আধুনিক বাংলা গান

অনির্বান – ১

অনির্বান আমার বন্ধু , অনির্বানের সাথে যখন আমার দ্বিতীয়বার দেখা হয়েছিলো তখন সময়টা ছিলো বড় অদ্ভুত। আমরা হাইওয়ের উপর দিয়ে অনেকদুরে একটা অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছি, লাল আকাশ , সন্ধ্যে হয়ে আসছে , দু’পাশে ফাঁকা মাঠ । আমরা চা খাবো বলে গাড়িটা দাড় করিয়েছি একটা বিচ্ছিন্ন...

অনেক কেঁদেছি আমি তোমায় ভালোবেসে

https://www.youtube.com/watch?v=_8DEYZJn7_A অনেক কেঁদেছি আমি তোমায় ভালোবেসে অনেক হারিয়েছি আমি তোমার কাছে এসে জানিনা এর শেষ হবে যে কোনখানে… সাজানো সুখের ঘরে আগুন তুমি যে দিলে জানিনা কি সুখ খুঁজে তুমি তাতে পেলে আজো একা ভাবি পাইনা খুঁজে মানে আজো মনে উঁকি দেয় তোমার...

অন্তবিহীন পথ চলাই জীবন

অন্তবিহীন পথ চলাই জীবন শুধু জীবনের কথা বলাই জীবন। জীবন প্রসব করে চলাই জীবন, শুধু যোগ বিয়োগের খেলাই জীবন। শুধু সূর্যের পানে দেখাই জীবন, জীবনকে ভোগ করে একাই জীবন, একই কক্ষ্যপথে ঘোরাই জীবন, স্বপনের সমাধি খোড়াই জীবন, মনের গোপন ঘরে, যে শাপদ ঘর করে, তাকেই লালন করে চলাই...

অন্ধকারের পথ এড়িয়েতো নয়

অন্ধকারের পথ এড়িয়েতো নয় পেরিয়েই যেতে হবে বেরিয়ে বাধা-বন্ধের থেকে চোখ ফিরিয়ে তো নয় সরিয়েই যাব বাধা সরিয়ে।। পথ যদি নাই থাকে সুযোগে ছাওয়া তা বলে কি থেমে যাবে এগিয়ে যাওয়া স্থির ঠিকানায় থির লক্ষ্য রেখে বাড়িয়েই যাব গতি বাড়িয়ে।। সমুখে চেয়ে থাকা আর নয় জীবন কে জানবার এই তো সময়...

অ্যাম্বিশন (কেউ হতে চায় ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার)

কেউ হতে চায় ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার, কেউ হতে চায় ব্যবসায়ী কেউ বা ব্যারিস্টার, কেউ চায় বেচতে রূপোয় রূপের বাহার চুলের ফ্যাশান। আমি ভবঘুরেই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন। ঠকানোই মূল মন্ত্র, আজকের সব পেশাতে, পিছপা নয় বিধাতাও, তেলেতে জল মেশাতে। ডাক্তার ভুলছে শপথ, ঘুশ খায়...

আকাশ আর এই মাটি ওই দূরে যেথায় মেশে

আকাশ আর এই মাটি ওই দূরে যেথায় মেশে, চলো সেথা যাই ওগো কোনো বাধা নাই সেথা কেটে যাবে দিন শুধু হেসে || সেথা পাখি ভ্রমরের গীতালি শুধু প্রাণে প্রাণে রচে মিতালি সেথা নীল নীল তারা ঝিলমিল মন যায় গো সেথায় ভেসে || কুহু আর কূজনে সেথা ওগো দুজনে আলাপন হবে, আঁখির পলকে স্বপন ঝলকে...

আকাশ এত মেঘলা

আকাশ এতো মেঘলা যেও নাকো একলা এখনি নামবে অন্ধকার ঝড়ের জল-তরঙ্গে নাচবে নটি রঙ্গে ভয় আছে পথ হারাবার গল্প করার এইতো দিন মেঘ কালো হোক মন রঙিন সময় দিয়ে হৃদয়টাকে বাঁধবো নাকো আর আঁধারো ছায়াতে চেয়েছি হারাতে দু’বাহু বাড়াতে তোমারি কাছে যাক না এমন এইতো বেশ হয় যদি হোক গল্প...

আকাশ কাঁদে বাতাস কাঁদে

আকাশ কাঁদে বাতাস কাঁদে কাঁদে আমার মন তোমায় ভালোবেসে কাঁদে আমার দুনয়ন। তোমার ঘরে প্রদীব জ্বলে আমি অন্ধকারে প্রেমের আলো ছড়িয়ে আছে আমার চারিদ্বারে। এমনি করে কাটিয়ে দেব আমার এই জীবন। তোমার বুকে সুখের নদী আমার বুকে ঢেউ কত ব্যাথা লুকিয়ে আছে জানবেনা তা কেউ এই যে ব্যাথা শেষ...

আকাশ কেন ডাকে

আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ ঐ যায় ভেসে যায় দূর থেকে দূর আরো বহুদূরে পথ থেকে পথ চলি ঘুরে ঘুরে ভাঙা এ মন নিয়ে আমি একা একা চলেছি কোথায় নীল ভাঙা নীল সুদূর কিনারে রোদের কারুকাজ মেঘের মিনারে আমি যে কার কে আমার সে কথা কি বলবে আমায়...

আকাশ প্রদীপ জ্বলে

আকাশ প্রদীপ জ্বলে দূরের তারার পানে চেয়ে, আমার নয়ন দু’টি শুধুই তোমারে চাহে ব্যথার বাদলে যায় ছেয়ে।। বয়ে চলে আঁধি আর রাত্রি আমি চলি দিশাহীন যাত্রী দূর অজানার পারে আকুল আশার খেয়া বেয়ে।। কত কাল আর কত কাল এই পথচলা ওগো চলবে কত রাত এই হিয়া আকাশ প্রদীপ হয়ে জ্বলবে কোনো...

আকাশ ভরা সূর্য তারা

আকাশ ভরা সূর্য তারা আকাশমুখী সারি সারি কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়া ঠাসাঠাসি বাক্স বাড়ি এখান থেকেই চলার শুরু এখান থেকেই হামাগুড়ি এখানটাতেই আমার বাসা আমার বাড়ি …. বারোতলার ওপর থেকে বারো বছর কেটে গেছে ইস্কুলটা যাওয়া ছাড়া নামা হয়না মাটির কাছে শোবার ঘরের...

আকাশ মেঘে ঢাকা

আকাশ মেঘে ঢাকা শাওন ধারা ঝরে যেদিন পাশে ছিলে সেদিন মনে পড়ে সেদিনও এই ক্ষনে সজলও ছিলো হাওয়া কেয়ার বনে তারো ছিলো যে আশা যাওয়া যুঁথির সুরভিতে আঙ্গিনা ছিলো ভরে এখনো সেই স্মৃতি বুকেতে বয়ে চলি নিজেরো সাথে আমি নিজেই কথা বলি স্মৃতির মনিমালা সবার চেয়ে দামি আজও তা পড়ে আছি...

আকাশে গুরু-গুরু মেঘের কথা শুরু

আকাশে গুরু-গুরু মেঘের কথা শুরু এ মনে দুরু দুরু ভয় বাতাস এলোমেলো পাতারা ঝরে গেল পাখিরা চোখ গেল কয়॥ নিঝুম চরাচরে অঝোরে বারি ঝরে এক্ লা আমি ঘরে তাই হৃদয় হাত পাতে তোমাকে এই রাতে মনের আঙিনাতে চাই তুমি তো দূরে দূরে তবুও মন জুড়ে রয়েছো, শুধু মনে হয়॥ কোথায় তুমি আজ একলা আমি আজ...

আকাশের সব তারা ঝরে যাবে

আকাশের সব তারা ঝরে যাবে আমার চোখের তারা ঝরবে না তোমাকে দেখার সাধ মরবে না গো তোমাকে দেখার সাধ মরবে না একটি জনম নয়, হাজারও জনম তোমাকে দেখি যদি সেও বড় কম ও সেও বড় কম একে একে সব পাওয়া হয়তোবা ফুরাবে আমার এ মন তবু ভরবে না মরণ যতই হোক অথৈ আঁধার পারবে না ঢেকে দিতে এই অধিকার...

আকাশের সবটূকু নীল নিয়ে

আকাশের সবটূকু নীল নিয়ে চলে গেছ তুমি কতদূরে স্বপ্ন দেখা ভূলে গেছে মন বাজলোনাতো মগ্ন কোন সুরে। বেদনার নীলটূকু লুকিয়ে যত তোমাকে পেয়েছি কাছে তত জোছনা ছুঁইয়েছ পৃথিবী আমার বিষাদ বিধুর। এইমনে শুধু মেঘ জমেছে যত বরষা চোখে ধরেছে তত রাত্রি আমার সাথী যেন বেদনা বিধুর।...

আকাশের সিঁড়ি বেয়ে যখন সন্ধ্যা-মেয়ে

আকাশের সিঁড়ি বেয়ে যখন সন্ধ্যা-মেয়ে এক-পা এক-পা করে নামতে থাকে তখন আমার মন মনে হয় ফুলবন একটি একটি ফুল ফুট্ তে থাকে॥ বিন্দু বিন্দু ঐ তারার আলো ছন্দে গন্ধে মন আজ ভরালো অল্প অল্প করে তোমার ছবি একটু একটু করে হৃদয় আঁকে॥ লজ্জা লজ্জা রাঙা সন্ধ্যা এলে লক্ষ লক্ষ তারা সাজায় গগন...

আগুন ঝরছে কবিতার সংসারে

আগুন ঝরছে কবিতার সংসারে কোকিলের লাশ ছড়ানো পথের ধারে “কোরাপুট” জ্বলে, “কালাহাণ্ডীর” মাঠ শিল্পী লেখক নায়ক বন্ধু .                   বাড়াও দরদী হাত॥ চোখের সামনে যাবতীয় শোকতাপ আকাশ এখানে ছড়ায় যে উত্তাপ কঙ্কাল সে তো মানুষের এক নাম অনাহারে ভেঙে গেছে জীবনের হাট শিল্পী...

আগে যদি জানতাম

আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না ও মন রে… কিসের তরে রয়ে গেলি তুই বলেছিলি তুই যে আমায় আমি নাকি ভুলে যাবো ভুলে আমি ঠিকই তো যেতাম পোড়া মনে তোরই কথা বারে বারে বেজে ওঠে তাই তোকে আর ভোলা হলো না রে এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না রে জানিনা কেনো...
আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেল

আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেল

আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেল কত সুর কত গান মনে পড়ে গেল বলো ভালো আছো তো… বলো ভালো আছো তো ।। ক’দিন আগে এমন হলে ক’টা দিন আরো বেশী পেতাম আরো আকাশ আরো বাতাস লিখে দিত তোমার নাম শুধু আমি নয় ওরা সবাই ডেকে ডেকে বলে বলে যেতো বলো ভালো আছো তো… বলো ভালো আছো তো ।। জানি...

আজ গানের তালে হৃদয় দোলে

আজ গানের তালে হৃদয় দোলে মিঠে বাতাস যায়রে বয়ে হলুদ ধানের দোদুল দোলায় পিয়াসী মন দোলে ওলো সুজন আমার ঘরে তবু আইলো না এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলো না।। ঐ কোকিলাটার কুহু কুহু কার লাগিগো বাজে এই কালো মেয়ের এমন দিনে মন লাগে না কাজে ঐ দুরে কোথাও রাখাল বাঁশি পাগল হাওয়ায় ভাসে ওলো...
পাতা 1/2212345...1020...শেষ »