প্রত্যয়

প্রত্যয়

মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। [যা ক্রিয়ামূল ও শব্দমূলের সাথে যুক্ত হয়ে নূতন পদ সৃষ্টি করে বা বাক্যস্থ শব্দের ভিতরে সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়তা করে, এমন ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে প্রত্যয় বলা হয়। ইংরেজি suffix, postfix। ] অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে। উপরের উদাহরণে, লাজুক শব্দের প্রকৃতি ‘লাজ’-এর সঙ্গে প্রত্যয় ‘উক’ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে ‘লাজুক’ শব্দটি। এমনিভাবে-

প্রকৃতি + প্রত্যয় = প্রত্যয়সাধিত শব্দ

  • √বড়  + আই   = বড়াই
  • √ঘর  + আমি   = ঘরামি
  • √পড়  + উয়া   = পড়ুয়া
  • √নাচ  + উনে   = নাচুনে
  • √জিত  + আ   = জিতা
  • √চল্ (গমন করা) +ই =চলি
  • √অৎ (গমন করা) +ই =অতি (অধিক)

 

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত প্রত্যয়গুলোকে ভাষাগত প্রকৃতি অনুসারে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগগুলো হলো—

১. সংস্কৃত প্রত্যয় :

এই প্রত্যয়কে মোট পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এ গুলি হলো—

  • কৃৎপ্রত্যয় (Primary suffix)
  • তদ্ধিত প্রত্যয় (Secondary suffix)
  • স্ত্রী-প্রত্যয় (faminine suffix)
  • ধাত্ববয়ব (Parts of roots)
  • বিভক্তি (Inflection)

২. বাংলা প্রত্যয় :

দেশী প্রত্যয়কেই বলা হয়, বাংলা প্রত্যয়।

৩. বিদেশী প্রত্যয় :

সংস্কৃত ও বাংলা ব্যতীত অন্যান্য প্রত্যয়গুলো বিদেশী প্রত্যয় বলা হয়।

শেয়ার বা বুকমার্ক করে রাখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *