ভগবতগীতা-সমালোচনা

ভগবতগীতা-সমালোচনা (১৮৯৫) – জয়গোপাল দে

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ২য় পরিচ্ছেদ

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ২য় পরিচ্ছেদ কখন বা জ্ঞানের কখন বা কর্ম্মের প্রশংসা শুনিয়া অর্জ্জুনের মনে ঘোর সন্দেহ উপস্থিত হইল। তজ্জন্য তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, হে জনার্দ্দন, “তোমার মতে কর্ম্ম অপেক্ষা জ্ঞানই যদি শ্রেষ্ঠ হয়, তবে আমাকে কি নিমিত্ত অধর্ম্মকর কর্ম্মে নিযুক্ত...

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৩য় পরিচ্ছেদ

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৩য় পরিচ্ছেদ কখন বা কর্ম্মযোগের, কখন বা কর্ম্ম সন্ন্যাসের(১) প্রশংসা শুনিয়া অর্জ্জুন কিংকর্ত্তব্য বিমূঢ় হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, হে গোবিন্দ, কর্ম্মত্যাগ এবং কর্ম্মযোগের মধ্যে যাহা শ্রেয়স্কর, তাহাই আমাকে অবধারিত করিয়া বল। কৃষ্ণ বলেন,–কর্ম্মত্যাগ...

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৪র্থ পরিচ্ছেদ

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৪র্থ পরিচ্ছেদ সপ্তম অধ্যায়ে হৃষীকেশ “জ্ঞান এবং বিজ্ঞান” বিষয় বর্ণনা করেন। তাঁহার বিজ্ঞানটা কিন্তু মান্ধাতার আমলের; কিঞ্চিৎ জীর্ণসংস্কার না করিলে কলেজের ছাত্রগণের নিকট তাঁহার সম্মান রক্ষা দুরূহ হইবে। তিনি বলিলেন, আমার মায়ারূপা প্রভৃতি আট...

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৫ম পরিচ্ছেদ

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৫ম পরিচ্ছেদ নবম অধ্যায়ে কৃষ্ণ বলিলেন, মুক্তি প্রদান করিবার সময় ঈশ্বর ভক্তের জাতি বিচার করেন। জাতি উচ্চ হইলে সহজে মুক্তি লাভ হয়। সুতরাং পাপী শূদ্রেও যখন ঈশ্বরপরায়ণ হইলে মুক্তি পায় তখন তোমার ন্যায় ভক্তিপরায়ণ ক্ষত্রিয় যে সহজে উৎকৃষ্ট গতি লাভ করিবে, সে...

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ (শেষ)

ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ (শেষ) কেশব নিষ্কাম ধর্ম্মে প্রণোদিত হইয়া প্রিয় বন্ধুকে বিশ্বরূপ দর্শন করান নাই। তাহার কৌতূহল চরিতার্থ করাই তাঁহার উদ্দেশ্য ছিল না। সম্মুখ সংগ্রামে সমস্ত প্রতিপক্ষীয় বীরগণকে হত্যা করিয়া অনায়াসে জয়লাভ করিতে পারিবেন, ইহা সপ্রমাণ করিয়া...