স্বাস্থ্য সম্মত রান্নাঘর

গৃহিণীদের দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে রান্নাঘরে। বাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানটি হওয়া উচিত স্বাস্থ্যসম্মত। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমেই তা সম্ভব। ছিমছাম পরিপাটি রান্নাঘর দেখতে সবারই ভালো লাগে। কাজ করাও আরামদায়ক হয়। কিন্তু সামান্য অসচেতনতাই এই পরিবেশ পাল্টে দেয়। কাজ করা দুরূহ হয়ে দাঁড়ায়। বদ্ধ ও অপরিষ্কার ঘরেই ভাপসা দুর্গন্ধ তৈরি হয়। নিয়মিত পরিষ্কার না করলেই এমন অবস্থা হয়। এ জন্য খোলামেলা পরিসরে রান্নাঘর হওয়া উচিত। প্রতিটি জিনিস রাখা উচিত নির্দিষ্ট জায়গায়। গোছানো ঘরে ভ্যাপসা গন্ধ হয় না। হলেও সহজেই তা দূর করা যায়। এমনটিই মনে করেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফিরোজা সুলতানা।
রান্নাঘরের ভ্যাপসা গন্ধ দূর করার কিছু টিপস দিয়েছেন তিনি।
রান্নাঘরের প্রতিটি জিনিস ধুয়েমুছে রাখতে হবে।
নির্দিষ্ট স্থানে মাছ-মাংস বা সবজি কাটতে হবে। কাটা হয়ে শেষ হলে সেই স্থানটি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে জীবাণুনাশক ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।
রান্নাঘরের ঢাকনাযুক্ত তাকগুলো মাঝে মধ্যে খুলে দিতে হবে, যাতে গন্ধ না হয়।
সাবানের ছোট টুকরা ফেলে না দিয়ে শুকিয়ে রাখুন। তারপর পাতলা কাপড়ে ঢেকে ঘরের এক কোনায় রেখে দিন। এতেও গন্ধ দূর হয়।
মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখলেও রান্নাঘরের গন্ধ দূর হয়।
এখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ঢাকনাযুক্ত পাত্রে ময়লা রাখুন।
কখনোই ময়লা জমিয়ে রাখবেন না। যেদিনের ময়লা সেদিনই ফেলে দিন।
এ ছাড়া বাজারে বিভিন্ন ধরনের এয়ার ফ্রেশনার পাওয়া যায়। সামর্থ্য থাকলে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, অক্টোবর ১৩, ২০০৯

One thought on “স্বাস্থ্য সম্মত রান্নাঘর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *