বিশ্বকাপের পরে কারও পৌষ মাস কারও সর্বনাশ

পৌষ মাস
বিজয়ী দলের হিরো: পাঁচটা শ্যাম্পু, তিনটা স্পঞ্জের স্যান্ডেল, ছয়টা গামছা কোম্পানির মডেলিংয়ের অফার পাইছি। কারে যে হ্যাঁ বলি!
ডিভিডি স্টোরের মালিক: এত দিন দোকানে একটা মাক্ষীও বসে নাই। যাক, আবার ব্যবসা রমরমা।
টিভির মেকানিক: হতাশ ভক্তদের ভেঙে ফেলা টিভিগুলো সেরে ইনি পকেটের স্বাস্থ্য ভালো করার সুযোগ পান।
বুয়া: যাক। অহন আর কেউ রাতবিরাইতে চা বানাইতে কইব না।
হিন্দি সিরিয়ালের একনিষ্ঠ দর্শক: কী মজা! এখন আর রিমোট নিয়ে মারপিট করতে হয় না।
ক্রিকেটার: বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় তো আমাগো কেউ বেইল-ই দেয় নাই। যাক, এখন পাবলিক আবার আমগো খেলা দেখব।

সর্বনাশ
পরাজিত দলের কোচ: একটা টাকা দিয়া যান। মুই খয়রাতি ইনসান।
ভুভুজেলা বিক্রেতা: নিয়া যান ভুভুজেলা। পানির দামে ছাড়তাছি। একটা কিনলে তিনটা ফিরি।
পতাকার ফেরিওয়ালা: আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম!
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক: হায় হায়! ক্লাস খুইলা গেল। এত দিন খালি খেলা দেখতে দেখতে নিজেরই কিছু মনে নাই। এখন পড়ামু কী?
পাড়ার দাঙ্গাবাজ পোলাপান: ইস্, খেলার সময় কারেন্ট গেলেই কী সুন্দর বিদ্যুৎ অফিস ভাঙচুর করতাম!
জনৈক চিরসবুজের প্রতীক: ওহ্, শাকিরা! আই মিস ইউ।

আলিয়া রিফাত
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ১২, ২০১০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *