তঁবু মঁরিতে হঁবে

একবার এক সভা শেষে ফেরার পথে কবিগুরু চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললেন, ‘দেখলে চারু আমার প্রায়শ্চিত্ত। আমি নাহয় গোটা কয়েক গান কবিতা লিখে অপরাধ করেছি। তাই বলে আমাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এ রকম যন্ত্রণা দেওয়া কি ভদ্রতাসম্মত? গান হলো। কিন্তু দুজনে প্রাণপণ শক্তিতে পাল্লা দিতে লাগলেন যে কে কত বেতালে বাজাতে পারেন আর বেসুরে গাইতে পারেন। গান যায় যদি এ পথে তো বাজনা চলে তার উল্টো পথে। গায়ক-বাদকের এমন স্বাতন্ত্র্য রক্ষার চেষ্টা আমি আর কস্মিনকালেও দেখিনি। তারপর ওই একরত্তি মেয়ে, তাকে দিয়ে নাকিসুরে আমাকে শুনিয়ে না দিলেও আমার জানা ছিল যে, “তঁবু মঁরিতে হঁবে”।’ (গানের প্রথম লাইনটি ছিল ‘তবু মরিতে হবে’।)

One thought on “তঁবু মঁরিতে হঁবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *