ফুচকা

উপকরণঃ ময়দা ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি পরিমাণমতো, তালমাখনা ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, টকদই ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো, সুজি আধাকাপ, লবণ পরিমাণমতো, ডাবলি ছোলা সেদ্ধ পরিমাণমতো, আলু সেদ্ধ ডাবলি ছোলার অর্ধেক।

টক তৈরির প্রণালীঃ তেঁতুলের ক্বাথ ১ কাপ, দই সিকি কাপ, বোম্বাই মরিচ বাটা আধা চা চামচ, এলাচ কয়েকটি, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ এবং পরিমাণমতো বিট লবণ দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে।

ফুচকা তৈরির প্রণালীঃ ময়দা, তালমাখনা, টকদই, সুজি, লবণ মেখে শক্ত ডো তৈরি করে এক ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিতে হবে। তারপর রুটি বানিয়ে ছোট করে ধাতব গ্লাসের মুখ দিয়ে ফুচকার আকারে কেটে গরম তেলে ভাজতে হবে।

প্রণালীঃ প্রথমে ডাবলি, আলু, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, তেঁতুলের টক, চটপটির মসলা দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে। এবার প্রতিটি ফুচকার ওপর একটু ভেঙে ১ চা চামচ করে মিশ্রণ ভরতে হবে। প্লেটের মাঝখানে ছোট বাটিতে টক দিয়ে চারপাশে ফুচকা সাজিয়ে নিন। ওপরে পেঁয়াজ কুচি, শসা, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

সূত্রঃ প্রথম আলো, আগস্ট ১৯, ২০০৮

15 thoughts on “ফুচকা

  1. ফুচকা খেতে আমার দারুন লাগে রবিবারের বিকেলটা হয়েযায় রোমানটিক।

  2. প্রথম আলো পত্রিকা থেকে নেয়া-
    কুলেখাড়া/তালমাখনা : বাংলাদেশের উঁচু এলাকার অপেক্ষাকৃত সেঁতসেঁতে নালা-নর্দমার পাড়ে কুলেখাড়া বেশি দেখা যায়। এগুলো এ অঞ্চলের নিজস্ব বুনোফুল। কোথাও কোথাও তালমাখনা নামেও পরিচিত। ফুলের গড়ন অনেকটা রক্তদ্রোণ ও দণ্ডকলসের মতো। সাধারণত লাল ও বেগুনি রঙের ফুল দেখা যায়। কাণ্ড ও পাতা রোমশ। কাণ্ডের নির্দিষ্ট দূরত্বে চারপাশ ঘিরে থাকে অসমান পাতাগুলো, দু-একটি পাতা অপেক্ষাকৃত বড়, গড়নের দিক থেকে লম্বাটে। দেখতে নিরীহ ধরনের হলেও ফুল ও পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকে তীক্ষ কাঁটা। বর্ষজীবী এ ফুল পর্যায়ক্রমে অনেক দিন ফোটে। গড়নের দিক থেকে শিমফুলের মতো। নীলচে বেগুনি রঙের ফুলগুলো তুলনামূলক কম দেখা যায়। বাংলাদেশে এগুলো ক্রমেই বিপন্ন হয়ে উঠছে। বৈজ্ঞানিক নাম Hygrophila spinosa।

  3. তালমাখনা ছাড়া বানানো যায়না ? তালমাখনার কোন substitue আছে ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *