২.১০ কারফাক্সের গির্জা

জোনাথন হারারের ডায়েরী থেকে

১ অক্টোবর।

সারাটা দিন কারফাক্সের গির্জার আশেপাশে ঘুরে বেড়িয়েও ভেতরে ঢুকতে পারলাম না। কারণ সদর দরজা ছাড়া ভেতরে ঢোকার আর কোন পথ নেই। দরজাটা তালা মারা, চাবি গির্জার দারোয়ানের কাছে। গির্জা সংলগ্ন আলাদা একটা ছোট্ট ঘরে থাকে দারোয়ান। ওই চাবি ছাড়া গির্জার ভেতর ঢোকা অসম্ভব।

যেভাবেই হোক ওই চাবিটা দরকার আমাদের, একসময় বললেন প্রফেসর।

কিন্তু কি করে যোগাড় করা যায় চাবি? শেষ পর্যন্ত দারোয়ানের সাথে ভাব জমিয়ে ঘরে ঢুকে এক ফাকে ওর বিছানার তলা থেকে একজোড়া চাবির একটা চুরি করে নিয়ে এলেন মিস্টার মরিস। ভারি পেতলের চাবিটা প্রফেসরের হাতে তুলে দিতেই খুশিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠল তার মুখ। বললেন, দিনের বেলায় দারোয়ানের চোখ এড়িয়ে গির্জার ভেতরে ঢোকা যাবে না কিছুতেই। অতএব রাতেই চেষ্টা করে দেখতে হবে। অবশ্য হাজার গুণ বিপজ্জনক হয়ে পড়বে তাহলে কাজটা, কারণ তখন জেগে উঠবে রক্তচোষা পিশাচটা। তবে ভাবনা নেই, তৈরি হয়েই ভেতরে ঢুকব আমরা। শুধু বিপদের সময় সাহস হারিয়ে না ফেললেই হল। এখন চলল, কোথাও বসে খেয়ে নেয়া যাক।

গির্জা থেকে বেশ কিছুটা দূরে এক জায়গায় বসে খাওয়া সেরে নিলাম আমরা। জায়গাটা চমৎকার। খাওয়া দাওয়ার পর গাছের ছায়ায় শুয়ে জিরিয়ে নিচ্ছিল সবাই, কিন্তু আমার শুতে ভাল লাগছিল না। বার বারই মিনার কথা মনে পড়ছিল। গতরাতের কথাও ভাবলাম। সত্যিই কি জানালার কাছে বাদুড় দেখেছিল মিনা? সত্যিই হবে। কারণ মিস্টার মরিসও তো দেখেছিলেন ওটাকে। লুসির অসুখের সময় ওর ঘরের জানালায়ও দেখা গিয়েছিল ওটাকে, মিনাই বলেছে আমাকে কথাটা। তারপর থেকেই লুসির অসুখ বেড়ে যায়। পাগল রেনফিল্ডও নাকি বার বার কোন অজানা বিপদের হুঁশিয়ারি জানিয়েছে মিনাকে। একথাটাও মিনার মুখেই শুনেছি। হঠাৎ একটা অশুভ চিন্তা ছেয়ে ফেলল মনটাকে। তাহলে, তাহলে কি মিনার ওপর দৃষ্টি পড়েছে…। না, থাক। এমন একটা অশুভ চিন্তা কিছুতেই স্থান দেব না মনে। চিন্তাটা তাড়াবার জন্যেই পকেট থেকে কলম আর ডায়েরী বুকটা বের করে ডায়েরী লিখতে বসলাম।

২ অক্টোবর।

রাত দশটার দিকে আরও কিছু খেয়ে নিয়ে আমাদের বিশ্রামের জায়গা ছেড়ে উঠে কারফাক্সের পুরানো গির্জার দিকে আবার রওনা দিয়েছিলাম আমরা গতকাল। বার বার নানা ভাবে মিনার চিন্তাটা তাড়াতে চেষ্টা করেছি মন থেকে, কিন্তু বার বারই ঘুরে ফিরে মনে আসছিল অশুভ চিন্তাটা। প্রফেসরকে বলি বলি করেও শেষ পর্যন্ত বলতে পারলাম না।

নিঃশব্দে গির্জাটার দিকে চলতে লাগলাম আমরা। চাদের আলোয় ঘাসে ঢাকা সরু পথের ওপর ভৌতিক ছায়া ফেলে দাঁড়িয়ে আছে দুপাশের বিশাল গাছগুলো। গির্জার কাছাকাছি পৌঁছেই হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে আমাদেরকেও থামতে বললেন প্রফেসর। ব্যাগ হাতড়ে বের করলেন চারটে রসুনের মালা আর চারটে কুশ। আমাদের প্রত্যেকের হাতে একটা করে কুশ আর মালা দিয়ে বললেন, যার যার গলায় পরে নাও মালাগুলো। ক্রুশগুলো রেখে দাও কোটের বুক পকেটে। তাহলে আর কোনো পিশাচ প্রেতাত্মা তোমাদের স্পর্শ করতে পারবে না, অবশ্য চেষ্টার ত্রুটি করবে না কোনমতেই! জন, একটা করে মোমবাতি দিয়ে দাও সবাইকে। একটু থেমে আবার বললেন প্রফেসর, কিন্তু মুশকিল হবে দরজাটা নিয়ে। অত ভারি আর পুরানো দরজা খুলতে গেলে শব্দ হবেই। আর সেই শব্দে দারোয়ানটা জেগে উঠলেই আমাদের সব উদ্দেশ্য ভেস্তে যাবে।

অত কেয়ার করি না। বেশি গোলমাল পাকালে ব্যাটাকে ওর ঘরেই বেঁধে রেখে গির্জার ভেতরে ঢুকে পড়ব আমরা। মুখে রুমাল বেঁধে নিলেই আর আমাদেরকে চিনতে পারবে না সে, গোয়ারের মত বললেন মিস্টার মরিস। সত্যিই লোকটা দুঃসাহসী।

গোলমাল যত এড়ানো যায় ভাল। অগত্যা এড়াতে না পারলে তোমার কথাই কাজে লাগাতে হবে। এখন একছুটে ওর ঘরে গিয়ে উঁকি মেরে দেখে এসো তো, কি করছে দারোয়ানটা? মিস্টার মরিসকে উদ্দেশ্য করে বললেন প্রফেসর।

পকেট থেকে একটা রুমাল বের করে মুখে বেঁধে নিলেন মিস্টার মরিস। তারপর একছুটে অদৃশ্য হয়ে গেলেন ওক আর বার্চের আড়ালে। অল্পক্ষণ পরই আবার ফিরে এলেন তিনি। মুখেবাঁধা রুমালটা খুলে বললেন, মদ খেয়ে মাতাল হয়ে পড়ে আছে ব্যাটা। কানের কাছে বোম ফাটলেও টের পাবে না এখন কিছু।

যাক, ভালই হল, খুশি হয়ে বললেন প্রফেসর।

আবার চলতে শুরু করলাম আমরা। গির্জার কাছে পৌঁছে সিঁড়ি ভেঙে উঠে এলাম চাতালের ওপর। পকেট থেকে চাবি বের করে তালা খুললেন প্রফেসর। সবাই মিলে কাঁধ লাগিয়ে ঠেলা দিলাম ভারি দরজাটায়। উকট যান্ত্রিক শব্দ তুলে খুলে গেল ভারি পাল্লা দুটো। আমার মনে হল যেন যক্ষপুরীর দ্বার উন্মুক্ত হয়ে গেল চোখের সামনে। সবার আগে ভেতরে ঢুকলেন প্রফেসর। তারপর এক এক করে আমরা সবাই ঢুকে পড়ে ভেতর থেকে ভিড়িয়ে দিলাম দরজাটা। যে যার মোমবাতি জ্বালিয়ে নিতেই চোখে পড়ল ধাপে ধাপে সিঁড়ি নেমে গেছে নিচের দিকে। দল বেঁধে সেই সিঁড়ি ভেঙে নিচে নামতে লাগলাম আমরা। সবার আগে নামছেন প্রফেসর।

সেই সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে কাউন্ট ড্রাকুলার প্রাসাদ দুর্গে একা অন্ধকার সিঁড়ি বেয়ে নামার কথা মনে পড়ে গেল আমার। মোমের আলোয় সিঁড়ির

একপাশের দেয়ালে আমাদের ছায়াগুলো পড়ে তির তির করে কাঁপছে অপরাধী প্রেতের মত। আশেপাশে যেন টের পাচ্ছি কার অদৃশ্য উপস্থিতি। সিঁড়িতে আর একপাশের রেলিংয়ে পুরু হয়ে জমে আছে ধুলোর বর। থেকে থেকেই ভ্যাপসা পচা একটা গন্ধ নাকে এসে লাগছে। কাউন্ট ড্রাকুলার গায়ের সেই পচা গন্ধ যেন এটা। কথাটা মনে হতেই আতঙ্কে গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠল আমার।

একসময় শেষ হল সিঁড়ির ধাপ। পুরু ধুলো বিছান একটা মেঝেতে এসে নামলাম আমরা। সামনেই পড়ে আছে মাটি ভর্তি বারগুলো। গুণে দেখলাম, মোট উনত্রিশটা অর্থাৎ বাকি একুশটা বাক্স সরিয়ে ফেলা হয়েছে কোথাও। কোথায়? তাই নিয়ে আলাপ আলোচনা করছি, হঠাৎ ফিসফিস করে বলে উঠলেন লর্ড গোডালমিং, কে? ও কে?

কোথায়? জিজ্ঞেস করলাম আমি।

আঙ্গুল তুলে ওপাশের দরজাটা দেখিয়ে দিলেন তিনি। লর্ড গোডালমিং-এর নির্দেশিত দিকে চেয়েই চমকে উঠলাম। শিরদাঁড়া বেয়ে নেমে গেল ঠাও শিহরণ। স্তব্ধ হয়ে দেখলাম আবছা অন্ধকারে দরজার গোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে কাউন্ট ড্রাকুলা স্বয়ং। সেই ঈগলের মত বাঁকান নাক, পাথরে খোদাই মুখ আর টকটকে লাল একজোড়া চোখ। এক পলকের জন্যে দেখলাম পিশাচটাকে। অন্য সবাই ঘুরে দাঁড়াবার আগেই আবার অদৃশ্য হয়ে গেল সে।

চলো দরজার ওপাশে কি আছে দেখে আসি। আমার মনে হয় পুরানো সমাধিকক্ষ ওটা, বলে মোমবাতি হাতে এগিয়ে চললেন প্রফেসর।

দরজার ওপাশে পৌঁছে দেখলাম প্রফেসরের কথাই ঠিক। সমাধিকক্ষই ওটা। ঘরটার তিনদিকে ঘেরা পাথরের নিরেট দেয়ালে কোন দরজা জানালা নেই, এই ভূগর্ভস্থ সমাধিকক্ষে থাকা সম্ভবও নয়।

গেল কোথায় ও? এখানে তো লুকোবার জায়গা দেখছি না, বললেন লর্ড গোডালমিং।

কে লুকোবে? জিজ্ঞেস করলেন প্রফেসর।

কেন, একটু আগে দেখা লোকটা?

ওদের লুকোবার জায়গার অভাব হয় না। হয়ত আমাদের আশেপাশেই কোথাও অদৃশ্য হয়ে আছে।

হঠাৎ মিস্টার মরিসের বিস্মিত কণ্ঠ শুনে সবাই ঘুরে তাকালাম ওর দিকে। কথা

বলে আঙুল দিয়ে ঘরের এক কোণে আমাদের দেখিয়ে দিলেন তিনি। নির্দেশিত দিকে চেয়ে দেখলাম চকচকে ধূলিকণার এক ঘূর্ণি উঠেছে সেখানে। কণাগুলোর আভায় অনেকখানি কেটে গেছে ওদিককার অন্ধকার। ফসফরাসের মত ঝিকমিক করে জ্বলছে নিভছে অসংখ্য ধূলিকণা। আশ্চর্য! এ জিনিসই দেখেছিলাম আমি কাউন্ট ড্রাকুলার প্রাসাদ দুর্গে। ডাইনীতে রূপ নিয়েছিল ওই ধূলিকণা। এখন কিসে রূপ নেবে?

দেখতে দেখতে বীভৎস চিৎকারে কান ঝালাপালা করে দিয়ে কোত্থেকে বেরিয়ে এল হাজার হাজার ইঁদুর। ইঁদুরের লুটোপুটি আর চিৎকারের মাঝেই ক্রমশঃ বড় হতে শুরু করল ধূলিকণাগুলো। জোনাকির সমান বড় হয়েই ঝাক বেঁধে উড়ে এসে আমাদের চারপাশে নির্দিষ্ট একটা দূরত্ব বজায় রেখে ঘুরতে শুরু করলো ওগুলো। বুঝতে পারছি রসুনের মালা আর পবিত্র কুশ সঙ্গে থাকাতেই কাছে ঘেঁষতে পারছে মা পিশাচটা। তবু যদূর সম্ভব ভয় দেখাবার চেষ্টা করছে। আস্তে আস্তে রূপ বদলাতে শুরু করেছে জোনাকিগুলো। হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেল জোনাকিরা। তার পরিবর্তে আমাদেরকে ঘিরে ধপ করে শূন্য থেকে পড়ল একটা প্রকাণ্ড পাইথন। বিশাল মাথাটা তুলে টকটকে লাল চোখ মেলে আমাদেরকে দেখতে থাকল সাপটা।

এক ঝটকায় কোমর থেকে পিস্তলটা বের করে এনে ওটার দিকে নিশানা করলেন মিস্টার মরিস। কিন্তু ট্রিগার টেপার আগেই তার হাত চেপে ধরে বললেন প্রফেসর, গুলি করে কোন লাভ হবে না, মরিস। মরবে না ওটা।

যেন প্রফেসরের কথায় সায় দিতেই খল খল করে বীভৎস হাসি হেসে উঠল সাপটা। বদ্ধ কামরায় সেই শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়ে চতুগুণ ভয়ঙ্কর শোনাল। মরিসের হাত ছেড়ে দিয়ে পকেট থেকে একটা বিস্কুটের মত জিনিস বের করলেন প্রফেসর। ওটার কিছুটা ভেঙে ছুঁড়ে দিলেন সাপটার মাথায়। অবাক কাণ্ড! একটা প্রচণ্ড আর্তচিৎকার করে চোখের পলকে অদৃশ্য হয়ে গেল সাপটা। ওদিকে বেড়েই চলেছে ইঁদুরের চিৎকার। যেন পাগল হয়ে গেছে ওগুলো। আর বেশিক্ষণ এখানে থাকলে ওগুলোর কিচকিচ শব্দে পাগল হয়ে যাব আমরাও।

আমাদের এখানকার কাজ আপাতত শেষ, বলে ভাড়া লাগালেন আমাদের প্রফেসর। চলো বেরোই এ নরক থেকে।

ডারি দরজাটা খুলে বাইরে বেরিয়ে এলাম আমরা। দরজার পা দুটো আবার নাগাবার পর তালা দিয়ে দিলেন প্রফেসর। পুবের আকাশে রঙের ছোপ লাগতে শুরু করেছে তখন। ক্লান্ত পায়ে ডাক্তার সেওয়ার্ডের বাড়ির দিকে রওনা দিলাম আমরা।

ঘরে ফিরে দেখলাম তখনও গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে আছে মিনা। কেমন যেন একটু মান দেখাচ্ছে ওকে। হয়তো সারারাত আমাদের চিন্তায় ঘুমাতে পারেনি, ভোরের দিকে ঘুমিয়ে পড়েছে। ওকে বিরক্ত না করে ঘরের কোণের সোফাটায় এসে গা এলিয়ে দিলাম। মনে মনে ঠিক করলাম একুশটা বাক্সের খোঁজে আজই একবার টমাস মেলিং এর সঙ্গে দেখা করতে হবে। ক্যারীং কনট্রাক্টর সে। পঞ্চাশটা বাক্স কারফারে পুরানো গির্জায় পৌঁছে দেবার দায়িত্ব নিয়েছিল সেই।

.

মিনা হারকারের ডায়েরী থেকে

২ অক্টোবর।

বই পড়ে আর ঘুমিয়ে কেটেছে গতকাল সারাটা দিন। সন্ধ্যার পর থেকেই জোনাথনদের ফিরে আসার অপেক্ষা করতে লাগলাম, কিন্তু রাত এগারোটা বেজে যাবার পরও যখন ওরা ফিরল না, রীতিমত অস্বস্তি বোধ করতে লাগলাম। কি জানি, কোন বিপদে পড়ল নাকি ওরা! কিন্তু প্রফেসরের মত অসমসাহসী আর প্রতিভাবান লোক রয়েছেন ওদের সাথে, ভেবে সান্ত্বনা পেলাম একটু।

বারটা বাজার পরও ফিরল না ওরা। চুপচাপ বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। কিন্তু বিছানায় শুয়েও ঘুম এলো না। চারদিক নিস্তব্ধ নিলুম। ফুটফুটে জ্যোৎস্নায় বাইরের সবকিছুই কেমন ফ্যাকাসে রহস্যময় মনে হচ্ছে। ঠিক এই সময় চোখে পড়ল জিনিসটা। ছেড়া মেঘের মত ছোট্ট এক টুকরো হালকা কুয়াশা ভাসতে ভাসতে এদিকেই এগিয়ে আসছে। বিচিত্র রূপ নিতে নিতে এগিয়ে আসা কুয়াশাটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কেমন যেন নেশাচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম। জানালার বদ্ধ কাঁচের শার্সির কাছে এসে একমুহূর্তের জন্যে থমকে দাঁড়াল কুয়াশাটা, তারপর জানালার বদ্ধ পাল্লার মাঝখানের সামান্য ফাঁক দিয়ে চুইয়ে চুইয়ে ভেতরে ঢুকতে শুরু করল। ঘরের ভেতর ঢুকেই একবার আমার মাথার ওপর পাক খেল কুয়াশার স্তর, তারপর অন্য একটা স্তম্ভের রূপ নিতে শুরু করল। লাল টকটকে দুটো ভয়ঙ্কর চোখ ওই কুয়াশার ভেতর থেকে সরাসরি চেয়ে আছে আমার দিকে। সেই চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কেমন যেন মোগ্রস্তের মত হয়ে পড়লাম। ধীরে ধীরে বুজে এল চোখের পাতা। বোধহয় ঘুমিয়েই পড়েছিলাম। অনেক বেলা করে ঘুম ভেঙেছে আজ। ঘুম ভাঙার পর ভীষণ ক্লান্ত আর অবসন্ন লাগছিল নিজেকে। এখনও কেমন যেন ম্যাজম্যাজ করছে শরীরটা। কথাটা জানাতে হবে প্রফেসরকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *