গোয়েন্দা

নারী চরিত্র বনাম গোয়েন্দা

গদা: আচ্ছা পদা, বলতো গোয়েন্দারা সাধারণত প্রেম-ভালোবাসা-বিয়ে থেকে দূরে থাকে কেন? পদা: নারী চরিত্র বেজায় জটিল, কিছুই বুঝতে পারবে...

বুঝলেন কী করে

শার্লক হোমস: আপনার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে, তাই না? মক্কেল: হুঁ। শার্লক হোমস: আপনি ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন, তাই তো? মক্কেল: হুঁ! কিন্তু আপনি এত কিছু বুঝলেন কী করে? শার্লক হোমস: কারণ, আপনার মাথায় ভাঙা ফুলদানির টুকরা দেখা...

পরিচয়পত্রটা দেখান

একদিন এক কৃষকের বাড়িতে হানা দিলেন এক গোয়েন্দা। সহজ সরল কৃষককে ধমক দিয়ে গোয়েন্দা বললেন, ‘সরে দাঁড়াও, আজ তোমার বাড়িতে তল্লাশি করব!’ কৃষক বললেন, ‘তল্লাশি করতে চান, করুন স্যার। কিন্তু দয়া করে বাড়ির উত্তর দিকের মাঠটাতে যাবেন না।’ গোয়েন্দা কৃষকের নাকের ডগায় পরিচয়পত্রটা...

গলায় পরিচয়পত্র

গোয়েন্দাপ্রধান: চোরাকারবারিদের অনুসরণ করে তুমি কি হোটেল সুপার স্টারে গিয়েছিলে? গোয়েন্দা সহকারী: অবশ্যই, স্যার! গোয়েন্দাপ্রধান: ওরা তোমাকে চিনে ফেলেনি তো? গোয়েন্দা সহকারী: অসম্ভব, স্যার। আমি ছদ্মবেশ নিয়ে হোটেলের ভেতরে ঢুকে গেছি। গোয়েন্দাপ্রধান: কিসের ছদ্মবেশে গিয়েছিলে?...

শার্লক হোমস ও তাঁর সহকারী ওয়াটসন

বিখ্যাত গোয়েন্দা শার্লক হোমস ও তাঁর সহকারী ওয়াটসন একটা বেলুনে চেপে উড়ে বেড়াচ্ছিলেন। উড়তে উড়তে চলে যাচ্ছিলেন এক দেশ থেকে আরেক দেশে। নিজেদের অবস্থান বুঝতে না পেরে শার্লক বেলুন থেকেই চিৎকার করে এক লোককে ডাকলেন, ‘এই যে শুনছেন, আমরা এখন কোথায় আছি বলতে পারেন?’ লোকটা...

গোয়েন্দা উপন্যাস

সরদার তাঁর বন্ধুকে বলছেন, ‘জানিস, আমি গোয়েন্দা উপন্যাস সব সময় মাঝামাঝি থেকে পড়া শুরু করি। তাতে মজাটা বেশি হয়।’ বন্ধু: কীভাবে? সরদার: তখন শুধু উপন্যাসের শেষ না, শুরুটা জানারও কৌতূহল...

হুম…

ছোট্ট মিতু গেছে গোয়েন্দাদের অফিসে। দেয়ালে ‘ওয়ান্টেড’-এর তালিকায় টাঙানো অপরাধীদের ছবি দেখে সে গোয়েন্দা অফিসারকে প্রশ্ন করল, ‘তোমরা কি সত্যিই ওদের গ্রেপ্তার করতে চাও?’ গোয়েন্দা: অবশ্যই। মিতু: তাহলে ছবি তোলার সময়ই আটকে রাখলে না...

চেঁচামেচির যন্ত্রণা

এক বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। প্রতিবেশীর বাড়িতে অনুসন্ধানের কাজে গেছেন গোয়েন্দা। গোয়েন্দা: গত রাতে পাশের বাসা থেকে আপনারা কোনো শব্দ শুনতে পেয়েছেন? প্রতিবেশী: নাহ্! গোলাগুলি, চিৎকার আর ওদের কুকুরটার চেঁচামেচির যন্ত্রণায় কিছু শোনাই যাচ্ছিল...