মহিষাসুর – সৌম্যদীপ
হরপ্পা লিখন চিত্রণ অক্টোবর ২০১৯ সংখ্যায় প্রকাশিত প্রবন্ধের পরিমার্জিত, পরিবর্ধিত ই-বুক সংস্করণ
করোনার আক্রমণে অন্তরীণ অবস্থায়
১ বৈশাখ ১৪২৭ থেকে ‘হরপ্পা’-র বৈদ্যুতিন পুস্তিকা প্রকাশের সূচনা।
এই ক্ৰমে ১৮ আশ্বিন ১৪২৯ (ইং ৪ অক্টোবর ২০২২ ) বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত হল
‘মহিষাসুর’
লিখন ও প্রচ্ছদ – সৌম্যদীপ
শিল্পনির্দেশনা – সোমনাথ ঘোষ
অঙ্কন – পার্থ দাশগুপ্ত
সম্পাদনা – সৈকত মুখার্জি
.
ছোট্টবেলা থেকেই মহিষাসুরের উপর আমার খুব মায়া হত, মহালয়ার দিন রাত থাকতে রেডিয়ো চালিয়ে মা যখন ডেকে তুলত, বেজায় ঘুম-জড়ানো চোখে উৎসুক হয়ে উঠতাম, যদি অন্যরকম কিছু ঘটে—আমার ধারণা ছিল ওটা লিগ ফাইনালে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল বা ভারত-পাকিস্তানের খেলার মতো, মহিষাসুর আর দেবী দুর্গার যুদ্ধের প্রাগৈতিহাসিক ধারাবিবরণী! প্রতিবার, “বিষ্ণু দিলেন চক্র, পিনাকপাণি শংকর দিলেন শূল, যম দিলেন তাঁর দণ্ড, কালদেব সুতীক্ষ্ণ খড়্গ”….অমনি মহিষাসুরের জন্য খুব খারাপ লাগত, আমাদের নতুন জামা- কাপড় হয়ে গেছে, বাটার জুতোও, ভোরবেলায় উঠোনে শিউলি আর… আমার চোখে ঘুম নেমে আসত। চটকা ভেঙে শুনতাম, “দেবী, কাত্যায়ন নন্দিনী কাত্যায়নী অষ্টাদশভূজা উগ্রচণ্ডা রূপে মহিষ মর্দন করেন। দ্বিতীয় ষোড়শভুজা ভদ্রকালীর হস্তে মর্দিত হয় মহিষ। আর তৃতীয়, এই বর্তমান কল্পে দশভুজা দুর্গা রূপে মহাদেবী সুসজ্জিতা মহিষমর্দিনী। অখিল মানবকণ্ঠে ধ্বনিত পুষ্পাঞ্জলি স্তোত্র বন্দনা” – শিবের বউকে কেন যে এত বার নারায়ণী বলে কে জানে… “যা দেবী সর্বভূতেষু নিদ্রারূপেণ সংস্থিতা, নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ”… জেগে উঠতাম ‘রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো জহি’—গানের সুরে, বাইরে তখন আলো ক্রমে আসিতেছে…
ছোটো থেকে গোঁফ গজানো শুরু হওয়া পর্যন্ত ধারণাটা খুব একটা বদলায়নি যে ওটা কোনো প্রকৃত ঘটনার বিবরণ, তারপর গোদের উপর বিষফোঁড়া কম্যুনিস্ট ম্যানিফেস্টো পড়বার পরে পরেই দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় ভারতে বস্তুবাদ প্রসঙ্গে, লোকায়ত দর্শন দিয়ে মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন—বেদ-পুরাণ সবই শাসকশ্রেণির কায়েমি স্বার্থ বজায় রাখার প্রচেষ্টা, সমাজ বিকাশের পর্যায় (!) ঋগ্বেদ, নানা পুরাণ মায় গীতা আসুরি মতের নিন্দা করে, সেই আসুরি-মত লোকায়ত, যা তন্ত্র ও সাংখ্য-র সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ঋকবেদে উল্লিখিত হরিয়ুপিয়া একটি অসুর- নগরী যা বাস্তবের হরপ্পা হতে পারে—গাদা-গাদা উদাহরণ আর পণ্ডিতদের মত প্রকাশক উদ্ধৃতি দিয়ে, কচি বয়সের উপপাদ্য আর জ্যামিতির এক্সট্রা করা মাথায় সবটুকু প্রত্যক্ষ প্রমাণ করে দিয়েছিলেন যেন! বইটা আমায় পড়তে দিয়েছিলেন দেবপ্রসাদ চক্রবর্তী, আমার মাস্টারমশাই, কৃষ্ণনগরের ‘পাঠাগার মাস্টারমশাই’, যিনি কখনো আমার বেড়েপাকা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি, লাইব্রেরি থেকে একটা বা দুটো বই তুলে বাড়ি ফেরার সময় হাতে ধরিয়ে দিতেন—এ কথাটা উল্লেখ করলাম কারণ আমার “দেববিরোধী” হয়ে ওঠার পেছনে ‘দেব-দেবী’-দের অবদান বড়ো কম নয়। ‘লিটল-গান্ধী’ মাস্টারমশাইয়ের অসম্ভব পরিমিতিবোধের ছিটেফোঁটাও অনর্জিত রয়ে গেল—কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলেই প্রচুর জ্ঞান দিই, খেতে দিলে গাদা গাদা খাই, লিখতে বললে পত্রিকার গুচ্ছের পাতা ধ্বংসাই, অল্পেতে বেজায় রেগে যাই অর্থাৎ প্রচলিত অর্থে একটা আসুরিক ভাব স্বভাবজ বলা চলে—অতএব নান্যপন্থা!
আমাদের সময় পর্যন্ত মার্কস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু হতেই ফ্রয়েড নেড়েচেড়ে দেখাটা স্বাভাবিক পাঠক্রম ছিল, এমনকি দেবীপ্রসাদও একটা পাতলা বই লিখেছিলেন ফ্রয়েড প্রসঙ্গে, তা থেকেই হয়তো একটা ধারণা বাতাসে ভাসত—ফ্রয়েড আর মার্কসকে একটা সিন্থেসিসে আনতে পারলেই ইউনিফায়েড ফিল্ড থিওরির মতো, সব সমস্যার উত্তর পাওয়া যাবে! পড়াশোনা শুরুর মুখে এদিক- ওদিক শোনা, বিশ্বাস করা, কথাগুলো হয়তো পরবর্তীকালে সব পণ্ডিতের বেজায় বোকা-বোকা লাগে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন না আমার কিন্তু বিস্তর মজা লাগে, যাকে বলে ‘হেব্বি আনন্দ হয়’, কেন-না ন্যাংটার নেই বাটপাড়ের ভয়! যাই হোক সেই ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে গিরীন্দ্রশেখর বসুর কথা জানা, তাঁর একটা বইয়ে ‘এই লেখকের অন্যান্য গ্রন্থ’-র মাঝে শ্রীমদভাগবতগীতা আর পুরাণপ্রবেশ নাম দুটো দেখে বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিলাম, জোগাড় হয়েছিল অনেক পরে, বহুকষ্টে! এখন অবশ্য একটি অতি ভয়ানক প্রচ্ছদ ও প্রাককথনসহ পুরাণপ্রবেশ বাজারে পাওয়া যায়। পুরাণপ্রবেশ পাঠে বিষফোঁড়াটি ফাটে এবং পুরাণকে হিস্ট্রি বা ইতবৃত্ত হিসাবে পাঠের একটি প্রবেশদ্বার ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিসহ আমার সামনে খুলে যায়, যা দেবীপ্রসাদ হতে অন্যতর—মাঝে সময় কেটেছে চোদ্দোটি বছর।
প্রবন্ধ লিখতে বসেও এত ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ তথা মন্তব্য এসে যায় যে সেটা মাঝে মাঝে নিজের কাছেও অস্বস্তিকর ঠেকে এড়িয়ে যাওয়ার মতো হালকা বিষয়ও এটা নয়, অথচ অন্য কোনো বিশেষ পথও খুঁজে পাইনি। তবে ওরিয়েন্টালিজম-এর ভূমিকায় এডওয়ার্ড সঈদ এই personal dimension বিষয়ে গ্রামশির প্রিজন নোটবুক থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে পদ্ধতিগতভাবে এটাকেই সমর্থন বা আত্মপক্ষ সমর্থনে দাঁড় করিয়েছিলেন: প্রিজন নোটবুক-এ গ্রামশি বলেছিলেন: “The starting-point of critical elaboration is the consciousness of what one really is, and is ‘knowing thyself’ as a product of the historical process to date, which has deposited in you an infinity of traces, without leaving an inventory.।” একমাত্র লভ্য ইংরেজি অনুবাদটিতে গ্রামশির ঠিক পরের মন্তব্যটি বাদ পড়ে গেছে, গ্রামশির ইটালিয়ান লেখায় বক্তব্যটি শেষ হয়েছে এই বাক্যটি সংযুক্ত করে, ‘therefore it is imperative at the outset to compile such an inventory.’ 1979, Orientalism, Edward Said, Vintage, p 25. উপরন্তু ‘Knowing thyself’— ভারতীয় হওয়ার কারণে আমার কাছে ‘আত্মানং বিদ্ধি’ তারপরেও এই লেখায় ব্যক্তিগত দেব-বিরোধিতার প্রভাব কমানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। অগ্রজ ভাবুক ও গ্রন্থকারদের বক্তব্য তথা উদ্ধৃতি ব্যবহার করেই আমার বক্তব্যের গন্তব্যে পৌঁছতে চেয়েছি, যদিও এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে আমার চূড়ান্ত মতদ্বৈধ রয়েছে।
