গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষেপা হাপুর হুপুর ডুব পাড়িলে

গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষেপা হাপুর হুপুর ডুব পাড়িলে । এও তো মজা যাবে জানা কার্তিকে ওলানির কালে।। বাই চালা দেয় ঘড়ি ঘড়ি ডুব পাড় গা তাড়াতাড়ি তাইতে হল কাফের নাড়ি তাইতো হানা দেয় আমারে।। কুতফি যখন কফের জালায় তাগা তাবিজ বাঁধবি গলায় তাতে কি হবে ভালাই মস্তকের জল শুষ্ক হলে।।...

কোন দিন সূর্যের অমাবস্যে

কোন দিন সূর্যের অমাবস্যে । দেখি চাঁদেও অমাবস্যা মাসে মাসে। বার মাসে ফোটে চব্বিশ ফুল জানতে হয় কোন মাসে তার মূল আন্দাজী সাধন কর নারে মন মূলে ভুলে ফল পাবি কিসে।। যে করে এই আসমানী কারবার না জানি তার কোথায় বাড়ী-ঘর কোন সময় কখন কোথায় আগমন চাঁদ-চকোরে খেলে কখন এসে।। আকাশে...

কেন রে মন-মাঝি ভব-নদীতে মাছ ধরিতে আইলি

কেন রে মন-মাঝি ভব-নদীতে মাছ ধরিতে আইলি । ওরে তোর মাছ ধরার ঠনঠনা, শুধু কাদা-জল মাখাইলি।। লোহা-খসা ঘাই ছিড়া জালে কেমন করে ধরবি মাস আনাড়ি নাইলে ভক্তির জোরে জাল না দিলে টান দিলে জাল উঠে খালি।। তাই লালন বলে, ও মন মাঝি-ভাই মাছ ধরার কায়দা-কানুন শিক্ষা কর নাই এবার শিক্ষা লও...

কে ভাসায় ফুল প্রেমের ঘাটে

কে ভাসায় ফুল প্রেমের ঘাটে । অপার মহিমা তার ফুলের বটে।। যাতে জগতের গঠন সে ফুলের হল না যতন বারে বারে তাই তে ভ্রমণ ভবের হাটে।। মাস অন্তে ফোটে সে ফুল কোথায় গাছ তার কোথায় রে মূল জানিলে তাহার উল ঘোর যায় ছুটে।। গুরু-কৃপা যার হইল ফুলের মূল সেই চিনিল লালন মহা ভেড়ো প’ল...

কে তোমায় এ বেশ-ভূষণে সাজাইল

কে তোমায় এ বেশ-ভূষণে সাজাইল, বল শুনি। জেন্দা দেহে মরন্দার বেশ বোরকা তাজ আর ডোর-কোপিনী।। জেন্দা-মরার পোশাক পরা আপন সরছাদ আপনি সারা ভব দেখে ডঙ্কারা সদদ্ভাব করনি।। মরণের আগে মরে ছোঁবে না তামে শুনেছি সাধুর দ্বারে তাই বুঝি করেছ ধনি।। সেজেছ সাজ ভালই তোর মরে যদি ডুবতে পার...

কৃষ্ণ পদ্মেরই কথা কর রে দিশে

কৃষ্ণ পদ্মেরই কথা কর রে দিশে। রাধা-কান্তি পদ্মের উদয় হয় মাসে মাসে।। না জেনে সে যোগ নিরূপণ রসিক নাম ধরা সে কেমন অসময়ে চাষ করলে তখন কৃষি হয় কিসে।। সামান্য বিচার কর বিশ্বাস লইয়া ধর অমূল্য ধন পাইতে পার তাহে অনায়াসে।। শুনতে পাই আন্দাজী কথা বর্তমানে জান হেথা লালন কয়,...

কি হবে আমার গতি

কি হবে আমার গতি কতই জেনে কতই শুনে ঠিক পড়ে না কোন প্রীতি।। মুচির কোটায় গঙ্গা র’ল কলার ডেগো সৰ্প হল সকলই ভক্তির বল আমার নাই কোন বল-শক্তি।। যাত্রা ভঙ্গ যার সনে সেহি বানর হনুমানে নিষ্ঠা গুণ রাম-চরণে সাধুর খাতায় তার সুখ্যাতি।। মেঘ-পানে চাতকের ধ্যান অন্য জল সে করে...

কি সাধনে পাই গো তারে, যার নাম অধর এই সংসারে

কি সাধনে পাই গো তারে, যার নাম অধর এই সংসারে । মুনি ঋষি হদ্দ হল ধ্যান করে।। কেউ ফকির, কেউ হচ্ছে যোগী কেউ মোহান্ত, কেউ বৈরাগী কারও বা কথায় মন, সুতায় দেও গিরে।। ব্ৰহ্মজ্ঞানী খ্ৰীষ্টানেরা নাম-ব্ৰহ্ম সার বলেন তারা দরবেশ কয় বস্তু কোথায় দেখ নারে।। গুরুতত্ত্ব বিধি শোনা...

কি সাধনে পাই গো তারে

কি সাধনে পাই গো তারে আমার মন অহৰ্নিশি চায় যাহারে।। পঞ্চ প্রকার মুক্তির বিধি অষ্টাদশ প্রকারে সিদ্ধি এসব কয় হেতুভক্তি ইহার বশ নয় আলেক সাঁইজী মেরে।। দান ব্ৰত তপ যজ্ঞ যত তাহাতে সাই হয় না রত সাধুশাস্ত্রে কয় সতত মনে কোনটা জানি সত্য করে।। ঠিক পড়ে প্রবর্তের ঘর সাধন...

কি সাধনে আমি পাই গো তারে

কি সাধনে আমি পাই গো তারে। ও সে ব্ৰহ্মা বিষ্ণু ধ্যানে পায় না যারে।। শূন্য শিখর যার নির্জন গোফা স্বরূপে সেই তো চন্দ্রের আভা ও সে আভা ধরতে চাই হাতে নাহি পাই কেমনে সে রূপ যায় গো সরে।। জেনে শাস্ত্র ভাল কেহ কেহ পঞ্চতাত্ত্বিক হলে জানতে পায় সেহি ও সে পঞ্চতত্ত্বের ঘর সেও তো...
Page 1 of 3212345...Last »