• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Library

Read Bengali Books Online (বাংলা বই পড়ুন)

  • Login/Register
  • Account

গোয়েন্দা কালকেতু সমগ্র (২য় খণ্ড) – রূপক সাহা

লাইব্রেরি » রূপক সাহা » গোয়েন্দা কালকেতু সমগ্র (২য় খণ্ড) – রূপক সাহা
গোয়েন্দা কালকেতু সমগ্র (২য় খণ্ড) - রূপক সাহা
লেখক: রূপক সাহাবইয়ের ধরন: গোয়েন্দা (ডিটেকটিভ)

গোয়েন্দা কালকেতু সমগ্র (২য় খণ্ড) – রূপক সাহা

প্রথম প্রকাশ : বইমেলা ১৪২৭, জানুয়ারি ২০২১

প্রচ্ছদ : সৌজন্য চক্রবর্তী

.

উৎসর্গ

সেজদা মৃত্যুঞ্জয় সাহাকে

.

ভূমিকা

গোয়েন্দা কালকেতু নন্দীর প্রথম খণ্ড নিয়ে পাঠক সমাজের আগ্রহ দেখে আমি অভিভূত৷ এখন মনে হচ্ছে, ইস…কেন তার অত্যাশ্চর্য কার্যকলাপ নিয়ে আরও লিখলাম না? দ্বিতীয় খণ্ডে আরও নয়টা কাহিনি প্রকাশিত হল৷ বিষয় বৈচিত্র্যে যার কোনো তুলনা হয় না৷ এর মধ্যে তিনটি গল্প খেলার জগতের অপরাধ নিয়ে৷ কালকেতু তার ক্ষুরধার মস্তিষ্ক দিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে সব রহস্যের সমাধান করেছে৷ মাত্র একটি ঘটনা ছাড়া৷ ‘গীতার অন্তর্ধান রহস্য’ গল্পে কালকেতু গীতার সন্তানকে কথা দিয়েছিল, নিখোঁজ মাকে ফিরিয়ে এনে দেবে৷ কিন্তু, বন্ধুপত্নীর করুণ পরিণতির কথা এমন সময় কালকেতু জানতে পারে, যখন আর তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়৷ এই ব্যর্থতা নিয়ে কালকেতু এখনও আপশোশ করে৷

খেলার সাংবাদিকতা করতে গিয়ে বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়েছে কালকেতুর৷ ও এমন অনেক মানুষের সংস্পর্শে এসেছে, যারা নিজেরা ভালো খেলোয়াড় হতে পারেনি৷ কিন্তু খেলা নিয়ে তাদের টেকনিক্যাল জ্ঞান অসীম৷ কালকেতুর ছোটবেলার বন্ধু প্লেটো এমনই একজন মানুষ৷ বরাবর সে একটু খ্যাপাটে টাইপের৷ নিজে নামী তিরন্দাজ হতে চেয়েও, পারেনি৷ কিন্তু তিরন্দাজি নিয়ে প্লেটো প্রচুর পড়াশুনো করেছে৷ রামায়ণ-মহাভারতে বীর যোদ্ধাদের কাহিনি পড়ে ওর মনে বিশ্বাস জাগে, এটাই ভারতীয়দের আসল খেলা৷ সেই ত্রেতা যুগ থেকে কত বিশ্বসেরা ধনুর্ধর এদেশে জন্মেছেন! প্লেটো জিদ ধরেছিল, ফের অর্জুনের মতো তিরন্দাজ তৈরি করবে৷ একজনকে তৈরিও করে৷ কিন্তু সেই ছাত্র একটু নাম করার পর অন্য কোচের কাছে চলে যায়৷ ছাত্রের বিশ্বাসঘাতকতায় প্লেটো খুব দুঃখ পায়৷

একদিন হঠাৎ রামায়ণে বানর সেনাদের কথা পড়ে ও সিদ্ধান্ত নেয়, মানুষ নয়, এবার থেকে তিরন্দাজির ট্রেনিং দেবে হনুমানদের৷ যারা দেখতে মানুষেরই মতো৷ কিন্তু মানুষের মতো বিশ্বাসঘাতকতা করে না৷ মেদিনীপুরে দেশের বাড়িতে চলে গিয়ে ও গোপনে হনুমানদের ট্রেনিং দিতে থাকে৷ আশ্চর্যরকম ফলও পায়৷ নেপালের কাঠমান্ডুতে এক আন্তর্জাতিক কম্পিটিশনে গিয়ে প্লেটো মারাত্মক ধাক্কা খায়৷ জানতে পারে, মানুষদের কম্পিটিশনে হনুমান অংশ নিতে পারে না৷ তিরন্দাজি জগতের অপরাধ সম্পর্কেও ওর আন্দাজ ছিল না৷ আন্ডারওয়ার্ল্ডের লোকজন ওকে ঘিরে ফেলে৷ এইসময় কাঠমান্ডুর রাস্তায় কালকেতু নন্দীর সঙ্গে হঠাৎ প্লেটোর দেখা হয়ে যায়৷ সব শুনে কালকেতু ওকে বিপদ থেকে কীভাবে উদ্ধার করে, সেই ঘটনা নিয়ে গল্প ‘পাগলা প্লেটো’৷ কিন্তু তখনও শেখার অনেক কিছু বাকি ছিল প্লেটোর৷ ওর মনে প্রশ্ন থেকে যায়, হনুমানরাও কতটা বিশ্বাসযোগ্য?

‘কিরকেট’ গল্পটা ক্রিকেটের বেটিং নিয়ে৷ ছিয়ানব্বই সালে লেখা৷ তখনও সাধারণ লোকের ধারণা ছিল, ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা৷ খেলাটা থেকে বেআইনিভাবে কিছু মানুষ যে টাকা লুঠছে, সে সম্পর্কে কারও আন্দাজ ছিল না৷ ইডেনে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি ভারত-শ্রীলঙ্কা৷ সেই ম্যাচের আগের দিন বেটিং সিন্ডিকেটের মাথা রাজু কেডিয়া কিডন্যাপ করে কালকেতুকে৷ বড়বাজারের পগেয়াপট্টিতে কেডিয়ার আড্ডায় গিয়ে কালকেতু জানতে পারে, অবৈধ বেটিং চলে কীভাবে৷ নিজের জবানিতে লেখা এই কাহিনিতে কালকেতু খোলসা করে দিয়েছে, শারজায় চেতন চৌহান কেন ম্যাচ খেলার আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল৷ কারা ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল? ইডেনের ম্যাচটা কালকেতু শেষ পর্যন্ত বাঁচায়, পগেয়াপট্টি থেকে কোনো রকমে পালিয়ে এসে৷ এর পরের ঘটনা আরও চমকপ্রদ৷ একদিন অফিসের নীচে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ধূমপান করছিল কালকেতু৷ সেইসময় পান্টারদের একজন এসে ওকে ভয় দেখিয়ে যায়, রাজু কেডিয়া ওকে ছাড়বে না৷ লাখ লাখ টাকা গচ্চ দিয়েছে৷ কেডিয়া ওকে দেখে নেবে৷

‘নখের আঁচড়’ মেয়ে ফুটবলারদের গল্প৷ গত শতাব্দীর সাতের দশকে ভারতে মেয়েদের ফুটবল চালু হয়৷ সেইসময় খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে৷ গ্রামে-গঞ্জে মেয়েদের ডাক পড়ত প্রদর্শনী ম্যাচ খেলার জন্য৷ আর্থিক লেনদেন কম হত না৷ কিন্তু তা পৌঁছোত না মেয়ে ফুটবলারদের কাছে৷ সংগঠনটা তখন ছিল পুরুষ কর্তাদের হাতে৷ তাই যৌন নিপীড়নের ঘটনাও ঘটত৷ দীর্ঘদিন ক্যাম্পে একসঙ্গে থাকার জন্য সমকামিতাও ছড়িয়ে পড়েছিল মেয়েদের মধ্যে৷ ইতিমধ্যে বসিরহাটে একটা ম্যাচ খেলতে গিয়ে জলে ডুবে মারা যায় এক মেয়ে ফুটবলার৷ আপাতদৃষ্টিতে দুর্ঘটনা বলে পুলিশের মনে হয়েছিল৷ কিন্তু কালকেতু প্রমাণ করে দেয়, খুন৷ সামান্য একটা নখের আঁচড় তাকে খুনি অবধি পৌঁছে দিয়েছিল৷ ধরা পড়ে, সমকামী কোচ অনুরাধা৷ মেয়ে ফুটবলারদের সমকামিতা নিয়ে লেখার জন্য আমার বিরুদ্ধে অনেকেই চটে গেছিলেন৷ হুমকি দিয়েছিলেন, আমার বিরুদ্ধে মামলা করবেন৷ সেইসময় মেয়েদের বিশ্বকাপ চলছিল আমেরিকায়৷ ওখান থেকে একটা রিপোর্ট আসে, সারা বিশ্বে মেয়ে ফুটবলারদের অনেকেই সমকামী৷ এজন্য তারা লজ্জাবোধ করে না৷ খবরের কাগজের রিপোর্টটা প্রকাশিত হওয়ার পর অবশ্য কেউ আমাকে বিরক্ত করেননি৷

‘ইচ্ছের মৃত্যু’, ‘সরষের মধ্যে ভূত’ বা ‘লখিন্দরের ভেলা’ গল্পগুলোতে গোয়েন্দা হিসেবে কালকেতু অনেক পরিণত৷ শুধু খেলার জগতে গোয়েন্দাগিরি করা থেকে সে বেরিয়ে এসেছে, পুলিশ অফিসার বন্ধু সুদীশ নাগের পরামর্শে৷ ‘লখিন্দরের ভেলা’ গল্পটা প্রকাশিত হয়েছিল নবকল্লোল পত্রিকায়৷ সুন্দরবন অঞ্চলে এই ধরনের ভেলা প্রায়ই নদীর উপর দিয়ে ভেসে যেতে দেখা যায়৷ ওই অঞ্চলে এখনও লোকে মনে করে সাপে কাটা মরা মানুষদের দাহ করা উচিত নয়৷ বেহুলা যেমন করে লখিন্দরকে বাঁচিয়েছিলেন, তেমনই ভেলায় করে নেতা ধোপানির ঘাটে পৌঁছোলে মৃত মানুষ বেঁচে উঠবে৷ সুন্দরবনে একটা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে স্পোর্টস প্রাইজ দিতে গিয়ে এই রকম একটা ভেলা চোখে পড়ে কালকেতুর৷ ভেলায় মৃতদেহটা ছিল স্কুলের সেরা স্পোর্টসম্যান-এর৷ কালকেতু দু-দিনের মধ্যে রহস্যের সমাধান করে দেয়৷ বাইরে থেকে সর্পদংশনে মৃত্যু বলে মনে হলেও, এটা একটা পরিকল্পিত খুন৷

দ্বিতীয় খণ্ডে অভিনব আরও একটা গল্প হল ‘থিম রহস্য’৷ বেশ কয়েক বছর হল, কলকাতায় চালু হয়েছে দুর্গোৎসবের সময় থিম পুজো৷ শুরুর দিকে সংখ্যাটা কম ছিল৷ বড় বড় পুজোর সংগঠকরাই পুরস্কার পাওয়ার লোভে থিম পুজো করতেন৷ কিন্তু চিট ফান্ড কর্তারা পুজোয় টাকা ঢালতে শুরু করার পর থিম পুজোর সংখ্যাটা বেড়ে যায়৷ এ দিকে, তুলনায় থিম আর্টিস্ট কম৷ ফলে আর্টিস্টদের নিয়ে কাড়াকাড়ি চলতে থাকে৷ এইরকম পরিস্থিতিতে এক থিম আর্টিস্ট রুদ্র মারাত্মক বিপদের মধ্যে পড়ে যায়৷ সে দ্বারস্থ হয় কালকেতু নন্দীর৷ টাকা আত্মসাৎ আর খুনের অভিযোগ থেকে রুদ্র কীভাবে বেরিয়ে এল, তা নিয়ে গল্প৷ পুজোর মাতব্বর রাজনৈতিক নেতা আর মাস্তানরা কীভাবে চাপ দিয়ে পুরস্কার জেতেন, তাও জানা যায় এই গল্পে৷

গোয়েন্দাগিরিতে প্রায় দু-দশক কাটিয়ে দিল কালকেতু৷ সম্প্রতি বাংলাদেশি এক মহিলার খোঁজে আমেরিকায় যেতে হয়েছিল ওকে৷ সেখানে গিয়ে ও বুঝতে পারে, সাইবার ক্রাইম এত বেড়ে গেছে যে, রহস্য উদ্ধার করা একজনের পক্ষে এখন আর সম্ভব না৷ এটা টিম ওয়ার্ক৷ তখনই একটা ডিটেকটিভ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট করার কথা ও ভাবে৷ পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে নিখোঁজ বাংলাদেশি মহিলাকে আবিষ্কার করে দেশে ফিরে আসার পর ইদানীং কালকেতু কলকাতায় ইনস্টিটিউট খুলেছে৷ ইতিমধ্যে ছাত্রদের কাজে লাগিয়ে ও দুটো বড় রহস্যের সমাধান করেছে৷ সেই দুটি কাহিনি হয়তো তৃতীয় খণ্ডে প্রকাশিত হবে৷ আমেরিকায় কালকেতুর সাফল্যের কথা লিখেছি ‘জিহাদি’ উপন্যাসে৷ প্রকাশিত হয়েছে দেব সাহিত্য কুটীর থেকেই৷ সম্পাদক রূপা মজুমদারকে ধন্যবাদ, উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদের কথাও তিনি ভাবছেন৷

 রূপক সাহা
এপ্রিল ২০২০

Book Content

পাগলা প্লেটো
কিরকেট
থিম রহস্য
ছবিও কথা বলে
লখিন্দরের ভেলা
গীতার অন্তর্ধান রহস্য
ইচ্ছের মৃত্যু
সরষের মধ্যে ভূত
নখের আঁচড়
তরিতা পুরাণ

তরিতা পুরাণ – রূপক সাহা

জিহাদি - রূপক সাহা

জিহাদি – রূপক সাহা

গোয়েন্দা কালকেতু সমগ্র (১ম খণ্ড) - রূপক সাহা

গোয়েন্দা কালকেতু সমগ্র (১ম খণ্ড) – রূপক সাহা

স্টিফেন ম্যানসন

স্টিফেন ম্যানসন – রূপক সাহা

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক

সিরিজ

বইয়ের ধরণ

বাংলা ডিকশনারি

বাংলা জোক্স

বাংলা লিরিক্স

বাংলা রেসিপি

বিবিধ রচনা

বাংলা হেলথ টিপস

Download PDF


My Account

Facebook

top↑

Login
Accessing this book requires a login. Please enter your credentials below!

Continue with Google
Lost Your Password?
এভারগ্রিন বাংলা লোগো
Register
Don't have an account? Register one!
Register an Account

Continue with Google

Registration confirmation will be emailed to you.