাচকভাবে দেখবে। আমাদের অতীত ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
Porte chai
আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি তুমি ভালো আছো। আজ আমি তোমাকে এমন কিছু কথা বলতে চাই যা আমাদের উভয়ের ইহকাল ও পরকালের মঙ্গলের জন্য খুব জরুরি।
আমরা আবেগবশত একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আমি অনেক ভেবে দেখলাম যে, আমাদের এই বর্তমান সম্পর্কটি ইসলামের শরীয়াহ অনুযায়ী বৈধ নয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন:
“আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।” (সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৩২)
এখানে আল্লাহ শুধু ব্যভিচার করতে নিষেধ করেননি, বরং তার কাছাকাছি যায় এমন সব পথ (যেমন: বেগানা নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা বা প্রেম) থেকেও দূরে থাকতে বলেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে নির্জনে মিলিত না হয়, কারণ তখন শয়তান তাদের তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত থাকে।” (তিরমিজি: ১১৭১)
আমাদের এই সম্পর্কটি আমাদের অজান্তেই আমাদের আল্লাহর থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। আমি চাই না আমরা এমন কোনো পথে চলি যা আমাদের রবের অসন্তুষ্টির কারণ হয়। তাই আল্লাহর হুকুম মানার খাতিরে এবং নিজের গুনাহ থেকে বাঁচতে আমি এই সম্পর্কটি এখানেই শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
হয়তো সাময়িকভাবে এটি কষ্টের মনে হতে পারে, কিন্তু আল্লাহ যা হারাম করেছেন তা ত্যাগ করলে তিনি তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করেন। হাদিসে আছে:
“তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু ত্যাগ করবে, আল্লাহ তার বিনিময়ে তোমাকে তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করবেন।” (মুসনাদে আহমাদ)
যদি আমাদের ভাগ্যে একে অপরকে আল্লাহ লিখে থাকেন, তবে তা অবশ্যই হালাল পন্থায় (নিকাহর মাধ্যমে) একদিন হবে। কিন্তু আপাতত আমাদের এই হারাম পথটি পরিহার করা আবশ্যক।
আমি তোমার মঙ্গল কামনা করি এবং আশা করি তুমি আমার এই সিদ্ধান্তটি দ্বীনি দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিবাচকভাবে দেখবে। আমাদের অতীত ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
আল্লাহ আমাদের উভয়কে হেদায়েত দান করুন।
ইতি,
(আপনার নাম)