১০. দাক্ষায়ণীকে শিবের বর প্রদান

দশমধ্যায়দাক্ষায়ণীকে শিবের বর প্রদান

মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–অনন্তর, সতী, পুনরায় আশ্বিন মাসের শুক্লাষ্টমীতে উপবাস করিয়া দেব-দেব মহাদেবকে ভক্তিভাবে পূজা করিলেন। ১

এই নন্দাব্ৰত পরিপূর্ণ হইলে নবমীতিথিতে দিনমানে, মহাদেব, সেই ভক্তি নম্রা সতীর প্রত্যক্ষ-গোচর হইলেন। ২

সতী মহাদেবকে প্রত্যক্ষ দেখিয়া আনন্দিত চিত্তে অথচ লজ্জাবনত বদনে তাহার চরণযুগল বন্দনা করিলেন। ৩

সতীর তপস্যা-ফলদানে উদ্যত মহাদেব, তাঁহাকে ভার্যা করিতে ইচ্ছুক হইলেও সেই নন্দাব্রতধারিণী সতীকে বলিলেন,–দক্ষনন্দিনী! তোমার এই ব্ৰত দ্বারা আমি প্রীত হইয়াছি, নিজ অভিমত বর যাহা হয় প্রার্থনা কর, তাহা আমি দিব। ৪-৬

মার্কণ্ডেয় বলিলেন, জগৎপতি মহাদেব; তাঁহার অভিপ্রায় জানিয়া কেবল তাহার নিকটে সেই কথাটি শুনিবার জন্যই বলিলেন, “বর প্রার্থনা কর”। ৭।

সতীও তখন লজ্জাবশতঃ মনোগত ভাব ব্যক্ত করিতে পারিলেন না। কেননা, বালিকার মনোরথ, লজ্জার ঘন-আবরণে আবৃত। ৮

এই সময়ে কাম, মহাদেবের চক্ষু ও মুখের ভঙ্গী দর্শনে তাঁহাকে স্ত্রী পরি গ্রহে অভিলাষী বুঝিয়া অতি গোপনে শরাসনে কুসুমশর সন্ধান করিলেন। ৯

অনন্তর “হর্ষণ” বাণ দ্বারা মহাদেবের হৃদয় বিদ্ধ করিলেন। তখন হর্ষান্বিত পরমেশ্বর শম্ভু, পরম ব্রহ্মচিন্তা ভুলিয়া বারবার সতীর প্রতি দৃষ্টিপাত করিতে লাগিলেন। ১০

অনন্তর মনোভব মোহবাণ দ্বারা শিবকে বিদ্ধ করিলেন। তখন হর্ষযুক্ত সেই মহাদেব অত্যন্ত মোহিত হইলেন। ১১

হে দ্বিজোত্তমগণ! তিনি তখন শুধু কামবাণে নহে, মায়া-প্রভাবেও মোহিত হইয়া হর্ষ ও মোহের ভাব প্রকাশ করিতে লাগিলেন। ১২

অনন্তর, সতী কথঞ্চিৎ নিজ লজ্জা সংযত করিয়া মহাদেবকে বলিলেন, ‘আমার অভিলষিত বরদান কর’। ১৩

তখন সেই কথা শেষ না হইতে হইতেই বৃষধ্বজ, সেই বাক্যের প্রতিধ্বনির ন্যায় দাক্ষায়ণীকে বারবার বলিলেন ‘তুমি আমার ভাৰ্য্যা হও’। ১৪

সতী, নিজ অভীষ্ট ফল-সাধন এই শিব বাক্য শ্রবণ করত মনোমত বর লাভে আনন্দিত হইয়া মৌনভাবে রহিলেন। ১৫

হে দ্বিজোত্তমগণ! চারুহাসিনী সতী, কামভাবাপন্ন শিবের সম্মুখে নিজ হাবভাব প্রকাশ করিতে লাগিলেন। ১৬

হে বিপ্রেন্দ্রগণ! তখন শৃঙ্গার রস স্বীয়ভাব সমুদায় গ্রহণপূর্বক তাহাদিগের উভয়ের অভ্যন্তরে প্রবেশ করিল। কলা এবং হাব ইহারাও উপযুক্ত মত প্রবিষ্ট হইল। ১৭

স্ফটিকোজ্জ্বল মহাদেবের সমীপে সেই স্নিগ্ধ দলিতাঞ্জন-সমপ্রভা দাক্ষায়ণী চন্দ্ৰমধ্যে কলঙ্করেখার ন্যায় শোভা পাইতে লাগিলেন। অনন্তর দাক্ষায়ণী মহাদেবকে বার বার এই বলিতে লাগিলেন যে, হে জগদীশ্বর। আমার পিতাকে জানাইয়া আমাকে গ্রহণ কর। ১৮-১৯

দেবী সতী অল্প অল্প হাসিতে হাসিতে সেই ঐ কথা বলিলেন, কামমোহিত মহাদেবও তখনই “আমার ভাৰ্য্যা হও” বলিতে লাগিলেন। ২০

অনন্তর রতি-বসন্ত-সহ মদন এই ব্যাপার দেখিয়া শিবকে হস্তগত করিতে সতত যত্নশীল থাকিলেন এবং আপনাকে আপনি ধন্যবাদ দিতে লাগিলেন। ২১

হে দ্বিজোত্তমগণ! অনন্তর দাক্ষায়ণী, শম্ভুকে আশ্বাস দিয়া হর্ষ-মোহা ক্ৰান্তভাবে মাতৃসমীপে গমন করিলেন। ২২।

মহাদেবও হিমালয় প্রস্থে আপনার আশ্রমে প্রবিষ্ট হইয়া দীক্ষায়ণী-বিরহ দুঃখ ভোগ করিতে লাগিলেন। ২৩

দারপরিগ্রহ করিবার জন্য পদ্মযোনি ব্রহ্মা যাহা বলিয়াছিলেন, ভূতপতি, বিরহদুঃখে কাতর হইয়াও তাহা স্মরণ করিলেন। ২৪

কেবল জগতের উপকারার্থে ব্ৰহ্মা যাহা পূৰ্বে বলিয়াছিলেন, তাহা স্মরণ করিয়া বৃষধ্বজ, এখন ব্রহ্মাকে চিন্তা করিলেন। ২৫

মহাদেব স্মরণ করিবামাত্র, পরমেষ্ঠী, ইষ্ট-সিদ্ধি-আহ্লাদে আহলাদিত হইয়া সেই ত্রিশূলীর সমীপে উপস্থিত হইলেন। ২৬

বিরহকাতর মহেশ্বর, হিমালয়-প্রস্থে যেখানে অবস্থিত ছিলেন, সাবিত্রীসহ ব্ৰহ্মাও তথায় উপস্থিত হইলেন। ২৭

অনন্তর সাবিত্রীসহ ব্ৰহ্মাকে দেখিয়া সতী-বিরহ-কাতর উৎকণ্ঠিতচিত্ত মহেশ্বর, তাহাকে বলিলেন;–ব্ৰহ্মন্! তুমি যে পূৰ্বে জগতের উপকারার্থ আমাকে দারপরিগ্রহ করিতে বলিয়াছিলে, তাহা এখন আমার স্বার্থ বলিয়া বোধ হইতেছে। ২৮-২৯

দাক্ষায়ণী সতী অতি ভক্তিভাবে আমার আরাধনা করে; তৎকর্তৃক প্রপূজিত হইয়া আমি যখন তাহাকে বর দিতে যাইলাম, তখন মদন, সতী সমীপে মহাশরনিকর দ্বারা আমাকে বিদ্ধ করে। ৩০

হে কমলাসন! আমি মায়ামোহিত হওয়াতে তাহার প্রতিকার করিতে সমর্থ হই নাই। ৩১

ব্ৰহ্মন্! আমি দেখিলাম, সতীরও ইহাই অভিলাষ যে, আমি তাহার ব্রত ও ভক্তিবশে প্রীত হইয়া তাহার ভর্তা হই। ৩২

অতএব হে প্রজাপতে! তুমি জগতের হিতের জন্য এবং আমার জন্য যত্ন কর; দক্ষ যাহাতে আমাকে আহ্বানপূর্বক কন্যা দান করে, তাহা কর। ৩৩

দক্ষের গৃহে যাও, আমার কথা তাহাকে বল গিয়া; যাহাতে আমার সতীবিরহ দূর হয়, তাহা কর। ৩৪।

মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–মহাদেব, প্রজাপতিসমীপে এই কথা বলিলেন। তখন সাবিত্রীকে দেখিয়া শিবের সতীবিরহ দুঃখ দ্বিগুণ হইয়া উঠিয়াছিল। ৩৫

ব্ৰহ্মা কৃতকাৰ্য্য ও আনন্দিত হইয়া শিবকে সম্বোধনপূর্বক জগতের হিতকর বাক্য বলিতে লাগিলেন। ৩৬

ভগবন! মহাদেব! তুমি যাহা বলিলে তাহা নিশ্চয়ই জগতের জন্য; হে। বৃষধ্বজ। তোমার বা আমার স্বার্থ একেবারেই নাই। ৩৭।

দক্ষ নিজেই তাহার কন্যাকে তোমার হস্তে সম্প্রদান করিবে। আমিও তোমার কথা দক্ষসমীপে বলিব। ৩৮

মার্কণ্ডেয় বলিলেন; লোকপিতামহ ব্রহ্মা, মহাদেবকে এই কথা বলিয়া শীঘ্রগামী রথে আরোহণপূর্বক দক্ষভবনে গমন করিলেন। ৩৯

এদিকে দক্ষও সতী-প্রমুখাৎ সমস্ত বৃত্তান্ত অবগত হইয়া চিন্তা করিতেছিলেন–আমি কি উপায়ে মহাদেবকে কন্যা দান করিব, মহাদেব প্রসন্ন হইয়া এখানে আসিয়াছিলেন বটে, কিন্তু যখন চলিয়া গিয়াছেন, তখন আর যে তিনি নিজে আমার কন্যা প্রাপ্তির চেষ্টা করিবেন, এমন ত বোধ হয় না। ৪০-৪১

তবে কি তাহার নিকটে সত্বর আমি দূত পাঠাইব? না–ইহাও ভাল হয়; কেননা, যদি তিনি অবজ্ঞা করেন ত প্রয়োজন সিদ্ধ হইবে না। ৪২

কিংবা বৃষধ্বজ আপনিই আমার কন্যার স্বামী হউন–মনে করিয়া তাহাকেই পূজা করি। ৪৩

আমার কন্যাও, ‘শিব আমার স্বামী হউন’–কামনা করিয়া ভক্তিভাবে তাহার পূজা করিয়াছিল, তাহাতে শিব তাহাকে বর দিয়াছেন। ৪৪

দক্ষ এইরূপ চিন্তিত হইয়া আছেন, ইত্যবসরে বিধাতা সাবিত্রী-সমভিব্যাহারে হংসবিমানে তাহার সম্মুখে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ৪৫

দক্ষ বিধাতাকে দেখিবামাত্র প্রণাম ও যথোচিত সম্ভাষণ করিয়া বসিতে আসন দিলেন; আর স্বয়ং বিনয়নম্রভাবে তথায় অবস্থিত রহিলেন। ৪৬।

হে বিপ্রেন্দ্রগণ! অনন্তর দক্ষ, চিন্তিত থাকিলেও তৎকালে আনন্দিত হইয়া সৰ্ব্ব-লোকপতি ব্রহ্মাকে তথায় তাঁহার আগমন প্রয়োজন জিজ্ঞাসা করিলেন,–হে জগদ্গুরো! কি উদ্দেশে এখানে পদার্পণ করিয়াছেন বলুন; কেবল পুত্রস্নেহবশতঃ–বা কোন্ কাৰ্য্যোপলক্ষে আপনি এই আশ্রমে উপস্থিত হইয়াছেন? ৪৭-৪৮

মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–সুমহাত্মা দক্ষ, ব্রহ্মাকে এইরূপ জিজ্ঞাসা করিলে, তিনি দক্ষ প্রজাপতিকে আনন্দিত করত হাসিতে হাসিতে বলিলেন,–দক্ষ আমি যেজন্য তোমার নিকটে আসিয়াছি, তাহা শুন,–সে কাৰ্য্য জগতের হিতকর, তোমারও অভিলষিত। ৪৯-৫০

তোমার কন্যা, জগৎপতি মহাদেবকে আরাধনা করিয়া যে বর প্রার্থনা করে, তাহা প্রদান করিতে স্বয়ং শম্ভুই তোমার গৃহে আসিয়াছিলেন। ৫১

এখন শম্ভু আবার তোমার কন্যার জন্য আমাকে পাঠাইয়াছেন; এখন যাহা ভাল হয়, বিবেচনা কর। ৫২

শঙ্কর, বর দিতে আসা অবধি তোমার কন্যা বিহনে ক্ষণকালের তরেও স্বস্তি পাইতেছেন না। ৫৩।

মদনও ছিদ্র পাইয়া সেই জগদীশকে সকল পুষ্প-শর দ্বারা বিশেষরূপে যুগপৎ বিদ্ধ করিয়াছে। ৫৪।

তিনি কামবাণে বিদ্ধ হইয়া আত্মচিন্তা ত্যাগ করিয়াছেন, এখন কেবল সতীকে চিন্তা করত সামান্য লোকের ন্যায় ব্যাকুল হইয়া রহিয়াছেন। ৫৫

গিরিশ, এখন সতীবিরহে কাৰ্যান্তর প্রসঙ্গেও কথা কহিতে কহিতে তাহা ভুলিয়া গিয়া, নিজ পারিষদগণসমীপেই ‘কোথায় সতী’ বলিয়া ফেলেন। ৫৬।

বৎস! আমি, তুমি, মদন এবং মরীচি প্রভৃতি মুনিবরগণ–আমরা পূর্ব হইতে যাহা ইচ্ছা করিতেছি এখন তাহা সিদ্ধ হইল। ৫৭

তোমার কন্যা শিবের আরাধনা করিয়াছেন, এখন শিবও তাহাকে ধ্যান বলে প্রসন্ন করিতে অভিলাষী হইয়া হিমালয় পৰ্ব্বতে অবস্থান করিতেছেন। ৫৮

যেমন সতী নানাবিধ ভাবে এবং নন্দা-তদ্বারা শম্ভুর আরাধনা করিয়াছেন এখন শম্ভুও আবার সেইরূপ সতীর আরাধনা করিতেছেন। ৫৯

অতএব হে দক্ষ! মহাদেবের জন্য কল্পিত নিজতনয়াকে অবিলম্বে মহাদেবকে দান কর; শিবের ধন শিবকে দিয়া মধ্যে থেকে তুমিই চরিতার্থ হও। ৬০

আমি নারদকে লইয়া তাহাকে তোমার গৃহে আনিতেছি, তাহার জন্য কল্পিত এই সতীকে তাহাকে দিও। ৬১

মার্কণ্ডেয় বলিলেন,–দক্ষ, ব্ৰহ্মাকে “যে আজ্ঞা” বলিলে ব্রহ্মা, শিবসমীপে গমন করিলেন। ৬২।

ব্রহ্মা গমন করিলে দক্ষ, দক্ষপত্নী ও দক্ষতনয়া সকলেই অমৃতাপ্লুতের ন্যায় আনন্দপূর্ণ হইলেন। ৬৩

এদিকে কমলাসন ব্রহ্মা আনন্দ-প্রসন্নচিত্তে হিমালয়পর্বতস্থ মহাদেবের নিকটবর্তী হইলেন। ৬৪

বৃষধ্বজ, সেই বিশ্বস্রষ্টাকে আসিতে দেখিয়া সতীপ্রাপ্তিবিষয়ে মনে মনে বার বার সন্দেহ করিতে লাগিলেন। ৬৫

অনন্তর, স্মরশাসন মহাদেব, মদনপীড়নে অবশ হইয়া দূর হইতেই ব্ৰহ্মাকে শান্তভাবে বলিতে লাগিলেন। ৬৬

ঈশ্বর বলিলেন,–হে সুরজ্যেষ্ঠ। তোমার পুত্র আমাকে সতী-সম্বন্ধে কি বলিলেন, বল; দেখ যেন আমার হৃদয় মদন-শরে বিদীর্ণ না হয়। ৬৭

সুরজ্যেষ্ঠ! বিরহ, সমস্ত প্রাণীকে পরিত্যাগপূর্বক সতীবিনা আমার প্রতিই ধাবমান হইয়া আমাকেই ব্যথিত করিতেছে। ৬৮

ব্ৰহ্মন্! আমি অন্য কাৰ্য্য করিবার সময়েও সতত “সতী সতী” চিন্তা করি। সেই সতীকে আমি যাহাতে প্রাপ্ত হই, তুমি শীঘ্র তাহার উপায় কর। ৬৮

ব্রহ্মা বলিলেন,–বৃষধ্বজ! আমার পুত্র দক্ষ, সতী সম্বন্ধে যাহা বলেন তাহা শুন, তোমার অভীষ্ট সিদ্ধ হইয়াছে স্থির কর। ৭০

আমার পুত্র আমাকে বলিলেন,–আমার কন্যা সতী মহাদেবের জন্যই কল্পিত, অতএব তাহাকেই ত দেয়। এই কাৰ্য্যে আমার সম্পূর্ণ অভিলাষ; বিশেষ আপনি বলিতেছেন। ৭১

আমার কন্যা এই জন্যই স্বয়ং মহাদেবের আরাধনা করেন। মহাদেবও যত্নপূর্বক তাহার অন্বেষণ করিতেছেন, অতএব আমি মহাদেবকেই কন্যাদান করিব। ৭২

বিধাতঃ! শম্ভু, শুভলগ্নে শুভমুহূর্তে আমার নিকট আগমন করুন, আমি তখন আমার কন্যাকে ভিক্ষা-স্বরূপে তাহাকে সম্প্রদান করিব। ৭৩

দক্ষ, অনিন্দ সহকারে ইহা বলিয়াছেন; অতএব হে বৃষধ্বজ! তুমি সতীকে পাইবার জন্য শুভমুহূর্তে তদীয় নিকেতনে গমন কর। ৭৪।

ঈশ্বর বলিলেন,–আমি তোমাকে এবং মহাত্মা নারদকে সঙ্গে লইয়া তথায় গমন করিব। অতএব হে জগৎপূজ্য! সত্বর নারদকে স্মরণ কর। ৭৫

মরীচি প্রভৃতি মানসপুত্রগণকেও স্মরণ কর; আমি যখন দক্ষগৃহে গমন করিব, তখন তাহাদিগকে এবং প্রমথগণকেও সঙ্গে লইব। ৭৬।

অনন্তর ব্রহ্মা, স্মরণ করিবামাত্র নারদ ও অন্যান্য ব্রহ্মার মানস পুত্রগণ, যথায় ব্রহ্মা ও মহাদেব অবস্থিত ছিলেন, তথায় সমাগত হইলেন এবং কাম প্রভাব দর্শনে চিন্তাকুল হইলেন। ৭৭ দশম অধ্যায় সমাপ্ত। ১০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *