গোরস্থানে সাবধান!

রাতের বেলা গোরস্থানের পাশ দিয়ে একা-একা যাবার বুকের পাটা আছে কম লোকেরই। এমনকী রাতে গোরস্থানে যাবার কথা শুনলেই চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া কিংবা শরীরে শিরশির করা খুব সাধারণ ঘটনা। কবরস্থান নিয়ে কাহিনিগুলো পাবেন ‘গোরস্থানে সাবধান’ অধ্যায়ে।

১. রাতে, গোরস্থানে

রাতে, গোরস্থানে এবারের কাহিনিটি সনজু ভাট নামের এক ভারতীয় যুবকের। ২০০৯ সালের দিকে পুরানো চাকরি ছেড়ে নতুন একটা চাকরিতে ঢোকে সে। এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অফিস হলো ব্যাঙ্গালুরুতে। এমনিতে তার পোস্টিং পুনেতে হলেও ছোট্ট একটা কর্মশালা আর কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচিত...

২. গোরস্থানের আগম্ভক

গোরস্থানের আগম্ভক আমাদের ভাঁড়ারে গোরস্থান নিয়ে যেসব ভৌতিক অভিজ্ঞতা জমা আছে তার আরেকটা শোনাব এখন। এটি বলেছেন আয়ারল্যাণ্ডের এডজিওর্থস টাউনের মি. জি. এইচ. মিলার। ১৮৭৫-এর শীতকাল। পাঁচ মাইল দূরের এক জায়গায় সন্ধ্যাকালীন এক গানের আসর সেরে বাড়ি ফিরছেন মিলার। ঘড়িতে তখন রাত...

৩. শেষ ঠিকানায়

শেষ ঠিকানায় এবারের অভিজ্ঞতাটি রেভারেণ্ড হেনরি মর্টনের। আয়ারল্যাণ্ডের একটি গির্জার যাজক তখন তিনি। গির্জার লাগোয়া একটা পুরানো সমাধিক্ষেত্রও আছে। এক চাঁদনী রাতে একজন অসুস্থ মানুষকে দেখতে যেতে হল রেভারেণ্ড মর্টনকে। সঙ্গে তার ভাইও আছেন, যিনি আবার একজন চিকিৎসক। অসুস্থ...

৪. ভুতুড়ে নারী

ভুতুড়ে নারী আয়ারল্যাণ্ডের লিমেরিকের একসময়কার আর্চডিকন ভেন, জে.এ. হেইডেন তার এই অভিজ্ঞতাটি বর্ণনা করেন। ১৮৭০ সালে তিনি ছিলেন অজপাড়াগাঁয়ের এক গির্জা চ্যাপেল রাসেলের যাজক। ঘটনাটা তখনকারই। শরতের এক বৃষ্টিঝরা দিন। লাগামহীনভাবে, বেশ বড় বড় ফোটায় বৃষ্টি পড়ছে। সকাল কি রাত এটাও...

৫. অবিবাহিতদের কবরস্থান

অবিবাহিতদের কবরস্থান শরীরের আত্মা পানি করে দেওয়ার মত জায়গার অভাব নেই আমেরিকায়। এদের মধ্যে কোনো কোনোটা এতটাই চমকে দেবে আপনাকে যে মনে হবে ওখানটায় গিয়ে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বন্ধ হয়ে গেছে। আর এটা হওয়ার কারণ আতংক এভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরবে যে নাড়ীর স্পন্দন টের পাবেন না।...