কিশোর কুমার : Tag

যে কথা মনের কথা জানি না কেন

যে কথা মনের কথা জানি না কেন মুখে এসে থেমে গেলো বলা গেলো না বলা হলো না বরষার মেঘ হয়ে আসে ধীরে ধীরে বিজলীর মতো চলে যায় বুক চিঁড়ে উদাসী বাঁশীতে শুধু বেদনা ভুলে যাওয়া পথ ধরে যারা যেতে চায় ঘর থেকে তারা আরো দূরে চলে যায় ফেরবার পথ আর পাওয়া যাবে না...

এ কি হল কেন হল কবে হল জানি না

এ কি হল, কেন হল, কবে হল, জানি না শুরু হল, শেষ হল, কী যে হল, জানি না তো কেউ বোঝে কি না বোঝে হায়, আমি শুধু বুঝি এই আঁধারে ভুল করে হায়, আলো মিছে খুঁজি মেঘ, মরুতে যায় কি দেখা, দিন যায় একা একা কেউ ভাবে কি না ভাবে হায়, আমি শুধু ভাবি যে প্রেম দিতে জানে তার নেই কোন দাবি হায়,...

প্রেম বড় মধুর কভু কাছে, কভু সুদূর

সংলাপ – প্রেম যেন এক অতিথির মত কখনো জীবনে আসে ফুল-ডোরে বাঁধে, কখনো আবার অশ্র ঝরিয়ে চলে যায়॥ প্রেম বড় মধুর কভু কাছে, কভু সুদূর কখনো জীবনে ফুল ফোটায় কাঁদিয়ে যায় সে দূর || প্রেম যেন নদী ভাঙে আর গড়ে জীবনের দু’টি কূল ঘিরে ভাঙা-গড়া খেলা, খেলে সারা বেলা তীর ছুঁয়ে...

যখন আমি অনেক দূরে থাক্ বো না এই মাটির ঘরে

যখন আমি অনেক দূরে থাক্ বো না এই মাটির ঘরে তখন কি আর পড়বে মনে আগের মতন করে, .                       আমায় আগের মতন করে ? আমার প্রাণের পরশ পেয়ে বেজেছিল যে গান ধুলো জমা তানপুরাটাও ধরেছিল সেই তান আমি, কথার গোলাপ ফুটিয়েছিলাম .                       তোমাদের এই জল্ সারে |...

তোমরা যতই আঘাত করো

তোমরা যতই আঘাত করো নেইকো অপমান শুধু আমায় দাওগো সুযোগ শোনাতে এ গান আমার গুরুর নামে আমি করছি শপথ ভাই শুধু যে চাই গান শোনাতে আর কিছু না চাই ব্যথার ডালি বক্ষে ধরি গরল করি পান নাম না জানা অনেক ফুলই পথের ধারে ফোটে জীবনটা যায় ঝরে ঝরে ফুলদানি না জোটে দু’পায়েতে মাড়িয়ে...

তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে

তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে (আমার) মরণ যাত্রা যেদিন যাবে তুমি বারান্দাতে দাঁড়িয়ে থেকো শেষ দেখাটা দেখতে পাবে আমায় দেখতে তোমায় দেয়নি যারা জানবেনা যে কেউতো তারা আমি পাথর চোখের দৃষ্টি দিয়ে দেখবো তোমায় বিভর ভাবে তুমি ফুল ছুঁড়ো না ওপর থেকে একটু ফেলো দীর্ঘ নিঃশ্বাস আমার শিয়রে...

তোমার পড়েছে মনে

তোমার পড়েছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে একলা বসে নিরালায় হায় তোমায় পড়েছে মনে ভিজে যাওয়া বরষার হাওয়া কেন নিয়ে এলে বেদনার খেয়া মেঘলা মনের কিনারায় হায় নিরাশায় ডুবে যাওয়া এই নিরালায় কোন সরসীতে কত ফুটেছে কমল মন মধুকর তাই হয়েছে পাগল মিলন পিয়াসী মন জাগে রাতের পেয়ালা ভরে অনুরাগে...

সে তো এলো না

সে তো এলো না সে এলো না কেনো এলো না জানি না হারলো কি আঁধারেতে নিভে গেল দীপ যে কেন জানি না জানিনা কি দোষে এ জীবনও দিয়ে গেল ফাঁকি ভুল করে তারে মনটি দিয়েছি আমি যে কি নিয়ে থাকি এত জানা তবু আজও মন তার কেন জানা গেলনা চোখেরও দুয়ার থেকে মনেরও আঙিনা বলো কতদূর যে যায় সে যায়...

সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা

সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা রঙ ছিল ফাল্গুনি হাওয়াতে সব ভালো লাগছিল চন্দ্রিমায় খুব কাছে তোমাকে পাওয়াতে মন খুশি উর্বশী সেই রাতে সুর ছিল গান ছিল এই প্রাণে ঐ দুটি হাত ছিলো এই হাতে কি কথা বলছিলে মন জানে সব ভালো লাগছিল তুমি ছিলে তাই মন ছিল মনেরই ছায়াতে রাত আসে রাত চলে যায়...

সেদিনও আকাশে ছিল কত তারা

সেদিনও আকাশে ছিল কত তারা আজো মনে আছে তোমারি কথা স্মৃতি নয় এতো ঝরা ফুলে যেন ভালোবাসা ভরা তোমারি মমতা ঘুম ভুলে যাওয়া কেঁদে ফেরে হাওয়া এ জীবনে হলো বলো কতটুকু পাওয়া (মনে পড়ে) বসে মুখেমুখি দুজনেই সুখী মেঘেরই আড়ালে ছিল চাঁদেরই সেই উঁকি কানে কানে গানে গানে নীল এ মন আজো তারা...

সে যেন আমার পাশে আজো বসে আছে

সে যেন আমার পাশে আজো বসে আছে চলে গেছে দিন তবু আলো রয়ে গেছে ভেঙে যাওয়া পাখীর বাসার মত মন কিছু নেই তার বুকে আজ তো এখন ডানা মেলে ফিরে কেনো আশা তারই কাছে যেখানে প্রদীপ ছিল সেখানে আঁধার নয়নের জল হয়ে ফিরে এলো সে আবার কোনো তারা নেই আজ আকাশের গায় আলেয়ার আলো এসে আলো দিয়ে যায়...

পৃথিবী বদলে গেছে

পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি নতুন লাগে তুমি আমি একই আছি দুজনে যা ছিলাম আগে সময় চিরদিন শুধুই বয়ে যায় থেমে সে তো থাকে না কত ঝড় মেঘ আসে চলে যায় আকাশ মনে রাখে না শুধু প্রথম জীবনের ভালোবাসা স্বপ্নেরই মত জাগে পড়ে কি মনে তুমি আমি এই পথ ধরে যেতাম ভালোই হতো সেই দিনগুলো ফিরে যদি...

ওগো নিরুপমা

ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার অনেক কিছুই আছে তবু নেই দাম তার কোনো আমার কাছে আমার এ পথ তোমার পথের সাথে মিলবেনা যেন কিছুতেই ওগো নিরুপমা লতার মত জড়িয়ে রয়েছ গাছে বুঝি ফুল ফুটবার সময় এসেছে...

ও পারে থাকবো আমি

ও পারে থাকবো আমি তুমি রইবে এ পারে শুধু আমার দুচোখ ভরে দেখবো তোমারে পরবে যখন মালার চন্দন ঐ রাঙা চেলী আর ফুল ও রাখী বন্ধন মিলন রাতের প্রদীপ হয়ে আমি জ্বলবো বাসরে মন্ত্রে যখন এক হবে দুটি মন এক শুভ দৃষ্টিতে মিলে যাবে দু’নয়ন ভালো লাগার আবেশ হয়ে আমি থাকবো অন্তরে ফুটবে...

নয়ন সরসী কেন ভরেছে জলে

নয়ন সরসী কেন ভরেছে জলে কত কি রয়েছে লিখা কাজলে কাজলে বেদনার কলি তুমি দাও ভালোবেসে বঁধু ফুল ফোটানোর ছলে আমি ভরে দেবো মধু সারা মন কেন তুমি চোখে সাজালে কত কি রয়েছে লেখা কাজলে কাজলে জনম সফল হবে বঁধুয়ার ঘরে আজ শরমের আড়ালেতে দেখা যাবে ফুলসাজ নিশিরাতে বিরহের বাঁশী ওরে কে...

মোর স্বপনের সাথী তুমি কাছে এসো

মোর স্বপনের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে কভু দূরে থাকো বৃথা যায় দিন জানি তুমি আসনাতো এসো গো এসো গো… ভালো তো লাগে না মন তো জাগে না সব রঙ হারিয়ে ফুল ঝরে যায় কেন লজ্জাতে শুধু তুমি মুখ ঢাকো ভীরু দৃষ্টি মরি কি সৃষ্টি লাগে যে মিষ্টি এসো গো কাছে দেখা তুমি দিয়ে...

কি আশায় বাঁধি খেলাঘর

কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে নিশিদিন খেলা করে বেদনার বালুচরে হায় গো হৃদয় তবুও তোমার আশা কেন যায় না যতটুকু চায় কিছু তার পায় না কিছু তার পায় না কে যেন কেন যে আমার আকাশ মেঘে মেঘে শুধু ভরে প্রতিদিন উঠে নতুন সূর্য প্রতিদিন আসে ভোর ওঠে না...

হাওয়া মেঘ সরায়ে ফুল ঝরায়ে

সংলাপ ॥ দু’চোখে দেখি না তোমায়। তবু আছো, তুমি আছো॥ হাওয়া, মেঘ সরায়ে, ফুল ঝরায়ে ঝিরি ঝিরি এলে বহিয়া খুশীতে ভরেছে লগন আজ ওঠে মন ভরিয়া || এতদিন কোথায় ছিলে পথ ভুলে তুমি কি এলে প্রেমের কবিতা তুমি শোনালে য়ে গান গাহিয়া কুহু কুহু কুহু কোয়েলিয়া “ভালোবাসো” যাও বলিয়া || তুমি এলে...

এক টানেতে যেমন তেমন

এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রুগী তিন টানেতে রাজা উজীর চার টানেতে সুখী (ছিলিমের কী মহিমা বাবা) পাঁচ টানেতে মাটি ছেড়ে শূণ্যে উঠা যায় ছয় টানেতে আকাশেতে ভেসে থাকা যায় সাত টানেতে তুমি হবে ব্রহ্মা বিষ্ণু কালী আট টানেতে সর্গ নরক সবই পাবে খালি (দেখাবো নাকি খালি বলি, দেখাবো...

এইযে নদী যায় সাগরে

এইযে নদী যায় সাগরে কতো কথা সুধাই তারে এতো জানে তবু নদী কথা বলেনা কথা বলেনা কেন বলেনা কেন বলেনা এই যে নদী… কেউ যায়রে বন্ধুর বাড়ি নাও বাইয়া উজানে কেউ শাঁখা ভাইঙা সিঁদুর ধুইয়া ফিরে ভাটির টানে কারো আশার তরী বন্ধু পায়নারে কিনারা ভালোবাসা মরণ হইয়া কারো করে ঈশারা কারো...
পাতা 1/212