লীলা

সিন্ধুভৈরবী           কেন    বাজাও কাঁকন কনকন, কত                             ছলভরে!           ওগো,  ঘরে ফিরে চলো, কনককলসে                             জল ভ’রে।           কেন   … Read more লীলা

সংকোচ

ছায়ানট যদি     বারণ কর, তবে                   গাহিব না। যদি     শরম লাগে, মুখে                   চাহিব না। যদি     বিরলে মালা গাঁথা        … Read more সংকোচ

সওগাত

পুজোর পরব কাছে। ভাণ্ডার নানা সামগ্রীতে ভরা। কত বেনারসি কাপড়, কত সোনার অলংকার; আর ভাণ্ড ভ’রে ক্ষীর দই, পাত্র ভ’রে… Read more সওগাত

সকরুণ বেণু বাজায়ে কে যায়

সকরুণ বেণু বাজায়ে কে যায় বিদেশী নায়ে,   তাহারি রাগিণী লাগিল গায়ে॥     সে সুর বাহিয়া ভেসে আসে কার   সুদূর বিরহবিধুর হিয়ার         অজানা বেদনা, সাগরবেলার   অধীর বায়ে                          বনের ছায়ে॥ তাই শুনে আজি বিজন প্রবাসে হৃদয়মাঝে   শরত্‍‌শিশিরে ভিজে ভৈরবী নীরবে বাজে।      ছবি মনে আসে আলোতে ও গীতে—  যেন জনহীন নদীপথটিতে          কে চলেছে জলে কলস ভরিতে   অলস পায়ে                          বনের ছায়ে॥  স্বরবিতান ১৩

সকরুণা

আলেয়া           সখী,    প্রতিদিন হায় এসে ফিরে যায় কে!           তারে   আমার মাথার একটি কুসুম দে।           যদি     শুধায় কে… Read more সকরুণা

সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান

                সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান,                 সঙ্কটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ। মুক্ত করো ভয়,    আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।                 দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,                 নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো। মুক্ত করো ভয়,    নিজের ‘পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।                 ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বান                 নীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ। মুক্ত করো ভয়,    দুরূহ কাজে নিজেরই দিয়ো কঠিন পরিচয়॥