জগদীশচন্দ্র বসু

বিজ্ঞানলক্ষ্মীর প্রিয় পশ্চিমমন্দিরে            দূর সিন্ধুতীরে, হে বন্ধু, গিয়েছ তুমি; জয়মাল্যখানি           সেথা হতে আনি দীনহীনা জননীর লজ্জানত শিরে          … Read more জগদীশচন্দ্র বসু

জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা

জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা! পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উত্‍‌কল বঙ্গ বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ      তব শুভ নামে জাগে,    তব শুভ আশিস মাগে,                    গাহে তব জয়গাথা। জনগণমঙ্গলদায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!      জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয়, জয় হে॥ অহরহ তব আহ্বান প্রচারিত, শুনি তব উদার বাণী হিন্দু বৌদ্ধ শিখ জৈন পারসিক মুসলমান খৃস্টানী      পূরব পশ্চিম আসে  তব সিংহাসন-পাশে                    প্রেমহার হয় গাঁথা। জনগণ-ঐক্য-বিধায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!      জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয়, জয় হে॥ পতন-অভ্যুদয়-বন্ধুর পন্থা, যুগ-যুগ ধাবিত যাত্রী। হে চিরসারথি, তব রথচক্রে মুখরিত পথ দিনরাত্রি।      দারুণ বিপ্লব-মাঝে  তব শঙ্খধ্বনি বাজে                    সঙ্কটদুঃখত্রাতা। জনগণপথপরিচায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!      জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে॥ ঘোরতিমিরঘন নিবিড় নিশীথে পীড়িত মূর্ছিত দেশে… Read more জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা

জননীর দ্বারে আজি

জননীর দ্বারে আজি ঐ শুন গো শঙ্খ বাজে। থেকো না থেকো না, ওরে ভাই, মগন মিথ্যা কাজে॥      অর্ঘ্য ভরিয়া আনি ধরো গো পূজার থালি,      রতনপ্রদীপখানি যতনে আনো গো জ্বালি,      ভরি লয়ে দুই পাণি বহি আনো ফুলডালি,               মার আহ্বানবাণী রটাও ভুবনমাঝে॥ আজি প্রসন্ন পবনে নবীন জীবন ছুটিছে। আজি প্রফুল্ল কুসুমে নব সুগন্ধ উঠিছে।      আজি উজ্জ্বল ভালে তোলো উন্নত মাথা,      নবসঙ্গীততালে গাও গম্ভীর গাথা,      পরো মাল্য কপালে নবপল্লব-গাঁথা,               শুভ সুন্দর কালে সাজো সাজো নব সাজে॥ ভারততীর্থ। স্বরবিতান ৪৬

জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো

     জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো।      সকল মাধুরী লুকায়ে যায়,   গীতসুধারসে এসো॥ কর্ম যখন প্রবল-আকার   গরজি উঠিয়া ঢাকে চারি ধার      হৃদয়প্রান্তে, হে জীবননাথ,   শান্ত চরণে এসো॥ আপনারে যবে করিয়া কৃপণ   কোণে পড়ে থাকে দীনহীন মন      দুয়ার খুলিয়া, হে উদার নাথ, রাজসমারোহে এসো। বাসনা যখন বিপুল ধুলায়   অন্ধ করিয়া অবোধে ভুলায়,      ওহে পবিত্র, ওহে অনিদ্র, রুদ্র আলোকে এসো॥

জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে

জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে, বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে॥         এ মোর হৃদয়ের বিজন আকাশে         তোমার মহাসন আলোতে ঢাকা সে,         গভীর কী আশায় নিবিড় পুলকে              তাহার পানে চাই দু বাহু বাড়ায়ে॥         নীরব নিশি তব চরণ নিছায়ে         আঁধার-কেশভার দিয়েছে বিছায়ে।              আজি এ কোন্ গান নিখিল প্লাবিয়া              তোমার বীণা হতে আসিল নাবিয়া!              ভুবন মিলে যায় সুরের রণনে,                  গানের বেদনায় যাই যে হারায়ে॥

জীবিত ও মৃত

প্রথম পরিচ্ছেদ রানীহাটের জমিদার শারদাশংকরবাবুদের বাড়ির বিধবা বধূটির পিতৃকুলে কেহ ছিল না; সকলেই একে একে মারা গিয়াছে। পতিকুলেও ঠিক আপনার… Read more জীবিত ও মৃত

জয়পরাজয়

রাজকন্যার নাম অপরাজিতা। উদয়নারায়ণের সভাকবি শেখর তাঁহাকে কখনো চক্ষেও দেখেন নাই। কিন্তু যে দিন কোনো নূতন কাব্য রচনা করিয়া সভাতলে… Read more জয়পরাজয়