পুরাণপ্রবেশ লেখক গিরীন্দ্রশেখর বসুর মতে, পুরাণ মিথোলজি নয়, ভারতীয়দের History রক্ষণ পদ্ধতি, ‘হিস্টরি অর্থ ইতিহাস নয়, ইতিহাস হল Tradition, ঐতিহ্য বা পুরাবৃত্ত (historical stories handed down by tradition) ইতিহাসের অন্তর্গত। History-র প্রতিশব্দ তিনি তৈরি করেন ‘ইতবৃত্ত’। তাঁর দেওয়া কিছু ধারণা, যেমন দিবিকরণ অর্থাৎ উত্তম মনুষ্যের প্রতিলোম ক্রিয়ায় দেবতায় পরিণত হওয়া। যেমন বিভিন্ন জাতি অর্থাৎ মনু বংশীয়রা মনুষ্য এবং দেবতা, অসুর, গন্ধর্ব, সর্প, নাগ, সিদ্ধ, যক্ষ, রক্ষ ইত্যাদি হল অন্যান্য জাতিমাত্র। এছাড়া তাঁর ইতবৃত্তীয় কালনির্ণয়, পর্যায়কাল গণনা এবং পৌরাণিক অত্যুক্তিবিচার পদ্ধতি আমার পুরাণ নিয়ে আগ্রহের জন্ম দেয় এবং ঘাঁটাঘাঁটি শুরু হয়। তার আগে পর্যন্ত উপনিষদ ছাড়া আর কিছুই পড়ার প্রয়োজন আছে বলে বুঝতে পারিনি। বাবার আলমারিতে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু বইপত্র থাকায় প্রাথমিক পাঠ এর জন্য বিশেষ ঝামেলা পোহাতে হয়নি। আর আছেন সুবর্ণরেখা ইন্দ্রনাথবাবুর ‘কবিরাজ’ সোদপুরের কল্যাণদা, কলেজ স্ট্রিটের লাইন ছুঁড়ে গত পনেরো বছরে এই সংক্রান্ত কত বই যে এনে দিয়েছেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই।
মহিষাসুরকে নিয়ে লিখতে বসে প্রথম মাথায় আসছে গৌতম বুদ্ধকে বিষ্ণুর অবতার বানানোর কাহিনিটি, সেখানে অসুরদের কথা আছে।
পুরা দেবাসুরে যুদ্ধে দৈত্যৈদেবাঃ পরাজিতাঃ।।
রক্ষ রক্ষেতি বদন্তো জঙ্গুরীশ্বরম্।
মায়ামোহস্বরূপোঽসৌ শুদ্ধোদনসুতোহভবৎ।
মোহয়ামাস দৈত্যাংস্তাংস্ত্যজিতা বেদধর্মকম।।
তে চ বৌদ্ধাঃ বভুবুৰ্হি তেভ্যোঽন্যে বেদবর্জিতাঃ।
আহতঃ সোহভবৎ পশ্চাদহতান করোৎ পরান
এবং পাষণ্ডিনো জাতা বেদধর্মবিবর্জিতাঃ।।
— অগ্নিপুরাণ ১৬।১-৪
পুরাকালে দেবাসুর যুদ্ধে দৈত্যগণের দ্বারা দেবগণ পরাজিত হলেন। তাঁরা বিষ্ণুর কাছে ‘রক্ষা করো রক্ষা করো’ বলে স্মরণ নিলেন। বিষ্ণু শুদ্ধোদনের পুত্র হলেন। তিনি দৈত্যদের মোহিত করলেন। তারা বেদ ধর্ম পরিত্যাগ করে বৌদ্ধ হল। তাদের মধ্যে অন্যরাও বেদ বর্জিত হল। তিনি আহত হলেন এবং পরে সকলকে আহিত করলেন। এইরূপে পাষণ্ডগণ বেদধর্মবর্জিত হয়েছিল।
হিন্দুদের দেবদেবী: উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ গ্রন্থে হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য দ্বিতীয় পর্বের ৩৬৩ পৃষ্ঠায় লিখছেন-
“এই বুদ্ধদেব দানবদের বেদধর্মবিবর্জিত করায় দেবগণের অসুরবিজয় সহজসাধ্য হয়েছিল। সারদাতিলক তন্ত্রে দশাবতার স্তোত্রে বুদ্ধবন্দনায় বলা হয়েছে—
পুরা সুরানামসুরানবিজেতু সম্ভবয়নচীবরচিহ্নবেশম্।
চকার যঃ শাস্ত্রমমোঘকল্পং তং মূলভূতং প্রণহতোস্মি বুদ্ধম্।।
পুরাকালে দেবতাদের অসুরবিজয় সম্ভব করতে যিনি চীবর পরিধান করেছিলেন সেই মূল কারণ বুদ্ধকে প্রণাম করি।”
এই উদাহরণ থেকে পরিষ্কার বোঝা যাবে আমাদের পুরাণ বা ইতিহাস লেখার পদ্ধতি। বুদ্ধকে অন্তত আমরা পাথুরে প্রমাণে মোটামুটিভাবে সময় নির্দেশ করে হিস্ট্রি অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছি। এই পুরাণকাহিনির সঙ্গে ইতবৃত্ত বা হিস্ট্রির তুলনা করলেই বোঝা যাবে যাবতীয় পক্ষাবলম্বন তত্ত্ব। গিরীন্দ্রশেখর বসু বলেছিলেন, “নব্য ইতবৃত্তকারগণ অনেক ক্ষেত্রেই নিজ নিজ বুদ্ধি ও কল্পনা আশ্রয় করিয়া ঘটনাবলী ব্যাখ্যা করেন। তাতে ইতবৃত্ত পক্ষপাতদুষ্ট হইবার সম্ভাবনা, মূল বিবরণও সাধারণের অনধিগম্য থাকিয়া যায়। অপরপক্ষে হিন্দু পৌরাণিক সূক্তোক্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ করেন মাত্র, তিনি তা ব্যাখ্যা করিবার চেষ্টা করেন না। অনেক সময় একই ঘটনার পরস্পর বিরোধী বিবরণ পুরাণকার লিপিবদ্ধ করিয়াছেন। কিন্তু নিজ বুদ্ধি ও কল্পনা সাহায্যে সত্যোদ্ধারের কোনও চেষ্টা করেন নাই। এসকল ক্ষেত্রে পুরাণব্যাখ্যাকার সত্যনির্ণয়ের চেষ্টা করিবেন। পুরাণকার ও পুরাণব্যাখ্যাকার এর অধিকার ভিন্ন হওয়ায় ইতবৃত্তীয় উপাত্ত বা (History) সকল সময়েই জনসাধারনের অধিগম্য। এ বিষয়ে পৌরাণিক পদ্ধতি আধুনিক ইতিবৃত্তকারের পদ্ধতি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।”
অতএব জনসাধারণের অংশ হিসেবে তাঁর নির্দেশিত পদ্ধতি অনুসরণ করে পুরাণ ব্যাখ্যা করবার অধিকার আমার রয়েছে। অগ্নিপুরাণ থেকে সাধারণ বাঙালির অন্তত এটুকু বোঝা উচিত যে সে বেদধর্মবর্জিত অসুর পর্যায়ভুক্ত এবং বুদ্ধ অহিংসার বাণী প্রচার করে তাদের অহিংসাব্রতী করেন এবং দেবগণ মওকা বুঝে তাদের নেতৃবৃন্দকে বিনাশ করেন। ভবিষ্যপুরাণে যিশু, মহম্মদ, রানি এলিজাবেথ সবার কথাই আছে শুনেছি, থাকাই স্বাভাবিক কারণ ভারতীয় ইতিহাস (History) লিখন বা বর্ণন পদ্ধতির নামই পুরাণ, যা গিরীন্দ্রশেখর বসু অব্যর্থভাবে ব্যক্ত করেছেন। বুদ্ধ অবতার-এর পুরাণকাহিনি ও প্রামাণ্য ইতিহাসের তুলনামূলক আলোচনায় আমরা ভারতীয় পুরাণ-ইতিহাস লেখার পদ্ধতিটিকে বুঝে নিয়ে যদি তার আগের পুরাণকাহিনিগুলিকে বিশ্লেষণ করি, তাহলে প্রকৃত ইতবৃত্ত বা হিস্টরিক্যাল ঘটনাগুলির গতিপ্রকৃতি বেশ কিছুটা বুঝতে পারা যায়। আর এই পদ্ধতিতে ধর্মীয়, বৈদিক বা দৈবিক খোলস ছাড়ালে দেব ও অসুর জাতির দ্বন্দ্বের কারণ পরিষ্কার বোঝা যাবে।



Leave a Reply