ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি

স্বামী বিবেকানন্দের শ্রুতিলিপিকার গুডউইনদের সঙ্গে স্বামীজী মাঝে মাঝেই রঙ্গ রসিকতায় মেতে উঠতেন। এইসব রঙ্গ রসিকতা উপভোগ করতেন লেখক মহেন্দ্ৰনাথ দত্ত। একদিন স্বামীজীর মনে হল, মহেন্দ্রর দাড়ি কাটিয়ে আনা দরকার। তো তিনি গুডউইনকে নির্দেশ দিয়ে বললেন, ওহে, একে এক্ষুনি একটা নাপিতের দোকানে নিয়ে গিয়ে এর দাড়ি ছটিয়ে নিয়ে এসো।

গুডউইন তখন মহেন্দ্ৰকে নিয়ে গেলেন বঙ্গটিজ নামক এক জার্মান নাপিতের দোকানে। গুডউইনের কথামতো নাপিত মহেন্দ্রর দাড়ি ছুচিলো করে বা ফ্রেঞ্চকাট ফ্যাশনে কেটে দিল। মহেন্দ্ৰ বাধ্য ছেলের মত এই অত্যাচার সহ্য করে নিলেন, কিছুটা গুডউইনের ধমকের ভয়ে!

মহেন্দ্র যখন দাড়ি নিয়ে স্বামীজীর সামনে এলেন, তখন স্বামীজী হোঃ হেঃ করে। হেসে বলে উঠলেন, ছ্যাঃ ছ্যাঃ, এতো চুনোগলির ফিরিঙ্গির মত হয়েছে!

স্বামীজীর কথা শুনে মুচকি হাসলেন গুডউইন। মহেন্দ্র কী আর করেন! ভেঙচি কাটলেন গুডউইনকে!