হানাবাড়ি

যত অপ্রাকৃত ঘটনার কথা শোনা যায় তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভবত ভুতুড়ে বাড়ির কাহিনি। এমন অনেক বাড়ি থেকে শেষমেশ পাততাড়ি পর্যন্ত গুটাতে বাধ্য হয়েছে অনেক বাসিন্দা। ভুতুড়ে বাড়ির মধ্যে সবচেয়ে বেশি নাম কামিয়েছে সম্ভবত অ্যামিটিভিলের বাড়ি। অ্যামিটিভিলের আতংক নামে সেবা প্রকাশনী থেকে একটি বইও বের হয়েছে। হানাবাড়ি শিরোনামে রইল তেমন কিছু বাড়িরই অভিজ্ঞতা।-- ইশতিয়াক হাসান

১. জর্জিয়ার আতংক

জর্জিয়ার আতংক সাভানাহ নদীর ধারের ওকভিলের বাড়িটায় থাকতেন ওয়ালসিংহাম নামের এক কৃষক। ওটা পড়েছে আমেরিকার জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে। ওয়ালসিংহাম মোটেই কুসংস্কারে বিশ্বাস করতেন না। কাজেই শুরুতে বাড়িকে ঘিরে যেসব ছোটখাট ঘটনা ঘটতে লাগল, ওগুলোকে বদ প্রতিবেশিদের সাজানো নাটক বলে ধরে...

২. শয়তানের বাড়ি

শয়তানের বাড়ি সিংগাপুর শহরে রহস্যময় একটা বাড়ি আছে, যেটা অনেক সিংগাপুরিয়কেই দারুণ আকর্ষণ করে। তারা একে শয়তানের বাড়ি নামে পরিচয় করিয়ে দিতেই পছন্দ করে। পাহাড়ের চূড়ায় একটা বাংলো এটি। সরু একটা রাস্তা উঠে গেছে বাংলোটার দিকে। যতদূর জানা যায়, বাড়ির মালিক পরিবারের সবাইকে কুঠার...

৩. রক্তাক্ত চড়

রক্তাক্ত চড় এই অভিজ্ঞতাটি হয় ইংল্যাণ্ডের সম্রান্ত পরিবারের বিবাহিত এক নারীর। উনিশ শতকের শেষদিকে ঘটনা এটা। ঘটনাটি ঘটার বেশ কয়েক বছর পরে এটা বর্ণনা করেন তিনি। তবে জানান এটা এতটাই দাগ কেটেছে মনে যে এক বিন্দু মলিন হয়নি এর স্মৃতি। তার সবসময়ই মনে হয়েছে কেবল গত রাতেই এই...

৪. অবাঞ্ছিত অতিথি

অবাঞ্ছিত অতিথি এক সিংগাপুরিয় কিণ্ডারগার্টেন শিক্ষিকার জীবনের অভিজ্ঞতা শুনব এবার আমরা। তোয়া পেয়োহর যে ফ্ল্যাটটাতে আমরা থাকতাম সেখানে বেশ কয়েকবার এক অশরীরীর সঙ্গে দেখা হয় আমার। গোড়ার দিকে ওটা রীতিমত আতঙ্কিত করে ফেলে আমাকে। তবে পরে অবশ্য আর ওটাকে খুব একটা কেয়ার করিনি।...

৫. অশরীরীর আতংক

অশরীরীর আতংক ১৮৯১ সালের বসন্তে ফ্রান্সের লি পোর্টের এক বাড়িতে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয় এক অশরীরী। খনি এলাকার কাছেই বাড়িটার অবস্থান। অনেক সময় এই এলাকাটায় হাজার দুয়েক লোকেরও সমাগম হয়। তবে প্রেতাত্মাটা নানান কাণ্ড-কীর্তি করে বেড়ালেও ওটাকে দেখেছে এমন দাবি করেননি কেউ। বাড়ির...

৬. টু লেট

টু লেট বেশ অদ্ভুত এই বাড়িটার কাহিনি শুনিয়েছেন আয়ারল্যাণ্ডের মি. ই, বি. লেসি। বালক বয়সে তিনি থাকতেন শহরতলীতে। প্রতিদিন সকালে ডাবলিন শহরের স্কুলে আসতে হত তাকে। এসময় এমন একটা রাস্তা দিয়ে আসতে হত যেখানে নিঃসঙ্গ একটা বাড়ি পড়ে। ওটা খালি পড়ে থাকত অনেক সময়ই। কোনো ভাড়াটে আসার...

৭. বেয়াড়া আত্মা

বেয়াড়া আত্মা পনেরো বছরের ফিলিপ নিজের জন্য এক কাপ কফি এবং দাদি সারাহর জন্য এক কাপ চা বানিয়েছে। দুই হাতে কাপ দুটো নিয়ে দাদির কামরায় ঢুকল সে। আর ঢুকেই স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। একটা ধূসর-সাদা ধোয়ার মেঘ যেন দাদিকে ঘিরে আছে। আজকের আবহাওয়াটা চমৎকার হলেও কামরার ভিতরে খুব শীত...