অনুপম রায় : Tag

কতবার তোর বাড়ি গিয়ে ফিরে, ফিরে এলাম

কতবার তোর বাড়ি গিয়ে ফিরে, ফিরে এলাম আমার মতে তোর মতন কেউ নেই কতবার তোর জানলা দিয়ে গলে’ হলুদ খাম আমার মতে তোর মতন কেউ নেই তোর বাড়ির পথে যুক্তির সৈন্য তোর বাড়ির পথে যুক্তির সৈন্য যতটা লুকিয়ে কবিতায় তারও বেশি ধরা পড়ে যায়। তোর উঠোন জুড়ে বিশাল অঙ্ক কষতে বারণ ছিল তাই কিছুই...

ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাত ঘড়ি (দেড়শ বছর আগেও আমি)

ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাত ঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি এন্টেনায় আর অশ্বথের ডালে ঝুলে থাকি প্রত্যেক সকালে। শহুরে সন্ধ্যায়, বন্দরে রুমাল নেড়ে আমি জাহাজ তাড়াই অনেক রাতে স্টেশানে প্লাটফর্ম গুলোতে ভিখিরি সাজাই। দেড়’শ বছর আগেও আমি তোমায় খুঁজে পথের ধারে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে...

আকাশে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা

আকাশে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা কারা যে ডাকিল পিছে! বসন্ত এসে গেছে মধুর অমৃত বাণী, বেলা গেল সহজেই মরমে উঠিল বাজি; বসন্ত এসে গেছে থাক তব ভুবনের ধুলিমাখা চরণে মথা নত করে রব, বসন্ত এসে গেছে বসন্ত এসে গেছে।। গগনের নবনীলে মনের গোপনে বাজে ঐ, বাজে ঐ, বাজে ঐ পলাশের নেশা...

বোবা টানেল (ফিরে গেছে কত, বোবা টানেলের গলা ছিঁড়ে আলো)

ফিরে গেছে কত, বোবা টানেলের গলা ছিঁড়ে আলো, ইচ্ছেরা ছুটে চলে… সারাটা দিন জুড়ে, তুমি আনাগোনা, করেছো সেই সুরে, তার রং লেগে আছে, অবুঝের পেনসিল… ভালোবাসা বাকি আছে, তোমারও আমার কাছে, যা চেয়েছো দিতে আমি পারি না… আমারও সময় ডালে, ফুরিয়ে এসেছে পাতা, এত প্রেম কাছে এসে এল না… যদি...

মনে পড়ার গান (আমার চোখের নিচে কবেকার ক্লান্তি)

আমার চোখের নিচে কবেকার ক্লান্তি তোমার ফুরিয়ে যাক জীবনের শান্তি সাবধান, এটা মনে পড়ার গান সাবধান, এটা মনে পড়ার গান তোমার প্রেমের শব্দমালা চাইছি বলে ভাঙছি তালা তুমিও ভাঙছো মাঝে মাঝে আয়না দেখছো অন্য সাজে তোমার পদক্ষেপে নেশাতুর ছন্দ শহরে ছড়িয়ে যায় রক্তের গন্ধ আগুন জ্বলছে,...

বসন্ত এসে গেছে (একরাশ বিপদের মাঝখানে শুয়ে আছি)

একরাশ বিপদের মাঝখানে শুয়ে আছি কানাঘুষা শোনা যায় বসন্ত এসে গেছে কবিদের মৃতদেহ চাপা পড়ে কাগজে বসন্ত এসে গেছে তাঁর ছেঁড়া যন্ত্রের মাঝখানে শুয়ে আছি আমলকি বনে শোন বসন্ত এসে গেছে দূর হোক বানানের অকারণ চিন্তা ই ঈ উ ঊ ফাঁকা হোক ফুটপাতে হাঁটবো আরামে কোকিলের ডাকে গুঁটি ফেলবো...

যদি এক মূহুর্তের জন্যেও আমায় চাও সেটাই সত্যি

এই বরফপথ এই কঠিন রাত তোমার পুরোনো অজুহাত এই আলোর নিচে কাঁপতে থাকা ছায়ার শিকড় ছিঁড়তে চাই এই উল্কাপাত এই বিশ্রী রাত আচমকা এই গোপন আঁতাত সব ধ্বংস হওয়ার আগেই আমি তোমার চোখে ভিজতে চাই আর কেউ তোমার ভাষাতে সমুদ্রের ভালোবাসাতে ফিরিয়ে নিয়ে গেলো তোমায় আহত ঝিনুক সৈকতে আর...
যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা

যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা

যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা জেনো কেড়ে নিতে দেবোনা যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা জেনো আমি ছাড়তে দেবোনা আর আমি আমি জানি জানি চোরাবালি কতখানি গিলেছে আমাদের রোজ আর আমি আমি জানি প্রতি রাতে হয়রানি হারানো শব্দের খোঁজ আর এভাবেই নরম বালিশে তোমার ওই চোখের নালিশে বেঁচে থাক...
আমাকে আমার মত থাকতে দাও

আমাকে আমার মত থাকতে দাও

আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি যেটা ছিলোনা ছিলোনা সেটা না পাওয়াই থাক সব পেলে নষ্ট জীবন তোমারই এ দুনিযার ঝাপসা আলো কিছু সন্দহের গুরো হওয়া কাঁচের মত যদি উড়ে যেতে চাও তবে গাঁ ভাসিয়ে দাও দূরবীনে চোঁখ রাখবনা… না না না… এই জাহাজ মাসতুল...
বাড়িয়ে দাও তোমার হাত

বাড়িয়ে দাও তোমার হাত

বাড়িয়ে দাও তোমার হাত আমি আবার তোমার আঙুল ধরতে চাই বাড়িয়ে দাও তোমার হাত আমি আবার তোমার পাশেই হাঁটতে চাই বাড়িয়ে দাও তোমার হাত, তোমার হাত… কিভাবে কাঁচের দেয়াল যেন আটকে থেকে যায় কখনো ফুরোয় কথায় অনেক সন্ধ্যাবেলায় তোমার ক্লান্ত চুলের হাত ছোঁয়াও আমার মাথায়...
যেখানে শুরুর কথা বলার আগেই শেষ (একবার বল নেই তোর কেউ নেই)

যেখানে শুরুর কথা বলার আগেই শেষ (একবার বল নেই তোর কেউ নেই)

যেখানে শুরুর কথা বলার আগেই শেষ সেখানেই মুখ ডুবিয়ে খুঁজতে চাওয়া আমারি অভ্যেস যেখানে রোদ পালানো বিকেল বেলার ঘাস সেখানেই ছুটবো ভাবি কিনব গল্প ভুল হবে বলার এই বুঝি ফসকাল হাত আর কালো রাত করে সময় গেল আয়োজনে প্রত্যেক দিন ভয় পাওয়া সব ইচ্ছেগুলো অনেক ঝড়ের শব্দ শোনে একবার...