পতিতার উপপতির যে সব গুণ থাকবে
১। সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া দরকার।
২। সদবুদ্ধি ও বিবেক থাকবে।
৩। সৎব্যবহার।
৪। সরলতা।
৫। পরস্পরের প্রতি কৃতজ্ঞতার ব্যবহার।
৬। দূরদর্শিতা।
৭। কাজের প্রতি ঔদাসীন্য।
৮। স্থান কাল অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা।
৯। আইন মান্য করে চলা।
১০। দারিদ্র্যে মুহ্যমানতা।
১১। যথাসময়ে হাস্য করা।
১২। পরনিন্দা ও জনশ্রুতি বৃদ্ধি না করা।
১৩। দুর্নাম থেকে আত্নরক্ষার শক্তি।
১৪। রোষ, হিংসা, আত্নগর্ব থাকা উচিত।
১৫। চপলতা থেকে মুক্ত ভাব।
১৬। যার সঙ্গে দেখা হবে তাকে অভিবাদন।
১৭। কাম ক্রীড়ায় বৈচিত্র্য।
১৮। মনে সব সময় স্ফুর্তি থাকা দরকার।
১৯। অন্তঃকরণ হবে উদার।
২০। মুক্ত হসে- খরচ করবে।
২১। পতিতার মন জুগিয়ে চলবে।
২২। শৃঙ্গার দক্ষতা থাকবে।

বেশ্যারা যেসব পুরুষকে পছন্দ করে না
১। যক্ষ্মা বা কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত লোক।
২। যে লোক মেহ বা প্রমেহ রোগে ভুগছে।
৩। যে পুরুষের মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়।
৪। যে লোক বহু নারীর সঙ্গে মিলন করে।
৫ । যে লোক তার স্ত্রীকে খুব ভালবাসে।
৬। যে লোক কটুভাষী, দয়ামায়া শূন্য।
৭। যে সাধু লোক বলে মোটেই গণ্য নয়।
৮। যে চুরি কার্য্য করে।
৯। যে আত্নরক্ষার জন্যে মিথ্যা কথা বলে।
১০। যে টাকার জন্যে সব কিছু করতে পারে।
১১। যে প্রেমের জন্যে বা গুপ্ত প্রেমের জন্যে লজ্জিত বা ভীত হয় না।
১২। যে লোক সুরত কার্যে অক্ষম।
১৩। যে পুরুষ পয়সা খরচ করতে কুণ্ঠিত।

পত্নীরূপে বেশ্যা
যে বেশ্যা অনেকদিন ধরে কোন একজন পুরুষের উপপত্নীরূপে বাস করে, তার সঙ্গে ধর্ম পত্নীর মত ঘর করা ও সহবাস করা যায়।

পত্নীরূপে বেশ্যার কর্তব্য
১। নায়কের মর্দন চাওয়া। নিজেও চুম্বন, আলিঙ্গন, দংশন প্রভৃতি করতে পারে।
২। ধর্ম কর্মে মন দেওয়া।
৩। নিত্য নূতন কামকেলি।
৪। নিজে অর্থ না চাওয়া। দাসদাসী বা কোন ধাত্রীকে দিয়ে সাংসারিক প্রয়োজন জানাবে।
৫। মর্য্যাদা দিয়ে নায়ককে সন্থষ্ট রাখতে চেষ্টা করবে।
৬। নায়ক ক্রুদ্ধ হলে হাসবে। যথাসাধ্য তাকে সন্থষ্ট করবার চেষ্টা করবে।
৭। নায়কের মনে কোন ব্যথা দেবে না।
৮। কখনও কটু কথা বলবে না। নিজের স্বামীর মত তাকে প্রাণ দিয়ে ভালবাববে।
৯। অন্য পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হবে না। তাতে নায়কের আগ্রহ কমে যাবে।
১০। নায়কের বিরুদ্ধে কেউ নিন্দা করলে তার প্রতিবাদ করবে-না হয় তা শুনবে না। এতে নায়কের অতি প্রিয় হয়ে উঠবে।
১১। নায়কের অসুখে সেবা করবে।
১২। সন্তানলাভের আকাঙ্খা থাকবে। সন্তান একটি কি দু’টি হরে ভাল হয়। এর বেশী হওয়া উচিত নয়।

বিতৃষ্ণাযুক্ত উপপতির লক্ষণ
যখন কোন উপপতির কোনও বেশ্যার উপরে বিতৃষ্ণা আসে তখন যে সব লক্ষণ দেখা যায়-তা এবারে বলা হচ্ছে-
১। উপপত্নীকে দেয় টাকা সম্পূর্ণ দেয় না।
২। যাদের সঙ্গে তার হিংসা দ্বেষ থাকে, তাদের সঙ্গে সে হেসে কথা বলে।
৩। উপপত্নীর মতের বিরুদ্ধে কাজ করে। অন্য বারাঙ্গনার নিকট যাওয়া আসা করে।
৪। উপপতি তার প্রতিশ্রুতি রাখে না।
৫। নিজের মনোভাব উপপতীকে গোপন করে। এই নায়িকার প্রতি ভালবাসার বন্ধন কমে যায়।
৬। উপপতীকে সর্বদা বিদ্রুপ করে। যাতে সে রেগে যায়।
৭। প্রায়ই তাকে ছেড়ে ছেড়ে থাকতে চায়।
৮। উপপত্নীর পূর্বের সব বিরুদ্ধ-চারীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে কথাবার্তা বলে।
৯। তাকে ঘৃণার ভাব দেখায়।
এ সকল লক্ষণ নায়কের মধ্যে দেখা গেলে, বুঝতে হবে নায়ক তাকে ত্যাগ করবে।

উপপত্নীর নায়ক ত্যাগের চিহ্ন
বেশ্যারা যখন উপপতিকে ছেড়ে দেবার চেষ্টা করবে এবং যে সব চিহ্ন দেখাবে, তা হ’লো-
১। উপপতি যা পছন্দ করে না এমন কাজ উপপতী করবে।
২। উপপতিকে কেবল ব্যথা দেবে। অপমানসূচক কার্যকলাপও করতে পারে।
৩। এমন লোকের সঙ্গে কথাবার্তা বলবে-যাদের সঙ্গে উপপতির সদ্ভাব নেই।
৪। তার নিন্দা করবে-মর্যাদাহীন করবে।
৫। তাকে প্রত্যেক বিষয় তিরষ্কার করবে।
৬। অন্য বেশ্যাদের উপপতির প্রশংসা করবে, নিজের উপপতির কাছে।
৭। উপপতির যত দোষ অবাধে অন্যের কাছে জানাবে ও তার প্রচণ্ড নিন্দা করবে।
৮। উপপতি ডাকলে তার কাছে আসবে না-তাড়াতাড়ি সাড়া দেবে না।
৯। রতি কার্য করতে চাইবে না।
১০। উপপতি চুম্বন করতে চাইলে মুখ ফেরাবে। ঘৃণার ভাব দেখাবে।
১১। আলিঙ্গনে বাধা দেবে। দূরে দূরে থাকবে।
১২। রতি কাজের জন্য জোরাজুরি করলে ঊরু দুটি চেপে রাখবে।
১৩। উপপতির কোন কথা গ্রাহ্য করবে না। তার যা ইচ্ছা তাই করবে।
১৪। সুরতের সময় উপপতি ঘুমের ভান করবে।
১৫। সুরতকালে উপপতি ক্লান্ত হ’য়ে পড়লে তাকে উপহাস করবে।
১৬। দিনের বেলায় উপপতি সঙ্গম করতে চাইলে, সে অন্যত্র চলে যাবে।
১৭। উপপতির সামনে অন্য পুরুষের সঙ্গে প্রেমালাপণ করবে।
১৮। শৃঙ্গারের শেষে বীর্য স্খলনের সময়ে, উপপতিকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেবে।
উপপতি এমন সব কার্যকলাপ করলে বুঝবে যে, সে তাকে আর চায় না।

%d bloggers like this: