০২. গাছ-গাছালির ভেতর দিয়ে একটা রাস্তা

গাছ-গাছালির ভেতর দিয়ে একটা রাস্তা চলে গিয়েছে বাগানের শেষ মাথায়, তারপর বেড়া। বেড়ার ওপারে পাহাড়, জঙ্গল। ওই রাস্তা ধরে পা টিপে টিপে এগোতে লাগলাম আমরা। উবু হয়ে আছি, যেন মাথা ঠুকে না যায় গাছের ডালে। রান্নাঘরের পাশ দিয়ে যাবার সময় আচমকা একটা গাছের শেকড়ে বেধে হোঁচট খেলাম আমি। পড়ে যাবার শব্দ হল। টম আর আমি মাটি কামড়ে পড়ে রইলাম চুপচাপ। রান্নাঘরের চৌকাঠে বসে ছিল জিম, মিস ওয়াটসনের নিগ্রো গোলাম। বাতির দিকে পিঠ দিয়ে আছে ও, পরিষ্কার তাকে দেখতে পাচ্ছি আমরা।

শব্দ শুনে উঠে দাঁড়াল জিম। গলা বাড়িয়ে বোঝার চেষ্টা করল কী ব্যাপার, তারপর বলল, কে?

নিঃসাড়ে পড়ে রইলাম আমরা। কান খাড়া করে আরও কিছু শোনার চেষ্টা করল জিম। তারপর পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে আমাদের দিকে নিঃশব্দে এগিয়ে এল। আঁধারে প্রায় গা ঘেঁষে আমাদের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়ে পড়ল সে। বেশ কয়েক মিনিট কেটে গেল এভাবে, ঠায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে জিম, কথা বলছে না কোন। আমার পায়ের গোড়ালির এক জায়গায় চুলচুল করে উঠল। চুলকোতে সাহস হল না। একটু পর কানের কাছে চুলকোতে লাগল। তারপর পিঠ–ঠিক দুকাঁধের মাঝখানে। মনে হল, চুলকোতে না পারলে মরেই যাব বুঝি। ওই ঘটনার পর বহুবার লক্ষ্য  করেছি: বড্ড বেমক্কা চুলকানি পেয়ে বসে মানুষকে। এমন কোন আসরে বা সমাজে, যেখানে হয়ত চুকোনো চলবে না, ঠিক সেখানেই হাজার বারের বেশি চুলচুল করে শরীর।

কে? সাড়া দাও! খানিক বাদে আবার শোনা গেল জিমের গলা! এই গ্যাট হয়ে বসলাম। ফের আওয়াজ না শোনা অবধি উঠছি না।

টম আর আমার মাঝখানে একটা গাছের সাথে পিঠ ঠেকিয়ে বসল ও। পা দুখানা এমন ভাবে ছড়িয়ে দিল, ওর একটা পা আমার পা ছোয়-ছোয়। এবার নাক চুলকোতে লাগল আমার। চুলকানির ঠেলায় পানি এসে গেল চোখে। কিন্তু চুলকোতে সাহস পেলাম না। একটু বাদে নাকের ভেতরটা চুলচুল করে উঠল, তারপর কাপড়ের তলায়। অধৈর্য হয়ে উঠলাম আমি। ছ-সাত মিনিট চলল এরকম। কিন্তু সময়টা আরও দীর্ঘ মনে হল। আমার দেহের প্রায় এগার জায়গায় চুলকোচ্ছে এখন। মনে হচ্ছে আর এক মিনিটও সহ্য করা সম্ভব নয় বুঝি। শেষে দাঁতে দাঁত চেপে চুলকোবার জন্যে তৈরি হচ্ছি, এমন সময় হঠাৎ ভারি হয়ে এল জিমের নিশ্বাস-তারপর নাক ডাকতে শুরু করল। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম আমি।, টমের ইশারায় আবার রওনা হলাম আমরা। তিন চার হাত গিয়েছি হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল টম।

জিমকে গাছের সাথে বাঁধতে পারলে বেশ মজা হয়, হাক, ফিসফিস করে বলল ও।

নিষেধ করলাম। জেগে গিয়ে চেঁচামেচি বাঁধাবে। ধরা পড়ে যাব আমরা, বললাম।

তখন টম জানাল, তার কাছে বেশি মোমবাতি নেই। চট করে রান্নাঘরে ঢুকে গোটা কয়েক মোম আনতে চায়। তাতেও আমার আপত্তি; কেননা, জিম জেগে ওঠার ভয় আছে। কথাটা জানাতে টম বলল, ঝুঁকিটা সে নেবে। অগত্যা চোরের মত ঢুকে রান্নাঘর থেকে তিনটে মোম নিলাম আমরা। দাম বাবদ টেবিলের ওপর পাঁচটা সেন্ট রাখল টম। ওখান থেকে সরে পড়ার জন্যে ঘেমে নেয়ে উঠলাম আমি, কিন্তু টমের ওসব বালাই নেই। গুটিসুটি মেরে জিমের দিকে এগিয়ে গেল সে। ওর জন্যে অপেক্ষা করছি আমি। চারদিকে সবকিছু নীরব-নিথর।

কিছুক্ষণ পর ফিরে এল টম। বাগানের বেড়ার পাশ দিয়ে পথ কেটে বাসার উল্টোদিকে যে পাহাড়টা, তার চুড়োয় গিয়ে দাঁড়ালাম আমরা। জিমের হ্যাটটা গাছের ডালের সাথে বেঁধে ঠিক ওর মাথার ওপর ঝুলিয়ে রেখে এসেছে সে, টম জানাল। জিম অবশ্য একট নড়াচড়া করেছিল, তবে জাগেনি।

ক্রিকের ধারে এগিয়ে গেলাম আমরা। দূর-নিচে, গ্রামে কয়েকটা বাতি জ্বলছে। মিটমিট করে—বোধহয় কারও অসুখ। মাথার ওপর তারার হাট বসেছে যেন, ঝিকমিক জ্বলছে। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাইলখানেক চওড়া নদী, ভয়ঙ্কর রকমের স্তব্ধ আর সুন্দর। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামলাম। দেখলাম, জো হার্পার, বেন রজার্স এবং আরও দু তিনটে ছেলে চামড়ার কারখানায় লুকিয়ে আছে। ঘাটে বাঁধা একটা নৌকো খুলে নিলাম আমরা। প্রায় আড়াই মাইলটাক যাবার পর পাহাড়ের একটা ফাটলের ধারে ভেড়ালাম নৌকোটা। পাড়ে উঠলাম।

প্রথমে একটা ঝোপের ভেতর গিয়ে বসলাম। সেখানে টম গোপনীয়তা রক্ষার শপথ করাল আমাদের। তারপর পাহাড়ের গায়ে, যেখানে ঝোপ ঘন, একটা গুহা দেখাল ও। মোম জ্বেলে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে গেলাম গুহার দিকে। দুশ গজ মত যাবার পর স্পষ্ট নজরে এল ওটা। টম এদিক-ওদিক তাকিয়ে ভেতরে ঢোকার রাস্তা খুঁজতে লাগল। পাহাড়ের ঢালের গায়ে একটা কিছু চোখে পড়ায় উবু হয়ে দেখল, নিচের দিকে একটা ঝোপের আড়ালে ভেতরে যাবার রাস্তাটা ঢাকা পড়েছে। হঠাৎ দেখলে ওটাকে গুহামুখ বলে চেনা মুশকিল। সরু করিডর ধরে ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে একটা গুহার ভেতর গিয়ে হাজির হলাম আমরা।

এবার আমরা ডাকাত দল গড়ব, ঘোষণা করল টম। এর নাম হবে টম সয়্যারের ডাকাত দল। এই দলে যারা যোগ দিতে চায় তাদের সবাইকে শপথ নিতে হবে। আর রক্ত দিয়ে তাদের নাম লিখতে হবে।

সবারই সমান উৎসাহ যোগ দেয়ার। একটা কাগজে শপথটা লিখে পড়ে শোনাল টম: দলের নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। কোন গোপন কথা ফাঁস করা চলবে না। দলের কাউকে কেউ কিছু বললে, যে সদস্যকেই হুঁকুম দেয়া হবে, সে নির্দয়ভাবে সেই লোক বা তার পরিবারকে খুন করবে। কাজটা করতে না পারা পর্যন্ত খাওয়া-ঘুম হারাম করতে হবে তাকে। খুন করার পর মৃত ব্যক্তির বুকে দলের চিহ্ন এঁকে দিতে হবে। দলের সদস্য ছাড়া আর কেউ এই ছাপ ব্যবহার করতে পারবে না। করলে, তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। এরপরেও যদি সে কথা না শোনে, তাকেও খুন করা হবে। দলের কেউ গোপন কথা ফাঁস করলে তার গলা কেটে ফেলা হবে। এবং তার লাশ পুড়িয়ে চারপাশে ছড়িয়ে দেয়া হবে সেই ছাই। তারপর তালিকা থেকে রক্ত দিয়ে কেটে দেয়া হবে তার নাম। এবং কঠিন অভিশাপ দিয়ে তাকে ভুলে যাবে সবাই।

শপথনামাটা মনে ধরল সবার। টমকে জিজ্ঞেস করলাম আমরা, এটা তার নিজের মাথা থেকে বেরিয়েছে কি-না। জবাবে সে জানাল, কতকটা তা-ই বটে। তবে ডাকাতদের গল্প-কাহিনী থেকেও নিয়েছে কিছু।

কেউ কেউ প্রস্তাব দিল, যেসব সদস্য গোপনীয়তা ফাঁস করবে, তাদের পরিবারকে মেরে ফেলা উচিত। প্রস্তাবটা পছন্দ হল টমের। শপথনামায় ধারাটা সে যোগ করল।

আস্থা, হাকফিন, বলল বেন রজার্স, যার কেউ নেই তার বেলায় কী হবে?

কেন, তার কি বাপও নেই! বলল টম।

হ্যাঁ, আছে, বললাম আমি। যেমন আমার কথাই ধর। বাবাকে আজকাল আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় মাতাল অবস্থায় শুয়োরপালের সাথে চামড়ার গুদামের উঠোনে শুয়ে থাকতে দেখা যেত, কিন্তু এখন বছর খানেক হল তার আর খোঁজ-পাত্তা নেই।

আলোচনায় বসল দলের সবাই। কেউ কেউ বলল দল থেকে আমাকে বাদ দিতে। কারণ প্রত্যেকেরই খুন করার মত স্বজন থাকা উচিত। নয়ত অন্যের প্রতি সেটা সুবিচার হবে না। কোন সুরাহা বের করতে পারল না কেউ। কেমন যেন চুপসে গেল সবাই, চুপ করে বসে রইল। আমার তখন প্রায় কেঁদে ফেলার অবস্থা। হঠাৎ মনে হল, হ্যাঁ, উপায় তো আছে একটা। স্বজন হিসেবে মিস ওয়াটসনের নাম পেশ করলাম আমি। বললাম, তাকে খুন করলেও তো চলতে পারে।

হ্যাঁ, হ্যাঁ। সে হলেও চলবে। ঠিক আছে, হাক থাকছে দলে, একযোগে বলল সবাই।

এরপর একটা পিন ফুটিয়ে আঙুল ছ্যাঁদা করলাম আমরা। রক্ত দিয়ে সই করলাম কাগজে।

আচ্ছা, বলল বেন, কী ধরনের কাজ করব আমরা?

ডাকাতি, নরহত্যা-ব্যস। বলল টম।

কোথায়? বাড়ি-ঘরে, না পশু-টশু…

ধেৎ! পশু ছিনতাই আবার একটা কাজ হল। ও তো স্রেফ চুরি, বিরক্তি প্রকাশ করল টম। আমরা চোর নই। চুরি কোন উঁচুদরের কাজ নয়। আমরা ডাকাত। মুখোশ এঁটে স্টেজ বা ওয়াগনের ওপর চড়াও হব। সওয়ারিদের খুন করে তাদের মালসামান লুট করব।

খুন-খারাপি কি আদৌ জরুরি?

আলবত। ওটাই তো সবার সেরা। এ নিয়ে অবশ্য মতভেদ আছে। তবে বেশির ভাগ ডাকাতই মনে করে হত্যা করাটাই সবচেয়ে ভাল। কখন-সখন গুহায় আটকে রাখাও যেতে পারে। মুক্তিপণ দিলে ছাড়া পাবে।

মুক্তিপণ? সে আবার কী?

আমি নিজেও জানি না, বলল টম। বইতে পড়েছি। আমাদেরও করতে হবে।

কিন্তু না জানলে করব কীভাবে?

একটা কাজ করা যায়। আমরা যদি ওদের আমরণ আটকে রাখি তবে মুক্তিপণ জানার মত একটা কিছু ঘটবে নিশ্চয়ই। আর তা ঘটলেই জানাটা সহজ হয়ে যাবে।

তা ঠিক। কিন্তু ওরা সব কিছু খেয়ে সাবড়ে দেবে…এবং পালাতে চেষ্টা করবে।

কী যে বল, বেন। একগাল হাসল টম। একজন পাহারাদার থাকবে না? কুটোটা নাড়লেও গুলি করবে সে।

পাহারাদার! চমৎকার! তা কে সারারাত জাগবে শুনি?

কিচ্ছু করার নেই। বইতে যা লেখা আছে, তার বাইরে যেতে পারব না আমরা।

বেশ। এবার বল, মহিলাদেরও খুন করব?

বেন রজার্স! ঝাঁঝাল সুরে বলল টম, বোকার মত কথা বলছ কেন? মেয়েদের খুন করার প্রশ্নই ওঠে না। গল্পের ডাকাতরা গুহায় নিয়ে আসে তাদের। মিষ্টি ব্যবহার করে। কিছুদিন পর ডাকাতদের প্রেমে পড়ে যায় ওরা এবং ওদের ছেড়ে যাবার নামও আনে না মুখে।

তারমানে, বলল বেন, অল্পদিনের ভেতর ফালতু মানুষে ভরে উঠবে গুহা। আমাদের থাকার জায়গা থাকবে না। তা হোক। আমার আপত্তি নেই।

ঘুমে ঢলে পড়েছিল ছোট্ট টমি বার্নস। ডেকে তোলা হল তাকে। আচমকা ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ভয়ে চেঁচিয়ে উঠল টমি। বলল, বাড়ি যাবে। ডাকাত হবার শখ নেইI

ছিচকাঁদুনে বলে তাকে খ্যাপালাম আমরা। ভীষণ চটে গেল টমি। ভয় দেখাল, সব ফাঁস করে দেবে। ওকে পাঁচটা সেন্ট ঘুষ দিয়ে শান্ত করল টম!

এরপর টমকে দলপতি বানানো হল। ঠিক হল, ও না থাকলে নেতৃত্ব দেবে বেন। আসছে রোববারেই প্রথম অপারেশন করতে চাইল বেন, সপ্তাহের ওই দিনটাতে তার কোন কাজ থাকে না। কিন্তু অন্য ছেলেরা রাজি হল না। বলল, ওইদিন ডাকাতি করা উচিত হবে না। তখন ঠিক হল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবার একত্র হব আমরা। এবং সেই মিটিংয়েই দিন ধার্য করা হবে।

একটু পর বাড়ি-মুখো হলাম আমরা। আমি কারনিস বেয়ে জানলা গলে ঘরে ঢুকলাম। পুবের আকাশে আলো ফোটেনি তখনও, সবে ফরসা হতে শুরু করেছে। আমার নতুন জামা-কাপড় সব কাদামাটিতে একাকার, ক্লান্তিতে ভেঙে আসছে শরীর।

সকালে বেশ একচোট ঝড় বয়ে গেল আমার ওপর দিয়ে। নোংরা পোশাকের জন্যে বকাবকি করল মিস ওয়াটসন। তবে বিধবা কিছু বলল না, নীরবে গলা মোম আর কাঁদার দাগ সাফ করল কাপড় থেকে। বিষন্ন দেখাচ্ছিল তাকে। ঠিক করলাম, পারলে, অন্তত কয়েকটা দিন ভাল থাকার চেষ্টা করব।

আমাকে প্রার্থনা করতে উপদেশ দিল মিস ওয়াটসন। এতে নাকি যা চাওয়া যায়, তা-ই পাওয়া যায়। একদিন জঙ্গলে গিয়ে ভাবলাম বিষয়টা নিয়ে। প্রার্থনাতে যদি লাভই হবে, পাদ্রি উইল মাংস কিনতে গিয়ে যে-টাকাটা খোয়ালেন, সেটা ফেরত পেলেন না কেন? নিজেকে প্রশ্ন করলাম। বিধবা কেন তার হারানো নস্যির কৌটো ফিরে পেল না? আর মিস ওয়াটসনই-বা মোটাতাজা হয় না কেন? নাহ্! নিজেকে বোঝালাম, প্রার্থনায় কিস্যু হয় না।

বছরখানেক হল বাবার কোন খোঁজ ছিল না। এতে অবশ্য সুখেই ছিলাম আমি। হুঁশ অবস্থায় আমাকে হাতের কাছে পেলেই উত্তম-মধ্যম দিত বাবা। হঠাৎ একদিন শুনলাম বাবা নাকি মারা গেছে। শহর থেকে বার মাইল দূরে নদীতে একটা লাশ ভাসতে দেখে পাড়ে এনে তাকে গোর দিয়েছে লোকেরা। মুখ দেখে লোকটাকে শনাক্ত করা যায়নি। বহুক্ষণ পানিতে থাকায় চেহারা বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। তবে দেহের গড়ন আর দীর্ঘ চুল থেকে সবার অনুমান, লোকটা আমার বাবা-ই হবে। ওদের কাছ থেকে এ-ও শুনলাম, লাশটা নাকি চিত হয়ে আসছিল।

বাবার মৃত্যু-খবর শুনে খুব বেশি শান্তি পেলাম না। কারণ মাথায় তখন একটা চিন্তা এসে ঢুকেছে: পুরুষ মানুষ মরলে চিত হয়ে ভাসে না, ভাসে উপুড় হয়ে। তার মানে, ওটা বাবার লাশ না; নিশ্চয়ই বেটাছেলের পোশাকে কোন মেয়েলোক হবে। একটা অস্বস্তি এসে ভর করল আমাকে। নির্ঘাত বুড়ো একদিন এসে হাজির হবে আবার-যদিও মনে মনে চাইছিলাম, কোনদিন সে না এলেই ভাল।

0 thoughts on “০২. গাছ-গাছালির ভেতর দিয়ে একটা রাস্তা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *