শ্রীরাধা বৃন্দাকে দৃষ্টান্ত দ্বারা বুঝাইতেছেন
যাত্রাকালে হরিধ্বনি করিলে, হরি তাকে কেমন রক্ষা করেন—

যেমন রমণীরক্ষক পতি, সর্পভয়ে খগপতি,
বিবাহে রক্ষক প্রজাপতি ; প্রজারক্ষক ভূপতি।
শস্যরক্ষক ইন্দ্র যেমন, গগনে করেন বৃষ্টি ।
বালক-রক্ষক ষষ্ঠী, অন্ধের রক্ষক যষ্টি ।
দেহরক্ষক অন্ন যেমন, প্রাণরক্ষক জল ।
রাজদৈবে রক্ষক, সম্পদ সখাবল ॥
যজ্ঞরক্ষক যজ্ঞেশ্বর, যন্ত্ররক্ষক যন্ত্রী ।
গ্রহরক্ষক পুরোহিত, রাজ্যরক্ষক মন্ত্রী।
অশক্ত কালেতে রক্ষক সঞ্চিত বিষয়।
সাধন-কালেতে রক্ষক গুরু যে নিশ্চয় ॥
সৃষ্টিরক্ষক ধৰ্ম্ম কেবল, বিপদ-রক্ষক মিত্র।
গো-ব্রাহ্মণ-রক্ষক গোবিন্দ জানি মাত্র ।
বংশরক্ষক পুত্র ॥
পরকাল-রক্ষক পুণ্য, কেবল তারি বলে তরি ।
তরঙ্গে রক্ষক তরি, রোগে ধন্বন্তরি।
অন্ধের রক্ষক নড়ি, যাত্রার রক্ষক হরি ॥ ৩৩
———————
(সখি ! হরি-দর্শনে গমন করিলে বিপদ-নাশ হয় । )
সিন্ধু-ভৈরবী—পোস্তা।

কি চিন্তা কর ধনি ! হরি হরি কর ধ্বনি।
চল হেরি গো হরি, হরিবে দুখ আমনি।
চিন্তিলে চিন্তা হরে, চিন্তে যারে বিধি হরে,
সজনি ! চিন্তা-জ্বরে, ঔষধি খাম-চিন্তামণি ॥
রাখ রে দাশরথি । হরি-চরণে মতি,
কি শঙ্কা, হরিস্কৃতি—সৰ্ব্ববিপদ-নাশিনী॥

%d bloggers like this: