১.০২ তুষারের উপর দিয়ে

১৬ই জুলাই।

ভোর সাড়ে ছয়টা।

তুষারের উপর দিয়ে তীব্র গতি তুলে ছুটছে হোভারক্রাফট। ওটা ধবধবে সাদা, কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় ওই রঙের যান ব্যবহার করা হয় না। চট করে চিনবার জন্য বেশির ভাগ যানের রং হয় গাঢ় কমলা। খুব দ্রুত চলেছে সাদা হোভারক্রাফট। অনেকেই জানে, অ্যান্টার্কটিকায় যারা আসে, তাদের সত্যিকারের ব্যস্ততা বলতে কিছুই থাকে না। কিন্তু মনে হচ্ছে এই হোভারক্রাফটের আরোহীদের খুবই তাড়া আছে।

রিইনফোর্সড় ফাইবার গ্লাস উইণ্ডস্ক্রিনের ভিতর দিয়ে সামনে চেয়ে আছে মাসুদ রানা। ওর হোভারক্রাফটের স্টারবোর্ডে এক শ গজ দূরে দ্বিতীয় হোভারক্রাফট দেখতে পেল। ওটাও সাদা, বরফে ছাওয়া সমতলের উপর দিয়ে ছুটে চলেছে পাশাপাশি।

থমথম করছে রানার মুখ। হঠাৎ করেই অ্যান্টার্কটিকায় আসতে হয়েছে ওকে। গতকাল মাঝসকালে আমেরিকান স্টেশন ম্যাকমাৰ্ডোয় পৌঁছে পরিস্থিতি ওর কাছে সুবিধাজনক মনে হয়নি।

ফ্রেইটার দ্য মার্ভেল অভ গ্রিস নিয়ে তাসমানিয়ার দক্ষিণ সাগরে ছিল রানা, ওর কাজ ছিল বাংলাদেশ আর্মির ছোট একটা দলকে এ.ও.এস অর্থাৎ অ্যাসল্ট অন সির উপর ট্রেইনিং দেয়া। চলছে ট্রেইনিং, সকাল নটা। এমনসময় হঠাৎ করেই বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের চিফ মেজর জেনারেল (অব.) রাহাত খানের কল এল ওর স্যাটালাইট মোবাইল ফোনে।

রানার বুকের ভিতর ছলাৎ করে উঠল ঊষ্ণ রক্ত। নিশ্চয়ই কিছু একটা ইমার্জেন্সি দেখা দিয়েছে নিশ্চয়ই নতুন কোনও অ্যাসাইনমেন্ট দেবে বুড়ো?

কল রিসিভ করে জী, স্যর, বলতেই গুরুগম্ভীর স্বরে জানালেন রাহাত খান, রানা, আপাতত তোমাদের ট্রেইনিং বন্ধ রাখতে হবে। জরুরি একটা কাজে তোমাদেরকে দরকার।

চুপ করে অপেক্ষা করেছে রানা।

কয়েক মুহূর্ত পর বললেন রাহাত খান, অ্যাডমিরাল জর্জ হ্যামিলটন যোগাযোগ করেছিল। আমার মাধ্যমে তোমার কাছে সাহায্য চাইছে। এর সঙ্গে আমাদের দেশের স্বার্থও জড়িত।

অ্যাডমিরাল আমাদের কাছে কী চাইছেন, স্যর? জানতে চেয়েছে রানা।

খুকখুক করে কাশলেন চিফ, তারপর বললেন, ওর নুমার কয়েকজন বিজ্ঞানী আটকা পড়েছেন উইলকক্স আইস স্টেশনে। তাঁদের তিনজন মারা পড়েছেন গভীর পানিতে নেমে। এ মুহূর্তে আমেরিকান সেনাবাহিনী বলতে ম্যাকমাৰ্ডোয় মেরিন কর্পসের মাত্র কয়েকজন সৈনিক। ওই স্টেশন পাহারা দিতেই তাদের বেশির ভাগকে লাগবে। অবশ্য, তাদের কাছ থেকে সব ধরনের সহায়তা পাবে। হ্যামিলটন জানে, মার্ভেল নিয়ে তাসমানিয়ার কাছেই আছ। বাংলাদেশ আর্মির ট্রেইনি অফিসার, সার্জেন্ট এবং কর্পোরালদের নিয়ে সাহায্যে যেতে পারো। …আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও আর্মি চিফের সঙ্গে কথা বলার পর হ্যামিলটনকে জানিয়ে দিয়েছি, তুমি তোমার দল নিয়ে যাবে। বিরতি দিলেন রাহাত খান।

তুই বললেই যেখানে-সেখানে আমাকে যেতে হবে, শালা? ধমকের সুরে জানতে চাইল রানা, মনে মনে। মুখে বলল, জী, স্যর।

ওখানে কয়েকজন বিখ্যাত বাংলাদেশি ও আমেরিকান বিজ্ঞানী কাজ করছিলেন। তোমাদের কাজ হবে তাদেরকে উদ্ধার করে নিরাপদে ম্যাকমাৰ্ডোয় পৌঁছে দেয়া। চুপ হয়ে গেলেন রাহাত খান। কয়েক মুহূর্ত পর বললেন, গতরাতে উইলকক্স আইস স্টেশন থেকে রেডিয়ো বার্তা পাওয়া গেছে। ওরা আকুল হয়ে সাহায্য চেয়েছে। বলেছে, ওদের ওখানে নাকি একটা স্পেসশিপ আছে। অবিশ্বাস্য! …তোমার যদি সুযোগ হয়, সরেজমিনে দেখবে ওখানে আসলে কী ঘটছে।

জী, স্যর।

এবং ধরে নিতে পারো, ক্ষমতাশালী বেশ কিছু দেশ এরই ভিতর আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

তার মানে, স্যর, ওখানে পৌঁছবার পর আমাদের উপর হামলা আসতে পারে?

হ্যাঁ, আমি ভয়ানক বিপদের আশঙ্কা করছি। খুব সতর্ক থাকতে হবে তোমাদের।

রানাকে কথা বলবার সুযোগ দিয়েছেন রাহাত খান, তারপরও প্রাণপ্রিয় শিষ্য চুপ করে আছে দেখে সাত সেকেণ্ড অপেক্ষার পর কেটে দিয়েছেন লাইন।

উইণ্ডস্ক্রিনের ভিতর দিয়ে আবারও সামনের ধূসরতার দিকে চাইল রানা।

ফিসফিস এক, শুনছেন, স্যর?

রেডিয়োতে বলল রানা, ফিসফিস দুই, ফিসফিস এক বলছি। …কী?

স্যর… সার্জেন্ট হোসেন আরাফাত দবিরের গম্ভীর, মোটা কণ্ঠ হঠাৎ করেই হারিয়ে গেল। গত বিশ ঘণ্টায় অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের আয়োনোস্ফেরিক পরিস্থিতি খুব মন্দ হয়ে উঠেছে। শুরু হয়েছে প্রচণ্ড একটা সোলার ফ্লেয়ার। ওটার কারণে ব্যাহত হচ্ছে সব ধরনের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম। এমন কী বন্ধ হয়েছে সাধারণ শর্ট-রেঞ্জ ইউএইচএফ ট্রান্সমিশনও। মাত্র এক শ গজ দূরের হোভারক্রাফটে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে উঠেছে। উইলকক্স আইস স্টেশনে বার্তা পাঠানো তো পুরোপুরি অসম্ভব।

স্ট্যাটিক আবারও কমে এসেছে, স্পিকারে আরাফাতের কণ্ঠ ফিরল, স্যর, আপনার মনে পড়ে একঘন্টা আগে মুভিং কন্ট্যাক্ট ধরা পড়ে?

হ্যাঁ।

গত একঘণ্টা ধরে ফিসফিস দুইয়ের ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্ট উল্টো দিক থেকে আসা এমিশন ধরেছে। ওই হোভারক্রাফট দ্রুত চলেছে ফ্রেঞ্চ উপকূলীয় রিসার্চ স্টেশন ডুমো ডিখ-ঈলেখের দিকে।

তাতে কী, সার্জেন্ট?

স্যর, এখন আমি আর ওটাকে খুঁজে পাচ্ছি না।

দূরে চাইল রানা। আপনি শিয়োর?

এখন আর আমাদের স্কোপে কোনও রিডিং নেই, স্যর। হয় ইঞ্জিন বন্ধ করেছে, নয়তো হঠাৎ করেই অদৃশ্য হয়েছে।

এক মুহূর্ত ভাবল রানা, চট করে পিছনে দেখে নিল পারসোনেল কম্পার্টমেন্টের ভিতরটা। দুই পাশে বসেছে চারজন। মাঝে একজন। তাদের দুজন আমেরিকান মেরিন কর্পসের সদস্য। অন্য তিনজন বাংলাদেশ আর্মির। প্রত্যেকের পরনে স্লো ফেটিগ। কোলের উপর সাদা-ধূসর কেভলার হেলমেট, বুকে একই রঙা বডি আর্মার। পাশে ঠেস দিয়ে রাখা ধূসর-সাদা অটোমেটিক রাইফেল। রানা, বাংলাদেশ আর্মির অফিসার ও সৈনিকদের জন্য ওই একই জিনিস দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া, প্রত্যেককে সরবরাহ করা হয়েছে অন্যান্য আরও অস্ত্র ও যন্ত্রপাতি।

উইলকক্স আইস স্টেশন থেকে ডিসট্রেস সিগনাল পাওয়ার পর এরইমধ্যে কেটে গেছে দুই দিনেরও বেশি। আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রওনা হয়ে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার পেরিয়ে পৌঁছেছে রস সাগরে। ওই সাগরের তীরে উত্তর আমেরিকা, সারাবছর এক শ চারজন লোক রাখে স্টেশন ম্যাকমাৰ্ডোয়। ঊনিশ শ বাহাত্তর সালে ওখানেই ইউএস নেভি তাদের নিউক্লিয়ার বোমা পরীক্ষা করেছিল। ছি-ছি করেছিল পৃথিবীর মানুষ। এরপর নতুন করে ওখানে বোমা ফাটানো হয়নি, দক্ষিণ পোল যেতে হলে ওই পথেই যেতে হয় ইউএসএকে। গত বিকেলে ম্যাকমার্ডো থেকে রওনা হয়েছে রানার দল ও কয়েকজন মেরিন সৈনিক। ওদের গন্তব্য: নয় শ মাইল। তুষার ছাওয়া প্রান্তর পাড়ি দিয়ে ইউএস রিসার্চ ফ্যাসিলিটি উইলকক্স আইস স্টেশন।

নির্জন এলাকায় খুব ছোট একটা স্টেশন। অ্যান্টার্কটিকায় এ ধরনের খুদে স্টেশনও খুব কম। সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী ছয় শ মাইল দূরে। উইলকক্স স্টেশন একটা আমেরিকান পোস্ট, ডাল্টন আইসবার্গ থেকে একটু দূরে কোস্টাল আইস শেলফের উপর। শত শত মাইল বিরান ভূমিতে, বরফের ধূ-ধূ প্রান্তরের উপর বইছে ঝোড়ো হাওয়া। সাগরের দিকে তিন শ ফুট উঁচু পাথুরে ক্লিফ, ওখানে সারা বছরই ষাট ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ে।

আকাশ পথে উইলকক্স স্টেশনে যাওয়া অসম্ভব কাজ। এই শীতে বইছে মাইনাস তিরিশ ডিগ্রি ব্লির্ড, পর পর তিন সপ্তাহ ধরে চলছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন: কমপক্ষে আরও একমাস চলবে এই চরম পরিবেশ। হেলিকপ্টারের রোটর বা জেট ইঞ্জিন মাঝ আকাশে জমে গিয়ে বিধ্বস্ত হবে নির্ঘাত।

সাগরের দিক দিয়ে যেতে হলে ডিঙিয়ে আসতে হবে তিন শ ফুট উঁচু বরফের ক্লিফ। ইউএস নেভি এককথায় বলে দিয়েছে: ওদিক দিয়ে উঠতে যাওয়া মানেই আত্মহত্যা করা।

অর্থাৎ, তুষার ছাওয়া জমির উপর দিয়েই আসতে-যেতে হবে। তার মানেই, ব্যবহার করতে হবে হোভারক্রাফট। বাংলাদেশ আর্মির পাঁচজন অফিসার ও সৈনিক ও রানা, মোট ছয়জন চলেছে। ওদিকে আমেরিকান কর্তৃপক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে মেরিন কর্পস-এর ছয়জন সৈনিক। এদের সবার নেতৃত্বে রয়েছে মাসুদ রানা।

হোভারক্রাফটের ওই সিগনাল নিয়ে আবারও ভাবল রানা। মানচিত্রে ম্যাকমার্ডো, ডিখ-ঈলেখ ও উইলকক্স আইস স্টেশন প্রকাণ্ড এক ত্রিকোণ তৈরি করেছে। উপকূলে দুটো বাহু ডিখঈলেখ ও উইলকক্স স্টেশন, ওদিকে বহু দূরের জমিতে রস সাগরের তীরে ম্যাকমার্ডো শেষ বাহু।

দ্বিতীয় ফিসফিস যে সিগনাল পেয়েছে, ওটা গেছে উপকূলে ডুমো ডিখ-ঈলেখের দিকে। হোভারক্রাফটের গতিবেগ ছিল কমবেশি চল্লিশ মাইল। এ থেকে আঁচ করা যায়, ওটা সাধারণ হোভারক্রাফট। অবশ্য এমনও হতে পারে, উইলকক্স স্টেশনের ডিসট্রেস সিগনাল ধরতে পেরেছে ডিখ-ঈলেখের ফ্রেঞ্চরা, এবং সে কারণেই সাহায্য করতে ছুটে এসেছে। এখন ফিরছে নিজ স্টেশনের দিকে।

আবারও রেডিয়ো চালু করল রানা, সার্জেন্ট, শেষ কখন সিগনাল পেয়েছেন?

খড়মড় করে উঠল রেডিয়ো। আট মিনিট আগে, স্যর। রেঞ্জফাইণ্ডার কন্ট্যাক্ট। আগের ইলেকট্রনিক সিগনেচারের মতই। একইদিকে গেছে। একই সিগনাল, স্যর। আট মিনিট আগে ওখান থেকেই হারিয়ে গেছে।

যেন নরক হয়ে উঠেছে পরিবেশ, দিগন্ত থেকে কাত হয়ে আসছে আশি মাইল গতিবেগের তুমুল ঝড়। সাদা তুষার ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। সাধারণ রেইডার স্ক্যানিং কোনও কাজে আসবে না। আয়োনোস্ফেয়ারে সোলার ফ্লেয়ারের কারণে বিকল হয়েছে রেডিয়ো কমিউনিকেশন। তার উপর লো প্রেশার সিস্টেম কানা করে দিয়েছে সবার রেইডার।

এমন জটিল পরিস্থিতি হতে পারে ভেবেই হোভারক্রাফটের ছাতে বসানো হয়েছে রেঞ্জফাইণ্ডার। প্রতিটি রিভলভিং টারেটে এক শ আশি ডিগ্রি নজরে রাখছে রেঞ্জফাইণ্ডার; নিডল নামে পরিচিত হাই-পাওয়ার্ড ফোকাল বিম ছুঁড়ছে। ওটা সাধারণ রেইডার নয় যে পৃথিবীর বাঁকে গিয়ে ক্ষমতা হারাবে। নিডল পৃথিবীর মাটি ছুঁয়ে চলে, দিগন্ত পেরিয়ে পৌঁছে যায় প্রায় পঞ্চাশ মাইল দূরে। কোনও লাইভ অবুজেক্ট, সেটা কেমিকেল, জন্তু বা ইলেকট্রনিক হোক, ঠিকই ওটাকে রেকর্ড করবে নিডল। ম্যাকমার্ডো থেকে রওনা হওয়ার পর রেঞ্জফাইণ্ডার অপারেটার কর্পোরাল নাজমুল বলেছে, স্যর, পরীক্ষা করেছি, কোনও জিনিস যদি বলকে ওঠে, শ্বাস নেয়, বা বিপবিপ আওয়াজ করে, এই রেঞ্জফাইণ্ডার ঠিকই তাকে ধরে ফেলে।

রেডিয়ো চালু করল রানা, সার্জেন্ট, সিগনাল কোথায় বন্ধ হয়েছে? আমরা ওটা থেকে কত দূরে?

আমরা কমবেশি নব্বই মাইল দূরে, স্যর, জবাব দিল সার্জেন্ট হোসেন আরাফাত দবির।

ধবধবে সাদা দিগন্তের দিকে চাইল রানা। এক মুহূর্ত পর বলল, ঠিক আছে। যান, চেক করে দেখে আসুন।

জী, স্যর।

এবারের ট্রেইনিঙে গত একমাস ধরে সার্জেন্ট হোসেন আরাফাত দবিরকে নতুন করে চিনছে রানা। পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সী শক্তপোক্ত লোক সে, মুষ্টিযোদ্ধার মত কঠোর চেহারা, কমপক্ষে তিনবার ভেঙেছে নাক। চোখদুটো গভীর গর্তে বসানো, মোটা বিছার মত ভুরু। কাজে কোনও খুঁত রাখে না সে। কাজের সময় গম্ভীর, কিন্তু কাজ না থাকলে সবসময় হাসির কথা বলে। কেন যেন প্রথম থেকেই রানাকে খুব শ্রদ্ধার সঙ্গে নিয়েছে সে, প্রায় প্রতিটা কথা স্যর না বলে শুরু বা শেষ করে না।

আমরা উইলকক্স আইস স্টেশনের দিকে চলেছি, বলল রানা। আপনারা দেখে আসুন কোথায় গেছে ওই সিগনাল। কাজ শেষে সোজা স্টেশনে চলে আসবেন।

জী, স্যর।

দুই ঘণ্টার ভিতর ফিরবেন। রেঞ্জফাইণ্ডার পিছন দিকে চালু করুন। পিছনে কেউ থাকলে আমি আগেই জানতে চাই।

জী, স্যর।

ও, আরেকটা কথা, বলল রানা।

সেটা কী, স্যর?

কাউকে বেশি খাটাবেন না।

জী, স্যর।

ফিসফিস এক, আউট।

ফিসফিস দুই, আউট।

পাঁচ সেকেণ্ড পর ডানদিকে বাঁক নিল দ্বিতীয় হোভারক্রাফট, সোজা ঢুকে পড়ল তুষার-ঝড়ের ভিতর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *