০৫.কন্যাসম্প্রযুক্তক

২.১ বরণবিধানম্‌ ও সম্বন্ধনিশ্চয়ঃ (বিবাহের ধরন)

দ্বিতীয় ভাগ – প্রথম অধ্যায় চৌষট্টিকলায় বিচক্ষণব্যক্তি কন্যাগনকর্তৃক অনুরাগত বীক্ষমান* হলেসমাগম ব্যতীত সম্প্রয়োগ হয় না; এজন্য তার সমাগমোপায়–আবাপ বলা হচ্ছে। যে উপায় অবলম্বন করলে স্ত্রীসমাগম লাভ করা যায়, তাকে আবাপ বলে। তার মধ্যে কন্যার প্রাধান্যহেতু কন্যাসম্প্রযুক্তনামক অধিকরণ আরম্ভ করা হচ্ছে। তার মধ্যে উদ্বাপ (সমাগম লাভের শ্রুয়মান বৈধ ও অবৈধ উপায়) আটটি বিবাহ– ব্রাহ্ম, দৈব, প্রাজাপত্য, […]

২.২ কন্যাবিস্রদ্ভণম্‌ (পত্নীকে শান্ত করণ)

দ্বিতীয় ভাগ – দ্বিতীয় অধ্যায় এইরূপে কন্যালাভ করিতে পারিলেও তাহার বিশ্বাস উৎপন্ন করিয়া দিতে না পারিলে প্রয়োগের যোগ্য হইবে না। অতএব কন্যাবিস্রম্ভণ নামক দ্বিতীয় অধ্যায়ের আরম্ভ করা যাইতেছে। তাহার মধ্যে বিবাহানন্তর কর্তব্য মঙ্গলাচার বলা যাইতেছে— ‘পরিণয় দ্বারা সম্মান প্রাপ্ত হইয়া উভয়েই ত্রিরাত্র পর্যন্ত ব্রহ্মচর্যব্রত অবলম্বন করিয়া ক্ষারলবন বর্জিত আহার করিয়া অধঃ শয্যায় শয়ন করিবে। সেইরূপ […]

২.৩ বালোপক্রমা ও ইঙ্গিতাকারসুচনম্‌ (পত্নীলাভ)

দ্বিতীয় ভাগ – তৃতীয় অধ্যায় বরণসম্বিধান পূর্বক অধিগত কন্যায় বিস্রম্ভণ কথিত হইয়াছে, কিন্তু যদি বরণের যোগ্যা কন্যা না পাওয়া যায়, তবে সেখানে গান্ধর্বাদি চারিটি বিবাহ বিধান করা হইতেছে। সে স্থলে অলাভের কারণ যতগুলি হইতে পারে, তাহা বলিতেছেন— ‘ধনহীন যে ব্যক্তি, সে অভিজনাদিগুণযুক্ত হইলেও দরিদ্র বলিয়া কন্যালাভ করিতে পারে না। মধ্যস্থগুণ—রূপ ও শীলাদি আছে, কিন্তু অভিজনাদিগুণ […]

২.৪ একপুরুষাভিযোগঃ, অভিযোগতশ্চ ও কন্যায়প্রতিপত্তিঃ (একক ব্যবস্থাপন)

দ্বিতীয় ভাগ – চতুর্থ অধ্যায় শাস্ত্রকারই প্রকরনের সম্বন্ধ বলিতেছেন— ‘যে কন্যা ইঙ্গিত ও আকার দর্শিত করিবে, উপায়ানুসারে তাহার অভিযোগ করিবে।।’১।। অভিযোগ দ্বিবিধ, বাহ্য ও আভ্যস্তর। তন্মধ্যে বাহ্য অভিযোগের বিষয় কীর্ত্তন করিতেছেন— ‘দ্যুত ও ক্রীড়নকে বাক্যকলহ বাধাইয়া (দাম্পত্যভাবব্যঞ্জক) আকারের সহিত নায়িকার পাণিগ্রহণ করিবে।।’২।। –যাহা হইলে নায়িকা বুঝিতে পারে যে, আমি ইহার বিবাহিতা।।২।। ‘অবসর বুঝিয়া স্পৃষ্টাকাদি আলিঙ্গনবিধির […]

২.৫ বিবাহযোগঃ (বিবাহ দ্বারা সম্মিলন)

দ্বিতীয় ভাগ – পঞ্চম অধ্যায় এইভাবে অনুরঞ্জিত হইয়া স্বয়ংবরে প্রবৃত্তা নায়িকাকে গান্ধর্ববিধানযোগ করিবে। আর তদ্বিপরীতাকে আসুরাধিবিধানযোগ করিবে। এই জন্য বিবাহযোগ কথিত হইয়াছে। তাহার মধ্যে গান্ধর্ববিধানই প্রায়শ দেখিতে পাওয়া যায়। অতএব তাহার সহায়সাধ্য বিধির বিষয় বর্ণিত হইতেছে— ‘যদি কন্যার দর্শন প্রচুরপরিমানে না পাওয়া যায়, তবে প্রিয়কর ও হিতপ্রায় উপচার দ্বারা পুরুষপ্রবৃত্তা ধাত্রেয়িকাকে হস্তগত করিয়া তাহার নিকট […]