মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস – প্রফেসর এস. এম. ইমামউদ্দিন
মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস
প্রফেসর এস. এম. ইমামউদ্দিন
প্রাক্তন অধ্যাপক, বিভাগীয় প্রধান ও চেয়ারম্যান
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
সম্পাদনা :
ডঃ আয়শা বেগম
প্রফেসর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
প্রকাশক
কে, এম, ফারুক খান
খান ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি
৯ বাংলাবাজার (২য় তলা) ঢাকা ১১০০
প্রকাশকাল
জানুয়ারি ১৯৯৯
প্রচ্ছদ – সুখেন দাস
.
ই-বুক নির্মাতা: জহুরুল ইসলাম
অনিচ্ছাকৃত বানান ভূলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী
ইবুক ভাল লেগে থাকলে অবশ্যই হার্ডকপি বই সংগ্রহ করবেন
প্রকাশক ও লেখকদের ক্ষতি আমাদের কাম্য নয়।
.
উৎসর্গ
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রাক্তন,
বর্তমান ও ভবিষ্যতের সকল ছাত্র-ছাত্রীকে।
.
সম্পাদকের কথা
মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস প্রফেসর এস. এম. ইমামউদ্দিন প্রণীত A Political History of Muslim Spain নামক গ্রন্থের সংশোধিত ও বর্ধিত বাংলা সংস্করণ। মূল ইংরেজি ভাষায় রচিত গ্রন্থটি ঢাকা থেকে একাধিকবার প্রকাশিত হয়—১৯৬১ সনে প্রথম বার এবং ১৯৬৯ সনে সংশোধিত ও বর্ধিত আকারে দ্বিতীয় বার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের জন্মলগ্ন থেকে অনার্স ক্লাশের সিলেবাসে একটি পত্র হিসেবে স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমামউদ্দিনের গ্রন্থটি তাঁর স্পেনে পি.এইচ-ডি গবেষণালব্ধ থিসিসের উপর ভিত্তি করে লেখা। গ্রন্থটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হওয়ায় প্রথম থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়। বলাবাহুল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ কর্তৃক এ গ্রন্থটি সাদরে গৃহীত হয় এবং অতি সহজেই জনপ্রিয়তা অর্জন করে। আমরা সবাই অবহিত আছি যে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বাংলাভাষা দীর্ঘদিন আগেই গৃহীত হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই A Political History of Muslim Spain বইটির বাংলা সংস্করণের অভাব দারুণভাবে অনুভূত হয়ে থাকে। অনিবার্য কারণে প্রফেসর ইমামউদ্দিন নিজের বইটি দীর্ঘ দিন ধরে সময় ও শ্রম ব্যয় করে বাংলা ভাষায় রূপান্তর করেন। বইটির বাংলা সংস্করণের কাজ আরম্ভ করার পর পরই তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরীর কাল সমাপ্ত হয়ে গেলে তিনি ১৯৮৪ সনে সপরিবারে করাচীতে (পাকিস্তান) চলে যান। তারপর এ দীর্ঘ দিনের মধ্যে তিনি কখনও ঢাকায় আর আসেন নি। তবে করাচীতে অবস্থান করলেও বইটির বাংলা রূপান্তরকরণ থেকে তিনি বিরত হননি। গত বছর (১৯৯৭) তিনি বাংলা রূপান্তরের কাজটি সমাপ্ত করেন।
মধ্যযুগীয় ইয়োরোপের অগ্রযাত্রায় স্পেনই পথ প্রদর্শকের ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। সভ্যতায় মূরদের প্রভাবে যখন এতদ অঞ্চলে নব দিগন্তের সূচনা হয় তখনও ইয়োরোপে সভ্যতার আলো প্রবেশ করেনি। স্পেনের সুরক্ষিত কর্ডোভা নগরী ছিল তখন বিশ্বের সেরা শহরের একটি; এ সময়ে লন্ডন যে একটি অনুন্নত শহর ছিল তা বললে অত্যুক্তি করা হবে না। কর্ডোভা মুসলিম বিশ্বের জ্ঞান বিকাশের কেন্দ্রে পরিণত হয় এবং বাগদাদকেও অতিক্রম করে। কালক্রমে মুসলিম স্পেন ইয়োরোপের শিক্ষা-সংস্কৃতির জ্যোতিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে; সঙ্গত কারণে ইয়োরোপীয় রেনেসাঁ বিকাশে মুসলিম স্পেনের অবদান অনস্বীকার্য। আলোচ্য বইতে মোট উনিশটি অধ্যায় রয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে মুসলমানদের স্পেন বিজয়, দ্বিতীয় অধ্যায়ে দামেস্ক খিলাফতের অধীনে উমাইয়া আমীরদের শাসন
(৭১৪-৭৫৬ খ্রিঃ), তৃতীয় অধ্যায়ে স্বাধীন উমাইয়া আমীরদের রাজত্ব (৭৫৬-৯২৯ খ্রিঃ) বর্ণনার পর চতুর্থ অধ্যায় থেকে পর্যায়ক্রমে প্রথম হিশাম (৭৮৮-৭৯৬), দ্বিতীয় আবদুর রহমান (৮২২-৮৫২ খ্রিঃ), প্রথম মুহাম্মদ (৮৫২-৮৮৬ খ্রিঃ), তৃতীয় আবদুর রহমান, আল নাসির, দ্বিতীয় হাকাম ও হাজীব আল-মনসুরের উপরে লেখক পৃথকভাবে আলোচনা করেছেন। এরপর তিনি দ্বাদশ অধ্যায়ে স্পেনে উমাইয়া খিলাফতের পতনের কারণসমূহ চিহ্নিত করেছেন এবং ত্রয়োদশ অধ্যায়ে স্পেনের উত্তরাঞ্চলে খ্রিস্টান রাষ্ট্রসমূহের অভ্যুদয় সম্বন্ধে আলোকপাত করেন। চতুর্দশ অধ্যায় শেষ হয় স্পেনে ক্ষুদ্র রাজ্যসমূহের ইতিবৃত্ত বর্ণনায়। পঞ্চদশ অধ্যায়ে উত্তর আফ্রিকার শাসন সম্বন্ধে আলোচনা করে পরবর্তী অধ্যায়ে স্পেনে মুসলিম শাসনের পতনের কারণসমূহ পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সবশেষ অধ্যায়ে সামগ্রিকভাবে স্পেনে মুসলিম প্রশাসন ব্যবস্থার উপরে আলোকপাত করা হয়। প্রফেসর ইমামউদ্দিন এক কথায় এ বইটিতে মুসলমানদের আগমন, উথান, বিকাশ ও পতনের একটি সামগ্রিক চিত্র সার্থকভাবে তুলে ধরেছেন।
আমি প্রফেসর ইমামউদ্দিনের একজন স্নেহধন্য ছাত্রী। আমি তাঁর কাছ থেকে সরাসরি স্পেনে মুসলমানদের রাজনৈতিক ইতিহাস বিষয়ে পাঠ গ্রহণ করেছি (১৯৬৪)। প্রফেসর ইমামউদ্দিন করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণের পর আমাকে তাঁর নিজের লেখা মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস শীর্ষক বইয়ের (বাংলা) পাণ্ডুলিপিটি পাঠান এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সেমিনারের ফান্ড থেকে সম্ভব হলে এ বইটি প্রকাশ করতে অনুরোধ করেন। বিভাগে কিংবা সেমিনারে বই প্রকাশের জন্য কোন ফান্ড থাকে না। তাই এখান থেকে কিছু করার দুরাশা আমার ছিল না। তাছাড়া এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বাংলা একাডেমী ইত্যাদি এ ধরনের উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বই প্রকাশ করার প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট নিয়মনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং দীর্ঘ সময় সাপেক্ষও বটে। আমি তখন খান ব্রাদার্স এ্যান্ড কোম্পানির সত্ত্বাধিকারী জনাব কে, এম, ফারুক খানকে এ বিষয়ে অবহিত করলে তিনি বইটি প্রকাশের প্রস্তাব করেন। পাণ্ডুলিপিটি তাদের দেওয়ার জন্য আমি প্রফেসর ইমামউদ্দিনের অনুমতি চেয়ে পাঠাই। তার উত্তরে অনুমতিসহ আমাকে দায়িত্ব দিয়ে প্রফেসর ইমামউদ্দিন একটি Authority Letter পাঠান যার উপর ভিত্তি করে বইটি প্রকাশের দায়িত্বে অগ্রসর হতে থাকি। একদিকে সমস্যা যখন শেষের পথে তখন বাদ সাধে তার দীর্ঘদিন ধরে লেখা পাণ্ডুলিপির জরাজীর্ণ অবস্থা; একে তো পাণ্ডুলিপি আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ তার উপরে বার্ধক্যজনিত কারণে তাঁর লেখা কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য এবং পাঠোদ্ধার করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে ওঠে। আমার উপরে দায়িত্ব প্রদান করায় সাহস করে পাণ্ডুলিপিটি পাঠোপযোগী করার উদ্দেশ্যে খুটি-নাটি বিষয়গুলো সংশোধন করতে সচেষ্ট হই। বিদেশী ভাষার উচ্চারণ সঠিক লেখা অত্যন্ত কঠিন বিশেষ করে ব্যক্তির নাম ও স্থানের নাম। এ গ্রন্থের ক্ষেত্রে এ কথা সর্বাংশে প্রযোজ্য।
যে মহৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে প্রফেসর ইমামউদ্দিন তাঁর লেখা বাংলা বইটি ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে তুলে দিয়ে গেলেন তার তুলনা নেই। এ বই থেকে সংগৃহীত অর্থ তিনি বিভাগীয় ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দের এম ফিল/পি. এইচ-ডি গবেষণার জন্য ব্যয় করতে তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এ জন্য তাঁর এ বইটি এ বিভাগের প্রাক্তন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ছাত্র-ছাত্রীর নামে উৎসর্গ করা হল। এ বই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ যে যথেষ্ট উপকৃত হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বইটি এ বছর (১৯৯৮) থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সিলেবাসে দ্বিতীয় বর্ষ অনার্সের ৬ষ্ঠ (নম্বর ২০৬) কোর্স হিসেবে গৃহীত হয়েছে। বইটি প্রকাশে নানা পর্যায়ে বিভিন্ন ভাবে অনেকে যে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলের ঋণ কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করছি। প্রথম প্রুফ দেখে দেন প্রকাশনা ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ আমাদের প্রাক্তন ছাত্র জনাব শহীদুল্লাহ, তাকে অশেষ ধন্যবাদ। মূল ইংরেজি বই থেকে মানচিত্র নেওয়া হল। জর্জ মিচেল সম্পাদিত আরকিটেকচার অব দ্যা ইসলামিক ওয়ার্ল্ড ও ফিলিপ ব্যামব্রো-র ট্রেজারস অব ইসলাম থেকে চিত্রগুলো নেওয়া হল; প্রত্যেকটি চিত্র গ্রহণের জন্য প্রাপ্তি স্বীকার করা হল। স্পেনিশ ভাষার শব্দের উচ্চারণে সাবধানতা অবলম্বন সত্ত্বেও কিছু অসঙ্গতি রয়ে গেল। যে সব ভুলত্রুটি রয়ে গেল সেজন্য ক্ষমা প্রার্থী; পরবর্তী সংস্করণে তা দূর করা হবে। ভবিষ্যতে এ বইয়ের সংশোধনে সহায়তা পেলে তা সাদরে গৃহীত হবে। খান ব্রাদার্স এ্যান্ড কোম্পানির স্বত্বাধিকারী জনাব কে, এম. ফারুক খান গ্রন্থটি প্রকাশে যে ভাবে যত্নবান হয়েছেন সেজন্য তাকে অশেষ ধন্যবাদ। এ গ্রন্থের সমস্ত কৃতিত্বই প্রফেসর ইমামউদ্দিনের। সম্পাদনায় আমি আমার বিনীত প্রয়াস নিয়েছি মাত্র। সম্পাদনা ক্ষেত্রে আমার অপটুতা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ রইল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও জ্ঞান পিপাসু সুধী সমাজ এ গ্রন্থ থেকে উপকৃত হলে লেখকের স্বপ্ন এবং আমার শ্রম সার্থক হবে।
ডঃ আয়শা বেগম
সম্পাদক
অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
তারিখ ১লা এপ্রিল ১৯৯৮
.
ভূমিকা
এই গ্রন্থে ৭১১ শতাব্দীতে মুসলমানদের স্পেন বিজয় হইতে শুরু করিয়া ১৬১৩ খ্রীস্টাব্দে সেখান হইতে মুসলমানদের শেষ নির্বাসন পর্যন্ত সময়ের স্পেনের সংক্ষিপ্ত অথচ সামগ্রিক রাজনৈতিক ইতিহাস পরিবেশন করা হইয়াছে। ইহা এমন একটি জাতির ইতিহাস যাহারা মুসলিম জগতের পশ্চিম প্রান্তে আটশত বৎসর রাজত্ব করিয়া প্রাচ্যের সংস্কৃতির সাহায্যে ইউরোপীয়গণের মধ্যে জ্ঞানালোক জ্বালাইয়াছিলেন, তাহাদের সভ্যতা বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখিয়াছিলেন এবং তাহাদিগকে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম করিয়া তুলিয়াছিলেন। বিচিত্র তাঁহাদের ইতিহাস। স্পেনে মুসলমানদের পতন ঘটে। ইহার জন্য কিছুটা দায়ী তাঁহাদের নিজেদের দোষত্রুটি এবং কিছুটা দায়ী স্পেনের খ্রীস্টানদের গোঁড়ামী ও ধর্মান্ধতা। প্রাচ্যে খ্রীস্টান ধর্মযোদ্ধাদের পরাজয়ের পর স্পেনের মুসলমানগণ তাঁহাদের নিজ বাসভূমিতে বসবাস করার অধিকার হইতে বঞ্চিত হন। মুসলমানদের ইতিহাসে এরূপ ঘটনা আর কোথাও দেখা যায় না।
মরিস্কোদের সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসা লইয়া আমি স্পেনে গিয়েছিলাম। সেখানকার গ্রন্থাগারগুলিতে স্পেনের ইতিহাস, সাহিত্য ও অন্যান্য বিষয়ে অধ্যয়ন করি, স্থাপত্যসৌধ ও যাদুঘরসমূহ দেখি এবং “স্পেনের মুসলমানদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের কয়েকটি প্রসঙ্গ” নামক ইহার একটি অনুপূরক গ্রন্থ রচনা করি। ইহা লেইডেনের ই. জি. ব্রিল কর্তৃক ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। বর্তমান গ্রন্থ মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস ১৯৬১ ও ১৯৬৯ সালে gafro A Political History of Muslim Spain alive Betafe 1635 সংশোধিত ও বর্ধিত সংস্করণ। দুইটি নূতন অধ্যায় সংযোজন করা ছাড়াও দ্বিতীয় ও বর্ধিত সংস্করণের প্রত্যেক অধ্যায়ে কিছু তথ্য সংযোজন করা হইয়াছে। এই বাংলা সংস্করণের উৎকর্ষ সাধনের জন্য যে কোন মত সাদরে গৃহীত হইবে।
এই বাংলা সংস্করণ প্রকাশের জন্য খান ব্রাদার্স এ্যান্ড কোম্পানির স্বত্বাধিকারী জনাব কে. এম. ফারুক খান-কে আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি। মূল বাংলা সংস্করণের কিছু সংশোধনের কাজে আমার সহকর্মীবৃন্দ সাহায্য করিয়াছেন। তাঁহাদের সাহায্য সহযোগিতা ব্যতিরেকে আমার পক্ষে এই বাংলা সংস্করণ প্রকাশ করা সহজতর হইত। না। সে কথা আমি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করিতেছি।
আমার প্রাক্তন ছাত্রী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর ডঃ আয়শা বেগমকে আমার লেখা এই গ্রন্থ মুসলিম স্পেনের রাজনৈতিক ইতিহাস প্রকাশ করিবার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিলাম। তাঁহাকে এ দায়িত্ব। গ্রহণ করিবার জন্য ধন্যবাদ জানাইতেছি।
গ্রন্থাকার
এস, এম, ইমামউদ্দিন
গুলসাল ইকবাল
করাচী, পাকিস্তান।
১৩ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭





Leave a Reply