কি সাধনে পাই গো তারে
আমার মন অহৰ্নিশি চায় যাহারে।।

পঞ্চ প্রকার মুক্তির বিধি
অষ্টাদশ প্রকারে সিদ্ধি
এসব কয় হেতুভক্তি
ইহার বশ নয় আলেক সাঁইজী মেরে।।

দান ব্ৰত তপ যজ্ঞ যত
তাহাতে সাই হয় না রত
সাধুশাস্ত্রে কয় সতত
মনে কোনটা জানি সত্য করে।।

ঠিক পড়ে প্রবর্তের ঘর
সাধন সিদ্ধি হয় কি প্রকার
সিরাজ সাঁই কয়, লালন তোমার
নজর হয় না কিছুই কোলের ঘোরে।।

—————————-
লালন ফকির : কবি ও কাব্য, পৃষ্ঠা ১৮৪; লালন-গীতিকা, পৃষ্ঠা ৮৫-৮৬; হারামণি, ৮ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৫৫ (শেষের দুইটি গ্রন্থে ‘অন্তরা ও সঞ্চারী’ স্থান-বদল হয়েছে।) ‘লালন ও তার গান’ গ্রন্থে ধুয়ার ২য় চরণ “আমার মন তাহ দিবানিশি চায় রে।” এবং অন্তরীর ৩য়-৪র্থ চরণ “সাধুশাস্ত্রে কয় সদা আনন্দ
মনে/কোনটা জানি তাই সত্য করে।” – এভাবে লেখা হয়েছে। (পৃ ৭৯) উভয় পাঠ অশুদ্ধ ও বর্জ্যনীয়।