উকিল

রতনে রতন চেনে, উকিলে চেনে উকিল

রতনে রতন চেনে, উকিলে চেনে উকিল আদালতে দুই পক্ষের উকিলে ঝগড়া বেঁধেছে । প্রথম উকিল : আপনি মিথ্যাবাদী, জোচ্চোর । দ্বিতীয় উকিল : মুখ সামলে কথা বল । তুমি তো ধাপাবাজ, নচ্ছার । বিচারক : আঃ এত গোলমাল কিসের । আপনারা দুজনকেই তো দেখছি বেশ ভাল ভাবেই চিনে নিয়েছেন, এখন মামলার কথা বলুন ।

প্রমাণ

সগীর: উকিল সাহেব, আমার প্রতিবেশী দস্তগীর সাহেবের কাছে আমি ৫০ হাজার টাকা পাই। কিছুদিন আগেই তিনি ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু ফেরত দিচ্ছেন না। আমি এখন কী করতে পারি? উকিল: আপনি যে তাঁর কাছে টাকা পান, কোনো প্রমাণ আছে? সগীর: না তো। উকিল: ঠিক আছে। আপনি তাঁকে একটা চিঠি পাঠান। চিঠিতে লিখুন, ‘আপনার কাছে আমি যে এক […]

দূরে থাকার চেষ্টা

উকিল বলছেন আসামিকে, ‘এবারের মতো তোমাকে বেকসুর খালাস পাইয়ে দিলাম। কিন্তু এখন থেকে পাজি লোকজনের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।’ আসামি: অবশ্যই স্যার। আমি অবশ্যই আপনার কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করব।

এক ডজন উকিল

একজন শিক্ষক গেছেন নাপিতের দোকানে চুল কাটাতে। চুল কাটা শেষে নাপিত বললেন, ‘আপনি একটি মহৎ পেশায় নিয়োজিত। আপনার কাছ থেকে আমি টাকা নেব না স্যার।’ শিক্ষক খুব খুশি হলেন। পরদিন সকালে নাপিত দোকানে এসে দেখেন, দোকানের সামনে শিক্ষক এক ডজন বই রেখে গেছেন। সেদিন চুল কাটাতে এল এক পুলিশ। চুল কাটা শেষে নাপিত বললেন, ‘আপনি […]

কারণ জানতাম

উকিল: দুর্ঘটনার সময় আপনি কি সেখানে উপস্থিত ছিলেন? প্রত্যক্ষদর্শী: হ্যাঁ। উকিল: দুর্ঘটনাস্থল থেকে আপনি ঠিক কতটুকু দূরে ছিলেন? প্রত্যক্ষদর্শী: ৪০ ফুট সাড়ে ছয় ইঞ্চি। উকিল: হুমম্। এত নিশ্চিত হয়ে বললেন কী করে? প্রত্যক্ষদর্শী: গজ ফিতা দিয়ে মেপে রেখেছিলাম। উকিল: কেন? প্রত্যক্ষদর্শী: কারণ, জানতাম, আপনার মতো কোনো একজন আমাকে এই প্রশ্নটা করবে!

কিছু বলার আছে

উকিল: মাননীয় আদালত, সব তথ্যের ভিত্তিতে এটা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে, আমার মক্কেল জনাব ছক্কু সম্পূর্ণ নির্দোষ। ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। অতএব, তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হোক। বিচারক: তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনাব ছক্কুকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো। জনাব ছক্কু, আপনার কি কিছু বলার আছে? ছক্কু: আমাকে কি ব্যাংকের টাকাগুলো ফেরত দিতে হবে?

ভুলে যাওয়ার উদাহরণ

উকিল: আপনি বলতে চাইছেন, আপনার ভুলে যাওয়া রোগ আছে? বিবাদী: জি। উকিল: এমন কিছুর উদাহরণ দিতে পারেন, যা আপনি ভুলে গেছেন!

স্বামীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার

উকিল প্রশ্ন করছেন এক ভদ্রমহিলাকে, ‘যেদিন আপনার স্বামীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হলো, সেদিন সকালে ঘুম ভেঙে তিনি প্রথম কী বলেছিলেন?’ ভদ্রমহিলা: বলেছিলেন, ‘শুভ সকাল, ফারাহ।’ উকিল: উত্তরে আপনি কী বললেন? ভদ্রমহিলা: বললাম, আমার নাম ফারাহ নয়, আমার নাম তন্বী!

চোরের মা’র ৫০০ সাক্ষী

উকিল বলছেন চোরকে, ‘তুমি বলছ তুমি নিরপরাধ, অথচ পাঁচজন সাক্ষী বলছে তারা তোমাকে দোকান থেকে ঘড়িটা চুরি করতে দেখেছে।’ চোর: হুজুর, আমি এমন ৫০০ জনকে হাজির করতে পারব, যারা আমাকে চুরি করতে দেখেনি!

কী কী ভুলে গেছেন

উকিল: আপনি বলতে চাইছেন, আপনার কিছুই মনে নেই? সাক্ষী: জি না, কিছুই মনে নেই। উকিল: কী কী ভুলে গেছেন, সেটা কি মনে আছে?

মেয়ে কজন

উকিল: আপনার তিন সন্তান, তাই তো? আসামি: হ্যাঁ। উকিল: ছেলে কজন? আসামি: একজনও নয়। উকিল: মেয়ে কজন?

দায়িত্ব শেষ

মৃত্যু-শয্যায় শায়িত এক লোক উকিলকে দিয়ে উইল লেখাচ্ছিলেন। ‘নিম্নলিখিত লোকগুলো আমার শব বহন করবে;’ বলে বেশ কয়েকজনের নাম লেখালেন। উকিল দেখলেন, যাদের নাম লেখানো হয়েছে তাদের কারো সঙ্গেই তার ভালো সর্ম্পক নেই। তা হলে কেন এদেরকে দিয়েই শব বহন করাতে চান তিনি? কৌতুহল দমন করতে না পেরে প্রশ্নটা করেই ফেললেন উকিল। লোকটি বলল, এরা আমার […]

প্রমাণ

: তা হলে তুমি বলছ ওই লোকটা তোমার ঘর থেকে চুরি করেছে। : জি হুজুর। : ওর কাছে পাওয়া সব জিনিসপত্র টেবিলে আছে এর মধ্যে কোন জিনিসটা তোমার বলতে পার? : নিশ্চিত হুজুর। ওই কোণে ই লেখা রুমালটা আমার। : এটা কোনো প্রমাণ হতে পারে না। আমার পকেটেও একটা ই লেখা রুমাল আছে। : এখন […]

রিভলবারের সামনে মেয়ে-মানুষ

উকিল : তা হলে ঐ ভদ্রলোক যখন রিভলবার হাতে আপনার দিকে এগিয়ে আসছিলেন তখন আপনার হাতে কিছুই ছিল না? মক্কেল : ছিল, ঐ ভদ্রলোকের স্ত্রীই ছিল আমার হাতে কিন্তু রিভলবারের সামনে মেয়ে-মানুষ আর কী কাজে আসবে বলুন।

ডিভোর্স করার গ্রাউন্ড

ভদ্রলোক : আমি আপনার কাছে জানতে এসেছি আমার ডিভোর্স করার গ্রাউন্ড আছে কি না? উকিল : আপনি কি বিবাহিত? ভদ্রলোক : অবশ্যই। উকিল : তা হলে গ্রাউন্ড আছে।

কখন ঘড়িটি দিলেন

উকিল: আচ্ছা, আপনি ওই লোকের ঘড়ি চুরি করলেন কেন? মক্কেল: না! আমি তো চুরি করিনি। তিনি নিজেই আমাকে ঘড়িটি দিয়েছেন। উকিল: কী বলছেন! তিনি কখন আপনাকে ঘড়িটি দিলেন? মক্কেল: কেন? আমি যখন আমার বন্দুকটি দেখালাম!

টাকা দিয়ে জলদি কেটে পড়ুন

নতুন এক মক্কেল বিখ্যাত এক উকিলের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন— মক্কেল: আচ্ছা, আপনার ফি কত? উকিল: আমি প্রতি তিনটি প্রশ্নের উত্তরে ১৫ হাজার টাকা নিই। মক্কেল: কেন, আপনি এত বেশি টাকা নেন কেন? উকিল: এটাই তো আমার ন্যায্য পারিশ্রমিক। হাতে সময় কম। এবার আপনার তিন নম্বর প্রশ্নটি বলে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে জলদি কেটে পড়ুন!

Page 1 of 3123