০৮.পারদারিক

৫.১ স্ত্রীপুরুষশীলাবস্থাপনম্‌, ব্যাবর্তনকারণানি, স্ত্রীষুসিদ্ধাপুরুষাঃ ও অযত্নসাধায়যোষিতঃ (স্ত্রী ও পুরুষের আচরণ)

পঞ্চম ভাগ – প্রথম অধ্যায় কন্যা ও পুনর্ভূর সহিত নায়কের সমাগমোপায় বিশেষভাবে কথিত হইয়াছে। তারপর, এখন বেশ্যা অপেক্ষা পরদারের কাম, অর্থ ও কামকর। এইজন্য তাহার সমাগমের উপায় প্রদর্শন করা বৈশিক অধিকরণের পরেই উচিত। অতএব পারদারিক অধিকরণ আরম্ভ করা যাইতেছে। তারমধ্যে প্রথমে স্ত্রীপুরুষের শীল ব্যবস্থাপিত না হইলে, উত্তর ব্যাপার প্রদর্শন করা অসমম্ভব বলিয়া, প্রথমে স্ত্রীপুরুষশীলাবস্থাপননামক প্রকরণের […]

৫.২ পরিচয়কারণানি ও অভিযোগাঃ (পরিচিত হওয়া)

পঞ্চম ভাগ – দ্বিতীয় অধ্যায় সঞ্জাত ইচ্ছাকে ক্রিয়ার দ্বারা পরিবর্ধিত করিতে হইবে, এই কথা কথিত হইয়াছে। সম্প্রতি সেই সকল ক্রিয়া কি, তাহাই এখন বলা যাইতেছে। তাহার নির্ণয় করিতে হইলে, নিশ্চয়ই প্রথমে পরিচয়কারণ প্রদর্শণ করা আবশ্যক, এজন্য প্রথমে পরিচয়কারণ প্রদর্শন করা যাইতেছে— ‘আচার্যগণ বলেন—কন্যাগণ যেমন নিজের অভিযোগসাধ্য, সেরূপ দূতী দ্বারা সাধ্য নহে, কিন্তু প্রবৃত্তসংযোগ পরস্ত্রীগণ সূক্ষ্মভাব […]

৫.৩ ভাবপরীক্ষা (ভাবপরীক্ষা করণ)

পঞ্চম ভাগ – তৃতীয় অধ্যায় পূর্বকথিতরূপে অভিযোগ প্রযুক্ত হইলেও যে সকল স্ত্রী প্রগল্ভপরিক্ষীণা ও ধীরপ্রকৃতি, তাহাদিগের সদ্ভাব কোন রূপেই নির্ভিন্ন হইয়া উঠে না; সুতরাং তাহাদিগের উপর বিশেষাভিযোগ কখনই প্রযুক্ত হইতে পারে না। অতএব সেখানে ভাবপরীক্ষা একান্ত প্রয়োজন বলিয়া, এখন ভাবপরীক্ষাপ্রকরণের আরম্ভ করা যাইতেছে— ‘নায়ক অভিযোগ করিয়া নায়িকার প্রবৃত্তি পরীক্ষা করিবে। প্রবৃত্তি পরীক্ষা দ্বারাই ভাবপরীক্ষা হইয়া […]

৫.৪ দুতীকর্ম্মাণি (দৌত্য)

পঞ্চম ভাগ – চতুর্থ অধ্যায় রক্ষিতা প্রভৃতি স্ত্রীগণের উদ্দেশে অভিযোগ প্রয়োগ করা ততদূর সম্ভবপর নহে। এইজন্য দূতীকর্মপ্রকরণের এখন আরম্ভ করা যাইতেছে— ‘যাহাকে লক্ষ্য করিয়া ইঙ্গিত ও আকার প্রদর্শিত করা হইয়াছে, অথচ তাহার দর্শন লাভ করা বড়ই কঠিন ব্যাপার; কিন্তু সে নায়িকা কোনরূপ আকার প্রদর্শন করে নাই; তাদৃশ নায়িকাকে দূতী দ্বারাই নিজের কাছে আসিতে বাধ্য করাইবে।।’১।। […]

৫.৫ ঈশ্বরকামিতম্‌ (রাজসুখ)

পঞ্চম ভাগ – পঞ্চম অধ্যায় অতুল বিভরের ঈশ্বর যাহারা, তাহাদিগের অবশ্য পরগৃহে প্রবেশ হইতে পারে না বলিয়া, তাহাদিগের কামিতও না হইবার সম্ভবনা; সুতরাং এখন সে সম্বন্ধে কিছু বলিবার আবশ্যক উপস্থিত হইয়াছে :– ‘রাজা বা মহামাত্রগণের পরভবনে প্রবেশ নাই, কারণ ইহাদিগের আচার-ব্যবহার তাঁহারাই দেখিবেন; সুতরাং তাঁহাদিগের সর্ব্বদাই বিশুদ্ধ থাকা আবশ্যক। আরও মহাজনেরা যে আচরণ প্রদর্শন করিবেন, […]

৫.৬ আন্তঃপুরিকম্‌ ও দাররক্ষিতকম্‌ (অন্দরমহল)

পঞ্চম ভাগ – ষষ্ঠ অধ্যায় যেমন ঈশ্বরের পরভবনে প্রবেশ নাই, সেইরূপ অন্তপুরিকাগণের ও নাগরকগণেরও পরের অন্তঃপুরের প্রবেশ নাই; সুতরাং উভয়কেই অন্তঃপুরিকাবৃত্ত বলা অবশ্যক।–এই জন্য অন্তঃপুরিকাবৃত্ত নামক প্রকরণ আরম্ভ করা যাইতেছে— ‘অন্তঃপুরের রক্ষণযোগ থাকায় পরপুরুষ সন্দর্শন ঘটিয়া উঠে না। তারপর, পতিও একটি, অথচ অনেক সাধারণ; সুতরাং তৃপ্তি আর কি করিয়া হইতে পারে? ফলতঃ অন্তপুরিকাগণের তৃপ্তিই হয় […]