০২. এজি অফিস হলো ঘুষের কারখানা

জোয়ার্দার এজি অফিসে কাজ করেন। তার পোস্টের নাম অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার।

এজি অফিস হলো ঘুষের কারখানা। অর্থমন্ত্রী বা রাজস্ব বোর্ডের প্রধানের নিজের চেক পাস করতে হলেও ঘুষ দিতে হয়। টাকার পরিমাণের ওপর ঘুষের অঙ্ক নির্ধারিত। এজি অফিসের লোকজন অঙ্কে পাকা।

জোয়ার্দার সাহেব এই অফিসে হংস মধ্যে বক যথা, তিনি ঘুষ খান না। একবারই তিনি কিছুক্ষণের জন্যে ঘুষ নিয়েছিলেন- লাল রঙের একটা ফাউনটেনপেন। এই কলমের বিশেষত্ব হচ্ছে, রাতে কলমের গা থেকে আলো বের হয়। ঘরে বাতি না থাকলেও এই কলম দিয়ে লেখা যায়। অনিক এমন একটা কলম পেলে আনন্দে লাফালাফি করবে ভেবেই তিনি সহকমীর কাছে থেকে কলামটা নিলেন। সহকমীর নাম খালেক। সে বলল, স্যার, ফাইলটা রেখে গেলাম পাস করে দেবেন। পাটি ঝামেলায় আছে।

বিকেল ৪টা ২১ মিনিট পর্যন্ত ঝামেলায় পড়া পার্টির ফাইল হাতে নিয়ে বসে রইলেন। দুপুরে লাঞ্চ খেলেন না। বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটে তিনি খালেককে ফাইল এবং কলম ফেরত দিলেন।

খালেক বলল, স্যার! আপনি আজিব মানুষ। কলামটা আপনি রেখে দেন, ফাইলে সই করার দরকার নাই। আমি অন্য ব্যবস্থা করব।

জোয়ার্দার বললেন, না।

খালেক নিজের মনে আবারও বলল, আজিব আদমি।

জোয়ার্দারকে আজব মানুষ ভাবার কোনো কারণ নেই। তাঁর চরিত্রে অদ্ভুত কিছু নেই। অফিস থেকে বেইলি রোডের বাসায় ফেরেন হেঁটে। বাসায় ফিরেই গোসল সেরে বারান্দায় বসে এক কাপ চা খান। চায়ের সঙ্গে দিনেয়। তৃতীয় সিগারেটটি খেতে হয়।

চা নিয়ে সুলতানা আসেন এবং প্রতিদিনের মতো জিজ্ঞেস করেন, চায়ের সঙ্গে কিছু খাবে? বাসায় দিনাজপুরের চিড়া আছে। চিড়া ভেজে দেব?

তিনি বলেন, না।

মাখন মাখিয়ে টোস্ট বিসকিট দেব?

না।

রাতে কী খাবে?

যা রান্না হবে তাই খাব।

সুলতানা উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বলেন (সব দিন না, মাঝে মাঝে), তোমাকে বিয়ে না করে একটা যন্ত্র বিয়ে করলে আমার জীবনটা সুখের হতো। যন্ত্রে একবার চাবি দিয়ে দিলাম। যন্ত্র, তার মতো চলছে। আমাকে কিছু করতে হচ্ছে না।

সুলতানা লম্বা বাক্যালাপের দিকে গেলেই জোয়ার্দার সিগারেট ধরান। কথার পিঠে কথা বলার অভ্যাস জোয়ার্দারের নেই।

 

সন্ধ্যা মিলিয়েছে। জোয়ার্দার বারান্দায় বসে আছেন। চা এবং সিগারেট শেষ হয়েছে। দুপুরে লাঞ্চ করেননি বলে ক্ষুধা বোধ হচ্ছে। আজ মনে হয় ৯টার আগেই খেতে হবে। এর মধ্যে রান্না হবে কি না কে জানে।

পুফিকে কোলে নিয়ে অনিকা বারান্দায় ঢুকল। জোয়ার্দারের সামনে বসতে বসতে উজ্জ্বল মুখে বলল, এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে বাবা, শুনলে তুমি চমকে উঠবে।

কী ঘটনা?

পুফি যাতে বাথরুম করতে পারে এই জন্যে আমি একটা প্লাস্টিকের থালায় বালি দিয়ে উত্তর দিকের বারান্দায় রেখেছি। এতেই কাজ হয়েছে। সে এখন তার বাথরুমে বাথরুম করে।

ভালো।

অদ্ভুত ব্যাপার না বাবা?

হুঁ।

আমার কী ধারণা জানো বাবা? আমার ধারণা, বিড়ালদের ভাষা আছে। তারা এ ভাষায় নিজেদের সঙ্গে কথা বলে।

হুঁ।

তুমি শুধু হুঁ হুঁ করছ, কথা বলছ না।

শরীরটা ভালো লাগছে না।

পুফিকে একটু কোলে নেবে? একটু কোলে নাও না, প্লিজ। ও তোমার কোলে যেতে চাচ্ছে। দেখো না, কেমন করুণ চোখে তাকিয়ে আছে।

জোয়ার্দার দেখলেন বিড়ালটা সত্যি তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে।

বিড়ালটার ডান চোখের ওপর কালো দাগ। তিনি যে বিড়ালটা দেখেছেন তার চোখের ওপর দাগ ছিল কি না। তিনি মনে করতে পারলেন না।

বাবা!

হুঁ।

আজ ক্লাসে খুব লজ্জার একটা ঘটনা ঘটেছে। বলব?

হুঁ।

মাকে বলেছিলাম। মা বলল, এ ধরনের পচা গল্প যেন আমি কখনো না করি। তুমি শুনবে?

তোমার মা যখন নিষেধ করেছে তখন থাক।

আমার খুব বলতে ইচ্ছা করছে।

তাহলে বলো।

আমাদের ইংরেজি মিস আজ ক্লাসে ঢুকেই শব্দ করেছেন। আমরা সবাই চেষ্টা করেছি না হাসতে। তারপর মিসের করুণ মুখ দেখে হেসে একে অন্যের গায়ে গড়িয়ে পড়েছি।

জোয়ার্দার বললেন, ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম না। শব্দ করেছেন মানে কী।

খারাপ শব্দ।

জোয়ার্দার অবাক হয়ে বললেন, শব্দের আবার ভালো খারাপ কী?

অনিকা বলল, বাবা, তুমি এত বোকা কেন? পুফির যত বুদ্ধি আছে তোমার তাও নেই। ম্যাডাম Fart করেছেন।

তার মানে কী?

অনিক বলল, এর মানে কী বলতে পারব না। তোমাকে ডিকশনারি এনে দিচ্ছি। ডিকশনারিতে দেখো।

অনিকা বাবার কোলে ইংরেজী ডিকশনারি দিয়ে গেল। জোয়ারদর্দার ডিকশনারি খুললেন। এই শব্দটা verb হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আবার Noun হিসাবে ব্যবহার করা হয়। verb হলো To let air from the bowels come out through the anus.

Noun হলো An unpleasant, boring and stupid person. জোয়ার্দারের মনে হলো তিনি এ রকমই একজন। বোরিং এবং স্টুপিড। তিনি পরপর দুবার বললেন, I am a fart. I am a big Fart.

 

রাতে জোয়ারদার একা খেতে বসলেন। খেতে বসে লক্ষ্য করলেন সবার মধ্যে গোপন একধরনের ব্যস্ততা। জোয়ারদার বললেন, তোমরা খাবে না?

সুলতানা বললেন, তোমাকে বলতে ভুলে গেছি। রঞ্জু আরেকটা নতুন গাড়ি কিনেছে। নাম আলফ্রাড। ৪০ লাখ টাকা দাম।

জোয়ারদার বললেন, ওর নতুন গাড়ি কেনার সঙ্গে তোমাদের না খাওয়ার কী সম্পর্ক?

রঞ্জু গাড়িটা পাঠিয়ে দিয়েছে আমাদের নিয়ে যাওয়ার জন্যে। গাড়ি নিয়ে লং ড্রাইভে যাবে।

ও, আচ্ছা।

আমরা কুমিল্লা চলে যাব। রাতে থাকব কুমিল্লা বার্ডে। ভোরবেলা ঢাকা রওনা হব। তুমি নিশ্চয়ই আমাদের সঙ্গে যাবে না।

না।

আমি কাজের মেয়ে দুটিকেও নিয়ে যাচ্ছি। সকাল ৮টা বাজার আগেই ঢাকা ফিরব। তোমার ব্রেকফাস্টের সমস্যা হবে না।

আচ্ছা।

জোয়ার্দার লক্ষ করলেন, কাজের মেয়ে দুটি বিপুল উৎসাহে সাজগোজ করছে। সুলতানা রাত কাটানোর জন্যে বাইরে কোথাও গেলেই কাজের মেয়ে দুটিকে নিয়ে যান।

মেয়ে দুটির বয়স ষোল, সতেরো। দুজন যমজ বোন। আগে নাম ছিল হাবীব, হামিদা। সুলতানা নাম বদলে রেখেছেন, তুহিন—তুষার। এরা সারাক্ষণ সাজগোজ নিয়ে থাকে। মেয়ে দুটি জন্ম থেকেই রূপ নিয়ে এসেছে। সুলতানা ঘষে মেজে এদের প্রায় নায়িকা বানিয়ে ফেলেছেন। লাক্স চ্যানেল আই সুপার ষ্টারে পাঠালে থার্ড বা ফোরথ হয়ে যেতে পারে।

অপরিচিত কেউ এলে সুলতানাকে জিজ্ঞেস করেন, এরা আপনার বোন নাকি?

সুলতানা চাপা আনন্দ নিয়ে বলেন, এই দুটাই আমার কাজের মেয়ে। এই তোরা হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? গেস্টকে চা দিবি না?

গেস্ট খুবই লজ্জা পান। গেস্টদের লজ্জা সুলতানা উপভোগ করেন।

সুলতানা রাতে যখন থাকেন না, তুহিন-তুষারকে রেখে যেতে শঙ্কা বোধ করেন। পুরুষ মানুষকে বিশ্বাস করা আর শকুন বিশ্বাস করা একই। শকুন মারা গরু দেখলে ঝাঁপিয়ে পড়বে। পুরুষও মেয়েমানুষ দেখলে ঝাঁপিয়ে পড়বে। মৃত মেয়ে মানুষ দেখলেও ঝাঁপ দিবে।

 

রাতের খাবার শেষ করে ছবি দেখতে বসে জোয়ারদার লক্ষ্য করলেন বিড়ালটা তার চেয়ার ঘেঁষে বসে আছে। ওই দিনের সেই বিড়াল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। একটা ছোট্ট প্ৰভেদ অবশ্য আছে। অনিকার বিড়ালটার ডান চোখের ওপর শাদা দাগ। এটার বা চোখের ওপর কালো শাদা। এমনকি হতে পারে এই বিড়ালটা অনিকার বিড়ালের যমজ? তুহিন তুষারের মত এরাও যমজ বোন। অনিকার বিড়ালের নাম পুফি। এটার নাম দেওয়া যেতে পারে কুফি।

জোয়ারদার বললেন, এই কুফি। কুফি।

বিড়াল ঘড়ি ঘড়ি শব্দ করল। নাম পছন্দ হয়েছে কী হয়নি বোঝা গেল না।

বিড়াল রহস্য নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করতে হবে। হুটহাট চিন্তায় কাজ হবে না। জোয়ার্দার ছবিতে মন দিলেন। মন বসছে না, তবুও জোর করে তাকিয়ে থাকা। ওয়েস্টার্ন ছবি। বন্দুক পিস্তলের ছড়াছড়ি। অনিকের ঘর থেকে হাসির শব্দ শোনা গেল! এই শব্দে জোয়ার্দারের শরীর প্রায় জমে গেল। হাসির শব্দ তাঁর পরিচিত। জামালের হাসি। অনেক দিন পর খালি বাড়ি পেয়ে জামাল এসেছে। মাঝখানে অনেক দিন তিনি জামালকে দেখেন। নি। হয়ত আজ আবার দেখলেন।

তিনি এখন কী করবেন? ছবি দেখতে থাকবেন? নাকি উঠে পাশের ঘরে যাবেন?

জোয়ারদার উঠে দাঁড়ালেন।

 

জামাল বিড়ালটাকে নিয়ে খেলছে। টেনিস বল দূরে ছুড়ে মারছে। বিড়াল মাথা দিয়ে ঠেলতে ঠেলতে বলটা জামালের কাছে নিয়ে আসছে। একেকবার বল আনছে আর জামাল বলছে, কুফি ভালো। কুফি ভালো।

এমন কি হতে পারে জামাল যে জগৎ থেকে এসেছে, কুফিও সেই জগৎ থেকে এসেছ? কুফি এ পৃথিবীর কোনো বিড়াল না।

জোয়ারদার কাপা কাপা গলায় বললেন, জামাল।

জামাল ফিরে তাকাল। জোয়ারৰ্দারের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে আবার খেলায় মগ্ন হয়ে গেল। জোয়ারদার দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে ছবি দেখতে গেলেন।

ছবির মূল নায়ককে এখন ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে। ছবির মাঝখানে নায়ক ফাঁসিতে ঝুললে বাকি ছবি কিভাবে চলবে কে জানে?

জোয়ারদার ছবিতে পুরোপুরি মন দিতে পারছেন না। জামালের হাসি তাকে বারবার চমকে দিচ্ছে।

এর মধ্যে মোবাইল ফোন বাজছে। সুলতানা ফোন করেছেন। তার গলার স্বরে অপরাধী অপরাধী ভাব।

সুলতানা বলল, এই কী করছ?

ছবি দেখছি।

কী ছবি?

নাম বলতে পারব না। ওয়েস্টার্ন ছবি।

ছবিতে এখন কী দেখাচ্ছে?

বারের দৃশ্য। দুজন মগভর্তি করে বিয়ার খাচ্ছে।

বাচা একটা ছেলের হাসির শব্দ পাচ্ছি। সেও কি বারে?

জোয়ার্দার ইতস্তত করে বললেন, হঁ।

তোমাকে একটা জরুরি বিষয়ে টেলিফোন করেছি। রঞ্জু প্ল্যান চেঞ্জ

করেছে।

ও, আচ্ছা।

রঞ্জু ঠিক করেছে কুমিল্লা যাবে না। সরাসরি কক্সবাজার যাবে। সাইমন হোটেলে বুকিং দিয়ে ফেলেছে। ওযে কেমন পাগল টাইপ তুমিতো জান।

ভালো তো।

সুলতানা বললেন, কয়েক দিন একা থাকতে হবে, তোমার কষ্ট হবে, সরি। আমি রাজি হতাম না। তোমার মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রাজি হয়েছি। সে যে কী খুশি৷ আমি মনে হয় তোমার ছবি দেখায় ডিসটার্ব করছি।

হুঁ।

তাহলে রাখি?

আচ্ছা।

নিয়মের ব্যতিক্রম করে জোয়ার্দার পুরো ছবি দেখলেন। জামালের হাসির শব্দ এখনো পাওয়া যাচ্ছে। জোয়ার্দার ঘুমুতে গেলেন রাত ১২টায়।

জামাল এখন বিড়াল নিয়ে বিছানায় উঠেছে। খেলার ভঙ্গি পাল্টেছে। জামাল বিড়ালের সামনে কোলবালিশ ধরছে। বিড়াল বালিশে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। নখ দিয়ে আঁচড়াচ্ছে। কোলবালিশ থেকে বের হওয়া তুলা ঘরময় ছড়ানো।

জোয়ার্দার বিরক্ত মুখে বললেন, অন্য ঘরে যাও। আমি এখন ঘুমাব।

জামাল সঙ্গে সঙ্গে বিছানা থেকে নেমে পাশের ঘরে চলে গেল। বিড়ালটা গেল জামালের পেছনে পেছনে।

 

বিড়াল এবং জামালের বিষয়টা নিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলা জরুরী। এটা তার মানসিক রোগ। এইটুকু বুঝার বুদ্ধি তার আছে। মানসিক রোগের কোনো ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলাই ভাল। তার পরিচিত একজন আছে ডাক্তার শায়লা। সে বেশ বড় ডাক্তার। বিলেত বা আমেরিকা থেকে ডিগ্ৰী নিয়ে এসেছেন। এখন এ্যাপোলো হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগের প্রধান।

শায়লা তার দূর সম্পর্কের বোন।

ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজে যখন আই এস সি পড়তো তখন শায়লার জোয়ার্দারের সঙ্গে বিয়ে পাকাপাকি হয়। পানচিনি হয়ে যায়। পানচিনি হবার পরদিন দুজন মিলে ব্ৰহ্মপুত্ৰ নদীর পাশ দিয়ে পঁচিশ মিনিট হেঁটেছিলেন। শায়লা লজ্জায় মরে যাচ্ছিল। তাদের মধ্যে কোনো কথা হয়নি। কোন কথা না পেয়ে তিনি একবার বললেন, তোমার কি মিষ্টি পছন্দ?

নদীর পাড় দিয়ে হাঁটাহাটির পরদিন বিয়েটা ভেঙ্গে যায়।

জোয়ার্দারের বড় মামা হৈচৈ শুরু করলেন। মেয়ে যার কাছে প্ৰাইভেট পড়ে তার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক। একবার সন্তান খালাস করিয়েছে। তার কাছে প্রমাণ আছে। ইত্যাদি।

জোয়ার্দার নির্বিরোধী ভীরু মানুষ। বিয়ে ভেঙ্গে যাবের পর সে কিন্তু ভাল সাহস দেখালো। সে শায়লার সঙ্গে দেখা করলো এবং বলল, বড় মামা খামাখা হৈচৈ করছেন। এটা তার স্বভাব। তুমি কিছু মনে করো না। আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই। তুমি রাজি থাকলে চল কাজি অফিসে যাই বিয়ে করি।

শায়লা কঠিন গলায় বলল, না।

পুরানো দিনের কথা মাথায় রেখে লাভ নেই। শায়লার কাছে যাওয়া যায়। তিনিতো তার প্রেমিকার কাছে যাচ্ছেন না। ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *