বুখারি হাদিস নং ২৩৭২ – কোন ব্যক্তি আরবী গোলাম-বাদীর মালিক হয়ে তা দান করলে বা বিক্রি করলেন, বা বাদীর সাথে সহবাস করলে বা মুক্তিপণ হিসাবে দিলে এবং সন্তানদের বন্দী করলে (তার হুকুম কি হবে)।

হাদীস নং ২৩৭২

ইবনে আবু মারয়াম রহ………..মারওয়ান ও মিসওয়ার ইবনে মাখরামা রা. থেকে বর্ণিত, হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে হাযির হলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এরপর তার অর্থ-সম্পদ ও বন্দীদের ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানাল। তখন তিনি বললেন, তোমরা দেখছো, আমার সাথে আরো, সাহাবী আছেন। আর সত্য ভাষণই আমার নিকট প্রিয়। কাজেই অর্থ-সম্পদ ও বন্দী এ দুটির যে কোন একটি তোমরা বেছে নাও। বন্দীদের বন্টনের ব্যাপারে আমি বিলম্বও করেছিলাম। (রাবী বলেন) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফ থেকে ফিরে প্রায় দশ রাত তাদেরকে সুযোগ দিয়েছিলেন। যখন প্রতিনিধি দলের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দুটির যে কোন একটি ফেরত দিবেন, তখন তারা বলল, তবে আমরা আমাদের বন্দীদেরই পছন্দ করছি। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবার সামনে দাঁড়িয়ে আল্লাহ পাকের যথাযোগ্য প্রশংসা করার পর বললেন, তোমাদের ভাইয়েরা তাওবা করে আমাদের কাছে এসেছে। এমতাবস্থায় আমি তাদেরকে তাদের বন্দীদের ফেরত দিতে মনস্থ করেছি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে তা পছন্দ করে, তারা যেন তাই করে। আর যারা তাদের নিজেদের হিসসা পেতে পছন্দ করে। তা এভাবে যে, প্রথম যে ফায় আল্লাহ পাক আমাকে দান করবেন, সেখান থেকে আমি তাদের সে হিসসা আদায় করে দিব। সে যেন তা করে। তখন সবাই বলল, আমরা আপনার জন্য সন্তুষ্টচিত্তে তা করতে রাযি আছি। তিনি বললেন, আমি বুঝতে পারছি না, তোমাদের মধ্যে কারা সম্মত আর কারা সম্মত নও। কাজেই তোমরা ফিরে যাও। আর তোমাদের মুখপাত্ররা তোমাদের মতামত আমার কাছে উত্থাপন করুক। তারপর সবাই ফিরে গেলো আর তোমাদের মুখপাত্ররা তাদের সাথে আলোচনা সেরে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ফিরে এসে জানালেন যে তারা সকলেই সন্তুষ্টচিত্তে সম্মতি প্রকাশ করেছে। (ইবনে শিহাব যুহরী রহ. বলেন) হাওয়াযিন গোত্রের যুদ্ধ বন্দী সম্পর্কে এতটুকুই আমাদের কাছে পৌছেছে। আনাস রা. বলেন, আব্বাস রা. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, (বদর যুদ্ধে) আমি (একাই) নিজের ও আকীলের মুক্তিপণ আদায় করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *