Bangla Jokes - বাংলা জোকস

বাংলা কৌতুক ও হাসির গল্প

সূচীপত্র

বিবাহিত চেনার উপায়

অঙ্কের ক্লাসে ম্যাডাম প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা বলোতো একটা গাছে তিনটে পাখি ছিলো, একটা শিকারী গুলি করে একটা পাখি মারলো। তাহলে গাছে কটা পাখি থাকলো? ক্লাসের ফাস্ট বয় লাল্টুর জবাব, মেডাম একটাও থাকবে না কারণ গুলির আওয়াজে সবকটা উড়ে পালাবে। তখন মেডাম বললেন, দেখো লাল্টু এটা অঙ্কের...

ঢাকা খোলা

ঢাকা খোলা রবীন্দ্ৰনাথ একবার ঢাকায় গিয়েছিলেন বিখ্যাত ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের অতিথি হয়ে। রমেশচন্দ্র একদিন কবিকে ঢাকা শহর দেখাতে নিয়ে যান। সেই সময় ঢাকা শহরের রাস্তা ছিল সরু আর নোংরা। রমেশচন্দ্ৰ শহরের যে অংশে থাকতেন সেটা অবশ্য শহরের নতুন অংশ, নাম-রমনা। তার...

সহ সম্পাদক

সহ সম্পাদক শান্তিনিকেতনে একদিন বিকেলে কবির ঘরে সাহিত্য-আলোচনা হচ্ছে। কথা প্রসঙ্গে একটি পত্রিকার নাম ওঠায় রবীন্দ্ৰনাথ বললেন, ‘হ্যাঁ, এক সময় আমি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলাম।’ কবির কথা শুনে আর একজন বললেন, ‘তাই নাকি?’ তারপর সেই ব্যক্তি অন্য আর একজনের নাম উল্লেখ করে বললেন,...

নিরামিষাশী কবি

নিরামিষাশী কবি রবীন্দ্রনাথ ‘নতুন বৌঠান’ কাদম্বরী দেবী ও স্ত্রী মৃণালিণী দেবীর অকাল মৃত্যুতে বড় আঘাত পেয়েছিলেন। তাই এই দু’জনের মৃত্যুর পর কবি মাছ-মাংস খাওয়া ছেড়ে দেন। যদিও প্রথম বয়সে কবি মাছ-মাংস খেতে খুব ভালবাসতেন। একদিন সুধাকান্তর সঙ্গে কবির আমিষ-নিরামিষ নিয়ে জোর...

ডিসিশন

ডিসিশন মংপুতে থাকার সময় রবীন্দ্রনাথ একদিন লেখিকা মৈত্ৰেয়ী দেবীর স্বামী ডাক্তার মনমোহন সেনকে বললেন, ‘তোমরা সপরিবারে একবার কলকাতায় চলো।’ মনমোহন বললেন, ‘গুরুদেব, আমার এখন অনেক কাজ, এখন কী করে যাই বলুন?’ কিন্তু কবি না-ছোড়। সেই সময় ঘরে ঢুকলেন মৈত্ৰেয়ী দেবী। তাঁকে দেখে...

কত রূপে এঁকেছি

কত রূপে এঁকেছি বৃদ্ধ বয়সে রবীন্দ্রনাথ ছবি আঁকার নেশায় মগ্ন হয়ে পড়েন। রানী চন্দ সেই সময় কবির কাছে এসে বসে থাকতেন। এবং প্রয়োজন মত কবিকে সাহায্য করতেন। যেমন, রঙ গুলে দেওয়া, তুলি এগিয়ে দেওয়া ইত্যাদি। কবি মাঝে মধ্যে রানী চন্দকে সামনে রবীন্দ্ৰনাথ ঠাকুরের রঙ্গ রসিকতা...

মৃণালিণীর রেসিপি

মৃণালিণীর রেসিপি খাদ্যরসিক রবীন্দ্ৰনাথ খাদ্য নিয়ে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতেন। অবশ্য ঝক্কি ঝামেলার বেশিরভাগটাই সামলাতে হত। কবিপত্নী মৃণালিণী দেবীকেই। কবি নানা ধরণের মিষ্টি খেতে পছন্দ করতেন। মৃণালিণী দেবী সেই সব মিষ্টি তৈরী করতেন। কখনো দইয়ের মালপো, চিড়ের পুলি,...

রাজপুত্রের ছবি

রাজপুত্রের ছবি রবিকবির সত্তরবছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতায় তাঁর ভক্তদল জন্মজয়ন্তী উৎসবের বিশাল আয়োজন করে। কবি সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে ফাঁক বুঝে কিছুক্ষণ সাত নম্বর ল্যান্সডাউন রোডে মৈত্ৰেয়ী দেবীর বাড়িতে কাটিয়ে আসেন। মৈত্ৰেয়ী দেবীর সেই সময় একটি বাঙালি বধূর ছবি...

কবীন্দ্ৰ

কবীন্দ্ৰ কবিগুরু একবার তার জন্মদিনে কালিম্পং-এ মৈত্ৰেয়ী দেবীর বাড়িতে অতিথি হয়ে আছেন। কবির জন্মদিন বলে কথা। হৈ হৈ ব্যাপার। কত লোক আসছেন। সকাল থেকে কবিকে শুভেচ্ছা জানাতে। দুপুরে পিয়ন এসে কবির নামে অনেক ডাক দিয়ে গেল। তাতে জন্মদিন সংখ্যার কিছু পত্রপত্রিকা, কিছু উপহার,...

পদসেবা

পদসেবা রবীন্দ্ৰনাথ ১৯২৬ সালে একবার ঢাকায় গিয়েছিলেন। একদিন কবি নদীতে তুরাগ বোটে আরামকেদারায় বসে আছেন। কয়েকজন মেয়ে তাকে ঘিরে বসে। তারা কবির কাছে গান শিখছিল। কবি তাদের ‘বেদনায় ভরে গিয়েছে পেয়ালা, নিয়ো হে নিয়ো’ গানটি শেখাচ্ছিলেন। গান শেখানোর শেষে কবি মজা করে হেসে...

আলখাল্লা

আলখাল্লা রবীন্দনাথ শান্তিনিকেতনে সচরাচর আলখাল্লা পরতেন। একবার এক বিখ্যাত ব্যক্তি শান্তিনিকেতনে আসায় তার সৌজন্যে কবি ধুতি চাদর পরেন। সুপুরুষ কবিকে ঐ সাজে সুন্দর দেখাচ্ছিল। আশ্রমের সবাই খুশি, কবিকে নতুন সাজে দেখে। এর কিছুদিন পরে হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী কবিকে...

ব্রাইড মাদার

ব্রাইড মাদার রবীন্দ্ৰনাথ মাঝে মাঝেই বিদেশভ্রমণে যেতেন। কখনো একা, কখনো কাউকে সঙ্গে নিয়ে নিতেন। কবির পুত্ৰবধু প্ৰতিমা দেবী বেশ কয়েকবার কবির সঙ্গে বিদেশ ভ্ৰমণে গিয়েছিলেন। প্ৰতিমা দেবীকে কবি বিশেষ স্নেহ করতেন। কবি প্ৰতিমা দেবীকে সঙ্গে নিয়ে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের...

জল সিঞ্চিত ক্ষিতি

জল সিঞ্চিত ক্ষিতি কবির অন্তরঙ্গ সুহৃদ আচাৰ্য ক্ষিতিমোহন সেনের পাণ্ডিত্য ছিল অসাধারণ। একদিন প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ভিজে ক্ষিতিমোহন এলেন তাঁর প্রিয় কবিবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে। আপাদমস্তক বৃষ্টিতে ভেজা ক্ষিতিমোহনকে দেখে রবীন্দ্রনাথ রসিকতা করে বলেন--- ‘ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে। জল...

অসাধারণ মানুষ

অসাধারণ মানুষ রবীন্দ্ৰনাথ কখনো আগে গান লিখতেন, পাবে সুর করতেন, আবার কখনো গান ও সুর এক সঙ্গে রচনা করতেন। কিন্তু সমস্যা একটাই-কবি কিছুতেই সুর মনে রাখতে পারতেন না। তাই তৈরী হওয়া সেই নতুন গান কাউকে শেখানোর জন্য তিনি চিৎকারে বাড়ি মাথায় করতেন। কাউকে শেখানো মানে, তার ওপর...

মায়া-দয়া

মায়া-দয়া রবীন্দ্রনাথের বেশিরভাগ গানের সুরকার দীনেন্দ্ৰনাথ যখন খুব ছোট, তখন কবি নতুন লেখা গানে সুর সংযোজন নিজেই করতেন এবং সুর সংযোজন করেই ডাকতেন স্নেহের ভাইপো বিখ্যাত চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথকে। রবীন্দ্ৰনাথ সুর সংযোজন করেই ভুলে যেতেন। তাই অবনীন্দ্রনাথের ওপর সুর মনে...

চক্ষু লজ্জা

চক্ষু লজ্জা বলডুইন বা সুধাকান্ত রায়চৌধুরী ছিলেন রবীন্দ্রনাথের নিত্যসঙ্গী। একবার সুধাকান্ত নতুন চশমা পরে কবির কাছে আসেন। কবি তার দিকে এমনভাবে তাকালেন, যেন একজন অপরিচিত মানুষ তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে! তারপর কবি মজা করে সুধাকান্তকে জিগ্যেস করলেন, ‘ওহে সুধাকান্ত, কে তোমার...

মণিবাবার মাহাত্ম্য

মণিবাবার মাহাত্ম্য লেখালিখির ফাঁকে রবীন্দ্রনাথ তার খাস ভূত্য বনমালীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্পগুজব করতেন। কবি মাঝে মাঝেই রঙ্গ রসিকতায় মেতে উঠতেন খাস ভূত্যের সঙ্গে। একদিন সন্ধেবেলায় কবি গল্প করছিলেন অনিল চন্দের সঙ্গে। কাছেই দাঁড়িয়েছিল বনমালী। কথা প্রসঙ্গে সাপের...

অস্থির মতি

অস্থির মতি একদিন বিকেলে রবীন্দ্রনাথ কয়েকজন পরিচিত মানুষজনের সঙ্গে বসে গল্প করছিলেন। এমন সময় সেখানে এলেন কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ। রথীন্দ্রনাথকে দেখে রবীন্দ্ৰনাথ বললেন, ‘ও তুই এসেছিস, ভাল কথা, কাল বিকেলে মাদ্রাজ যেতে হবে আমাকে, তুইও সঙ্গে যাবি। যা টিকিট কেটে আন।’ কথামত...

চ-কর

চ-কর একদিন সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথের চা তেষ্টা পেয়েছে। কবি তাঁর খাসভৃত্য বনমালিকে বললেন, ‘তাড়াতাড়ি চা করে আন দেখি।’ কিন্তু বনমালীর বড্ড দেরী দেখে তিনি কপট বিরক্ত প্ৰকাশ করে বললেন, চা-কর, কিন্তু সু-কর নয়।’ এর কিছুক্ষণ পর বনমালী চা তৈরী করে নিয়ে এলে কবি কৃত্রিম রাগ...

Page 4 of 250« First...23456...102030...Last »

Adsense

সাম্প্রতিক মন্তব্য