মধ্যরাতে

পুরোনো দেয়াল ঘড়ি আওড়ায় গাঢ় মধ্যরাত,
মধ্যরাত শিরাপুঞ্জে বোনে সুর, যেনবা সরোদ
ঝংকৃত গুণীর হাতে। তন্দ্রার চুম্বন চোখে, হাত
থেকে আস্তে খসে যায় আক্ষরিক দান্তের নরক।
আমি কি হারাচ্ছি পথ মধ্যপথে? হায়রে নির্বোধ,
কেন তুই নিশীথকে করিস বিশ্বাস? কেন তোর
ঘরে এত মৃত গাংচিলের ভিড়? এ কেমন ঘোর
সত্তাময়? নিষ্প্রদীপ হৃদয়ের জটিল সড়ক।

অকস্মাৎ দেখি, গাংচিলের স্তূপ ফুঁড়ে তুমি এই
মধ্যরাতে অন্ধকার ঘরে এলে, আমি অনশনে
কম্পমান; রাত্রি-রাত্রি গন্ধ সারা শরীরে তোমার-
চোখে জ্যোৎস্নাপায়ী ট্রেঞ্চ, সেতু, বাগানের ফলভার
এবং নির্জন পথ। ছুটে যাই, বাঁধি আলিঙ্গনে,
ওষ্ঠের শিশির নিই। তারপর নেই, তুমি নেই।